বায়েজীদ পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা) :
বহুল আলোচিত গাইবান্ধার পলাশবাড়ী পৌর সভা নির্বাচনকে সামনে রেখে কাজ করছেন মেয়র,কাউন্সিলরসহ বিভিন্ন পদের প্রার্থীরা।
মেয়র পদে হাফ ডজন প্রার্থী থাকলে ও হেভিওয়েট ৪ প্রার্থীর মধ্যে ৩ জনের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার করা হচ্ছে বলে তারা স্ব স্ব ফেসবুক ওয়াল থেকে পোস্ট করেছেন।
৫ অক্টোবর সোমবার সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য (স্বতন্ত্র) মেয়র প্রার্থী মনিরুজ্জামান ফুল মিয়া তার ফেসবুক পোষ্টে লিখেছেন একটি বিশেষ মহল তার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন অপপ্রচার চালাচ্ছেন বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।
এর আগে একই অভিযোগ করছেন গাইবান্ধা জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পলাশবাড়ী পৌর বিএনপির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ তিনি উল্লেখ করেছেন তার সুদুর প্রসারী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে এ আই পদ্ধতি ব্যবহার করে তাকে সামাজিক ভাবে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করে অনলাইনে বিভিন্ন অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তিনি এ ব্যাপারে দলীয় নেতাকর্মী ও ভোটারসহ সবাইকে সতর্ক থাকার কথা উল্লেখ করেছেন।
বিগত সময়ে একই অভিযোগ করছেন উপজেলা জামায়াতের নীতিনির্ধারক ও উপজেলা শ্রমিক কল্যান
ফেডারেশন এর সভাপতি খায়রুল ইসলাম চান।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে ও হেয় প্রতিপন্ন করার অভিযোগের কথা তার নিজস্ব ফেসবুক আইডি থেকে তিনি জানিয়েছেন। তিনি রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গ ও ভোটারদের এসব গুজবে কান না দিয়ে কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার জন্য বলেছেন।
অভিযোগ করেনি গাইবান্ধা জেলা বিএনপি নেতা,পলাশবাড়ী উপজেলার সাবেক যুবদল সভাপতি ফরিদুল হক রুবেল। তিনি তার আপন গতিতে সমান তালে জন সমর্থন আদায়ে নির্বাচনী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।
সারা দেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামীগ মাঠে না থাকায় এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ করতে পারছে না।
তবে এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক না দিয়ে দলীয় সমর্থন দেয়ার কথা ইতোমধ্যেই সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
পলাশবাড়ী পৌর সভা নির্বাচনে বিএনপি ২ হেভিওয়েট প্রার্থীর পাশাপাশি বিএনপি পরিবারের (স্বতন্ত্র প্রার্থী) দাবি করা জেলা পরিষদ সদস্যসহ মোট ৩ জন প্রার্থীই বিএনপির ভোট আশা করেন।
অপরদিকে জামায়াত তাদের এক প্রার্থী অনেক আগেই
ঘোষণা করেছেন।তারা তাদের কার্যক্রম দলীয় ভাবে চালিয়ে যাচ্ছেন।
এই নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীর মধ্যে সমঝোতা সৃষ্টি করে একক প্রার্থী না দিলে দলীয় সমর্থিত প্রার্থী যেই হোক না কেন তার বিজয় কঠিন হয়ে দাড়াবে বলে মনে করেন নির্বাচন বিশ্লেষকরা।
বিএনপির ২ হেভিওয়েট প্রার্থী, জামায়াতের একক হেভিওয়েট প্রার্থী ও একজন হেভিওয়েট স্বতন্ত্র প্রার্থীকে নিয়ে পলাশবাড়ী পৌর নির্বাচনের হিসেবে কষলে জটিল সমীকরণ দাড়াবে বলে বিশ্লেষকরা আপাত দৃষ্টিতে মনে করেন।
যদি ও আগামী বছর এই পৌরসভার ২য় বারের মত ঐতিহাসিক নির্বাচন হওয়ার কথা জানা গেছে।
সময়ের সাথে সাথে এই নির্বাচন পরিস্থিতি কোন দিকে যায় তা দেখার জন্য আরো কয়েক মাস অপেক্ষা করতে হবে পলাশবাড়ী পৌরবাসীকে।
Post Views: 51
Related