রংপুর বিভাগীয় প্রতিনিধি: রংপুরে কাঁঠাল খাওয়ার ব্যতিক্রম প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ জাতীয় ফল কাঁঠালের গুরুত্ব এ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার জন্য এ আয়োজন করা হয়। কাঁঠাল খাওয়ার প্রতিযোগিতায় নারী ও পুরুষ বিভাগে সেরা ৬ জনকে ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান করা হয়। কাঁঠাল বিষয়ক ছড়া লেখায় বিজয়ী ৩ জনকে পুরস্কৃত করা হয়। এছাড়াও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী সকলের মাঝে কাঁঠাল গাছের চারা বিতরণ করা হয়। ২৪ জুন শুক্রবার সকালে রংপুর পাবলিক লাইব্রেরি মাঠে ব্যতিক্রম এ প্রতিযোগিতার আয়োজন
করে সাহিত্যের কাগজ মৌচাক। সকাল ১১টায় ফিতা কেটে প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ স¤পাদক ও সাবেক ছাত্রনেতা মোতাহার হোসেন মন্ডল মওলা। এ সময় কাঁঠালের পুষ্টিগুণ নিয়ে আলোচনা করেন ডা. মফিজুল ইসলাম মান্টু, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহকারী বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মতিয়ার রহমান। মৌচাক এর প্রধান উপদেষ্টা লেখক ও গবেষক রেজাউল করিম মুকুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন রংপুর সাহিত্য পরিষদের সাধারণ স¤পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন, অভিযাত্রিক সভাপতি লেখক রানা মাসুদ, রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক স¤পাদক এ্যাডভোকেট আতিক উল আলম কল্লোল, ভাওয়াইয়া শিল্পী খ ম আলী সম্রাট, কারমাইকেল কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি আলাউদ্দিন মিয়া প্রমুখ। আলোচনা শেষে নারী ও পুরুষ বিভাগে কাঁঠাল খাওয়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় নারীদের মধ্যে প্রথম হন এসএম ইতি, দ্বিতীয় হন রুমকি রহমান এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করেন শাহিনা বেগম। পুরুষ বিভাগে প্রথম হয়েছেন সোহানুর রহমান শাহিন, দ্বিতীয় হন স্বপন চৌধুরী এবং তৃতীয় এস এ অপু। এ ছাড়াও দেশব্যাপী কাঁঠাল বিষয়ক ছড়া লেখায় প্রথম হয়েছেন দিনাজপুরের লুৎফর রহমান, দ্বিতীয় হন গাইবান্ধার আতাউর রহমান লিটন এবং তৃতীয় হয়েছেন ঢাকার উম্মে হাবিবা সূচনা। বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ শেষে সব প্রতিযোগীদের একটি করে কাঁঠাল গাছের চারা প্রদান করা হয়। এই প্রতিযোগিতার অর্থ কুড়িগ্রাম ও রংপুরে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের মানুষের মধ্যে বিতরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন মৌচাক স¤পাদক রেজাউল করিম জীবন।
জমি না দিয়েই মহাসড়কের অধিগ্রহণের টাকা উত্তোলনের অভিযোগ
বায়েজিদ পলাশবাড়ী গাইবান্ধা) : পলাশবাড়ীতে মুনছুর আলীর বিরুদ্ধে প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগ, ভূমি অধিগ্রহণ শাখার কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক সম্প্রসারণ প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণ না হলেও প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ হিসেবে উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে মুনছুর আলী নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ শাখার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ক্ষতিগ্রস্ত জমির অংশীদাররা। অভিযোগ রয়েছে, পলাশবাড়ী পৌর শহরের নুনিয়াগাড়ী মৌজার সাবেক ৭৯/৮০ নম্বর দাগ এবং বর্তমান ৮৩১ নম্বর দাগের ০.০৯৪৮ একর জমির বিপরীতে ৫ কোটি ৫৬ লাখ ৪৩২ টাকা অধিগ্রহণের অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। তবে অভিযোগকারীদের দাবি, ওই পরিমাণ জমি বাস্তবে মহাসড়কের জন্য অধিগ্রহণ বা হস্তান্তর করা হয়নি। ভুক্তভোগী রেখা বেগমসহ অন্যান্য অংশীদারদের অভিযোগ, সাসেক প্রকল্প-২ সংশ্লিষ্টদের আপত্তি, অন্যান্য অংশীদারদের আপত্তি এবং এলএমসি কেস নং ২৭০/২০২৩-২০২৪ ও এলএ কেস নং ১১/২০১৯-২০২০-এর বিষয়গুলো নিষ্পত্তি না করেই মুনছুর আলীর নামে অধিগ্রহণের অর্থের চেক হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের দাবি, বিষয়টি যথাযথভাবে সরেজমিন যাচাই না করে কাগজপত্রের ভিত্তিতে অর্থ ছাড় করা হয়েছে। দলিলের হিসাবেও উঠছে প্রশ্ন অভিযোগকারীদের দেওয়া কাগজপত্রের তথ্য অনুযায়ী, নুনিয়াগাড়ী মৌজার এসএ খতিয়ান-১৬, আরএস খতিয়ান-২৫ এবং জেএল নম্বর-৬৯-এর সাবেক ৭৯/৮০ নম্বর দাগে মুনছুর আলীর বাবা মৃত মোফাজ্জল হোসেন ১৯৫৩ সালের ২১ জানুয়ারি ৪২৫ নম্বর দলিলের মাধ্যমে মোট ১২৭ শতাংশ জমির মালিকানা লাভ করেন। পরবর্তীতে ১৯৬৯ সালের ১৯ নভেম্বর ০১/৬৯ নম্বর কেসের মাধ্যমে সড়ক বিভাগের কাছে ৩২ শতাংশ জমি অধিগ্রহণ করা হয় বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে এতে মোফাজ্জল হোসেনের নামে অবশিষ্ট থাকার কথা ৯৫ শতাংশ জমি। এরপর ২০০২ সালে বিভিন্ন দলিলের মাধ্যমে ওই জমির একটি অংশ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে হস্তান্তর করা হয় ২১৬৯ নম্বর দলিলে ছেলে আল মামুনকে ৩৯ শতাংশ, ২১৭০ নম্বর দলিলে স্ত্রী হালিমা বেগমকে ৩ শতাংশ এবং ২১৯৪ নম্বর দলিলে দুই মেয়ে রোকেয়া বেগম ও শাহিনা পারভীনকে পৃথকভাবে ৫ শতাংশ করে মোট ১০ শতাংশ জমি দেওয়া হয়।...







