সাহাব উদ্দিন রিটু,লামা(বান্দরবান):বান্দরবানের লামায় কুল চাষে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখছেন তরুণ উদ্যোক্তা অংশৈছিং মার্মা।উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চল ত্রিডেবা গ্রামে প্রাথমিকভাবে ২.৫একর জমিতে উন্নত জাতের কুল চাষ শুরু করেন তিনি।বছর না ঘুরতেই রোপিত গাছে ফলন এসেছে এখন। পাকা কুলে রঙিন হয়ে উঠছে সবুজ পাহাড়।গাছের ডালে ডালে ফল দেখে খুশি অংশৈছিং।কুল বিক্্ির করে প্রথম বছরেই লাভের মুখ দেখছেন ২৬ বছর বয়সী এই তরুণ উদ্যোক্তা।প্রয়োজনীয় ঋণ সহায়তা পেলে আরও বাড়াতে চান চাষের পরিমাণ।
জানা যায়,ভাগ্য বদলের আশায় অংশৈছিং উদ্যোগী হয়ে আট নয় মাস আগে নিজ এলাকা ত্রিডেবা গ্রামে কুলের চাষ শুরু করেন।সাতক্ষিরা জেলা হতে চারা সংগ্রহ করে ২.৫ একর জমি লাগিয়ত নিয়ে উন্নত জাতের বিভিন্ন প্রজাতির ১১শ কুলের চারা রোপন করেন তিনি। রোপিত এসব চারার মধ্যে রয়েছে বল সুন্দরী,থাই কুল ও কাশ্মিরি বরই।এসব কুল খেতে খুবই মিষ্টি ও সুস্বাদু।বাজারে এর দামও চাহিদাও রয়েছে প্রচুর।এ চাষে তার সর্বমোট খরচ হয়েছে ২লক্ষ টাকা।
এদিকে বাগান করে বসে থাকেননি এই উদ্যোগক্তা।নিজের মেধা,শ্রম ও ইউটিউভ হতে লব্দ জ্ঞান কাজে লাগিয়ে তিল তিল করে গড়ে তোলেছেন এ বাগান।প্রয়োজনীয় ঔষুধও নিয়মিত পরিচর্যায় বছর না ঘুরতেই তার গাছে এখন ফলন এসেছে।১১শ চারা থেকে প্রায় ১শ’র মত চারা মারা গেলেও বাকি সব কয়টির ডালে ডালে কুল ধরেছে।এসব কুল পেকে পুরো বাগান এখন লালে লাল। গাছে অধিক ফলন দেখে হাসি ফুটেছে উদ্যোক্তার মুখে।আশা করছেন লাভের, স্বপ্ন দেখছেন ভাগ্য বদলের।এরিমধ্যে কুল কিনার জন্য যোগাযোগ করছেন ব্যবসায়ীরা।
ইতিমধ্যেই কুল বাগানটি এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে ।বাগান দেখতে এসে কুল চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন অনেক যুবক।বাগান দেখতে আসা ৯ নং ওয়ার্ড বাঁশখাইল্লা ঝিরি গ্রামের যুবক আবু সুফিয়ান বলেন, কুল বাগানটি দেখে আমি সত্যিই অভিভূত।কুলগুলো খেয়ে দেখেছি অনেক মিষ্টি ও সুস্বাধু।আগামী বছর এখান থেকে চারা ও পরামর্শ নিয়ে কুলের চাষ গড়ে তুলার আগ্রহ রয়েছে আমার।এরকম আরও আগ্রহ দেখান পাড়ার মংক্যছিং কারবারী,সিভিল ইঞ্জিনিয়ার মংখ্রিং।
তরুণ উদ্যোক্তা অংশৈছিং মামা জানান, আমার সাথে মংপ্রু মার্মা নামে একজনকে শেয়ার নিয়ে আজ থেকে নয় মাস আগে আমরা এ বাগান শুরু করি।এতে আমার ২ লক্ষ টাকা খরছ হয়। বর্তমানে আমার বাগানরে কুল ৩ লক্ষ ২০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে।প্রথম বছর হওয়ায় খরচ একটু বেশি পড়েছে। পরের বছর থেকে খরচ কমে লাভ আরও বেশি হবে বলে আশা করছি।আর্থিক অবস্থা ভাল না থাকায় মাঠ কর্মকর্তা অংক্যহ্লা মার্মার সহায়তায় পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক থেকে ৬০ হাজার টাকা ঋণ পাওয়ায় তার বাগান করতে সহজ হয়েছে।ভবিষ্যতে এ ধরণের ঋণ সহায়তা পেলে কুলের চাষ আরও সম্প্রসারণ করবেন বলেও জানান এই তরুণ উদ্যোক্তা।
উপজেলা কৃষি অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ সহকারি কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্বাস উদ্দিন এ বিষয়ে বলেন,সপ্তাহখানেক আগে আমি বাগানটি পরিদর্শন করেছি।বাগানে ফলন খুবই ভাল হয়েছে।ভবিষ্যতে অন্যরাও উদ্যোগী হয়ে বাগান করতে চাইলে পরামর্শ ও সহযোগীতা দিয়ে যাব আমরা।
মিরসরাইয়ে ছত্তরুয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার ক্রীড়া ও মেধা পুরষ্কার বিতরন
মিরসরাই প্রতিনিধি মিরসরাই উপজেলার করেরহাট ইউনিয়নের ছত্তরুয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার দুই দিনব্যাপী বার্ষিক ক্রীড়া, সাহিত্য, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও মেধা পুরষ্কার...