*** শ্বাশুড়িকে বিয়ে করা সর্বাবস্থায় হারাম । নিজের স্ত্রীর সাথে তালাক হয়ে যাওয়ার পরেও আমৃত্যু পর্যন্ত শ্বাশুড়ি মায়ের স্থানে বহাল থাকবে । অর্থাৎ তাঁকে নিয়ে বিয়ে বা খারাপ কোন কিছু কল্পনাও করা যাবেনা ।
*** শ্বাশুড়ি মাহরামদের অন্তর্গত । সূরা আন নিসার ২৩ নাম্বার আয়াতে তা স্পস্ট করা হয়েছে و امهات نساءكم দ্বারা ।
*** বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো দেশে শ্বাশুড়িকে অধিকাংশ জায়গায় মায়ের মতো মনে করা হয়না । এখানে শ্বাশুড়িও অনেক সময় দায়ী ! মেয়ের স্বামীর সাথে অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়ে ! যা’ অত্যন্ত মারাত্মক ! মাহরামের সাথে অনৈতিক সম্পর্ক সংঘটিত হওয়ার আশংকা দেখা দিলে এমতাবস্থায় তার সামনে যাওয়া হারাম । অর্থাৎ মাহরামও হারামের আওতায় এসে যায় অবস্থা ভেদে । তখন পরস্পর যেনো দূরে থাকে এবং একে অপরকে দেখা না দেয় ॥
*** এ পোস্টের উদ্দেশ্য হলো যে, শ্বাশুড়ির সংগে যিনার মতো খারাপ কোনো কিছু সংঘটিত হয়ে গেলে এমতাবস্থায় তা’ নিজের স্ত্রী বহাল থাকার ক্ষেত্রে নেতিবাচক কোন প্রভাব ফেলবে কিনা ?
না । এতে নিজের স্ত্রী সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকবে এবং স্ত্রী হিসেবে বহাল থাকবে ।
বরং শ্বাশুড়ির কাছ থেকে দূরে সরে যেতে হবে এবং তাওবা করা অত্যাবশ্যক ।
*** না বুঝে উল্টা পাল্টা কমেন্ট করে সময় নষ্ট না করার পরামর্শ দিচ্ছি ।
جزاكم الله خيرا
-MQM Saifullah Mehruzzaman









