মালিকুজ্জামান কাকা
২৮ সেপ্টেম্বর দুপুরে প্রেসক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ঝিকরগাছা উপজেলার পানিসারা কুলিয়ার ওবায়দুর রহমান ও আব্দুল করিম। সোমবার এই সংবাদ সম্মেলনে তারা আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে বিদেশে পাঠানোর কথা বলে টাকা নেওয়া, জাল ভিসা দেওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন। একই সঙ্গে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও সত্যতা যাচাইয়ের দাবি জানান তারা। গত ১৬ সেপ্টেম্বর আনোয়ার হোসেনের সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যের প্রতিবাদে পাল্টা সম্মেলন এটি।
সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুর রহমান দাবি করেন, তার ছেলে ও শ্যালককে সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় পাঠানোর কথা বলে বিভিন্ন সময়ে আনোয়ার হোসেনকে মোট চার লাখ টাকা দেন তিনি। তার ছেলেকে সিঙ্গাপুরের একটি ভিসা দেওয়া হলেও পরে সেটি জাল বলে জানতে পারেন। এছাড়া তার শ্যালক মিকাইল হোসেনকে মালয়েশিয়ায় পাঠানো হলেও বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ভিসা জাল বলে তাকে দেশে ফেরত পাঠায় বলে দাবি করেন তিনি।
ওবায়দুর রহমান বলেন, টাকা ফেরত চেয়ে দীর্ঘদিন চেষ্টা করেও কোনো ফল না পাওয়ায় ২০০৭ সালের ১০ মে তিনি সেনা ক্যাম্প কমান্ডারের কাছে অভিযোগ করেন। পরে বিষয়টি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে তদন্ত ও শুনানির জন্য পাঠানো হয়। তবে অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেন ওই শুনানিতে উপস্থিত হননি বলে দাবি করেন তিনি।
অপর অভিযোগকারী আব্দুল করিম বলেন, সিঙ্গাপুর যাওয়ার জন্য ২০০৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর তিন লাখ টাকা, ২০০৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি ৫৫ হাজার টাকা এবং একই বছরের ২ এপ্রিল আরও এক লাখ টাকা আনোয়ার হোসেনকে দেন। এ সময় তার পাসপোর্টও নেওয়া হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও তিনি টাকা ও পাসপোর্ট ফেরত পাননি বলে অভিযোগ করেন।
আব্দুল করিম জানান, এ ঘটনায় গত ২ জুন প্রতারণার অভিযোগে আদালতে মামলা করেছেন তিনি। মামলাটি বর্তমানে আইনগত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, গত ১৬ সেপ্টেম্বর ঝিকরগাছার বারকপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেন তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, প্রতারণা ও আদম ব্যবসার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেন। ওই অভিযোগগুলোকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবি করে ওবায়দুর রহমান ও আব্দুল করিম বলেন, উভয় পক্ষের বক্তব্য ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হোক।
এ সময় তারা আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে আরও কয়েকজনের কাছ থেকে বিদেশে পাঠানোর কথা বলে টাকা নেওয়ার অভিযোগও তুলে ধরেন। তাদের দাবি অনুযায়ী, যশোর সদরের তেঘরী গ্রামের ওহায়েদ আলীর কাছ থেকে ২০ লাখ টাকা, ঝিকরগাছার মল্লিকপুর গ্রামের মনিরা বেগমের কাছ থেকে তিন লাখ ৮৫ হাজার টাকা, বাগআঁচড়ার কবীরের কাছ থেকে ১৭ লাখ টাকা এবং ঢাকার সুলতানার কাছ থেকে ১৭ লাখ ১৬ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
ওবায়দুর রহমান ও আব্দুল করিম বলেন, তারা কারো সম্মানহানি করতে চান না। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে অভিযোগগুলোর তদন্ত, নথিপত্র যাচাই এবং প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে রিয়াদ ইসলাম বাপ্পি, মাহবুবুর রহমান সোহেল ও আনোয়ারা বেগম উপস্থিত ছিলেন।
সাইবার সুরক্ষা আইনে সাংবাদিকরা যেন নিপীড়নের শিকার না হন, সতর্ক সরকার
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, প্রস্তাবিত ‘সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ যাতে কোনোভাবেই কোনো নিপীড়নমূলক আইনে পরিণত না হয় এবং কোনো...








