১৭ ডিসেম্বর উভয় পক্ষের তথ্য-উপাত্ত সাবমিটের নির্দেশ
হাকিকুল ইসলাম খোকন,এমডি নাসির,হেলাল মাহমুদ, বাপসনিউজঃ
বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন আরো অনিশ্চিত হয়ে পড়লো। কারণ, ৫ নভেম্বর কোন শুনানী অনুষ্ঠিত হবে না। তার পরিবর্তে ১৭ ডিসেম্বর আদালতে উভয়পক্ষকে নিজ নিজ বক্তব্য সাবমিটের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সাবমিটকৃত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিকে আদালত তার সিদ্ধান্ত জানাবেন। মামলার বাদির এটর্নী তামারা হ্যারিসের উদ্ধৃতি দিয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বার্তা সংস্থায় সর্বশেষ এ তথ্য জানিয়েছেন ওসমান চৌধুরী। অর্থাৎ এহেন পরিস্থিতিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়তো এ বছর পাওয়া যাবে না। আর ততদিন পর্যন্ত নির্বাচনও ঝুলে থাকবে। উল্লেখ্য, ২৫ অক্টোবর এ নির্বাচন হবার কথা ছিল। ওসমান চৌধুরীকে সদস্য পদ না দেয়া এবং আরো কিছু গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ করায় আদালত নির্বাচনের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছেন। এ নিয়ে কম্যুনিটিতে বিরুপ প্রতিক্রিয়া চলছে। কারণ, ৩৫ হাজারের অধিক ভোটারের এ নির্বাচন ঘিরে গোটা কম্যুনিটি জাগ্রত হয়েছিল। ৫টি কেন্দ্রে ভোটের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছিল নির্বাচন কমিশন। তা শেষ মুহূর্তে স্থগিত হওয়ায় সকলেই হতাশ এবং আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এজন্যে মহলবিশেষ ওসমান চৌধুরীকে মামলাবাজ হিসেবে আখ্যাদিয়ে প্রকৃত অনিয়ম-অনাচার ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করছেন বলে গুঞ্জন উঠেছে। কারণ, সদস্যপদ প্রদানের পর আবার তা বাতিলের মধ্যে যৌক্তিক কোনই কারণ নেই বলে ওসমান চৌধুরীর এটর্নী জানিয়েছেন। শুধু তাই, নিজেদের স্বৈরাচারের অবিকল প্রতিকৃতি হিসেবে উপস্থাপনের অভিপ্রায়ে গঠনতন্ত্রে এমন বিধিও যুক্ত করা হয়েছে যে, কার্যকরী কমিটি যা খুশী তাই করবে, তার বিরুদ্ধে আদালতে বিচার চাওয়া যাবে না। এমন বিধি যে কতটা নিম্নমানের রুচির পরিচয় দিয়েছে, সেটিও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে উঠে এসেছে।
ওসমান চৌধুরীকে সদস্যপদ ফিরিয়ে দেয়ার পর সভাপতি পদে প্রার্থী হিসেবে গণ্য করা ছাড়াও এই মামলায় যত ব্যয় হয়েছে /হচ্ছে তা সোসাইটিকে পরিশোধ করতে হবে-এমন নির্দেশ ইতিমধ্যেই এসেছে। এখন তথ্য-উপাত্ত সাবমিটের পর জানা যাবে চূড়ান্ত রায় কোনদিকে যাবে। এ ব্যাপারে সোসাইটির সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম ২৭ অক্টোবর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বার্তা সংস্থা বাপসনিউজকে বলেন, আমাদের এটর্নী খোঁজ-খবর রাখছেন। তবে একটি বিষয় স্পস্ট করতে চাই যে, ওসমান চৌধুরী সোসাইটির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন, যেকারণে অনেক আগেই তাকে সদস্য পদ না প্রদানে মাননীয় আদালতের নির্দেশ রয়েছে।








