বর্তমান বিদ্যুৎ সংকট আওয়ামী লীগ সরকারের অপরিকল্পিত বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপন করার কারনে সৃষ্টি-ব্যারিস্টার খোকন এমপি
মোঃ বেল্লাল হোসাইন নাঈম,
স্টাফ রিপোর্টার
দেশের চলমান বিদ্যুৎ সংকটের প্রেক্ষাপটে অতীতের বিদ্যুৎ খাতের নানা সীমাবদ্ধতা ও বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে জনগণকে সরকারের পাশে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকালে চাটখিল বাজারে সাধারণ মানুষের মাঝে বিদ্যুৎ সংকটবিষয়ক লিফলেট বিতরণ করেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চাটখিল উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শাজাহান রানা, চাটখিল পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তফা কামাল, পৌর বিএনপির সদস্য সচিব আহসানুল হক মাসুদ, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া, মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আনিছ আহমেদ হানিফ ও ইমাম হোসেন টিপু, চাটখিল উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন বাবর, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সুলতান বাবর, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ইউসুফ উন নবী বাবু, চাটখিল বিআরডিবির চেয়ারম্যান ও পৌর যুবদলের আহ্বায়ক মো. মাসুদ রানা, উপজেলা শ্রমিকদলের আহ্বায়ক দুলাল, সদস্য সচিব হাজী মাসুদ, ঢাকাস্থ জিয়া ঐক্য ফোরামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তারেক আজিজ শিপন, চাটখিল উপজেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক শাহাদাত হোসেন মুরাদ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াসিন আরাফাত মিলন, সদস্য সচিব রাকিব হোসেন রাজ এবং পৌর ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেনসহ উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
লিফলেটে বিদ্যুৎ খাতের বিগত দিনের পরিকল্পনা, উৎপাদন সক্ষমতা, ক্যাপাসিটি চার্জ, জ্বালানি সংকট, আর্থিক অনিয়ম এবং দেশে লোডশেডিংয়ের পটভূমি তুলে ধরা হয়েছে।
লিফলেট বিতরণ শেষে আয়োজিত এক পথসভায় ব্যারিস্টার খোকন এমপি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ শাসনামলে একের পর এক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা হলেও জ্বালানির সংস্থান এবং অর্থের জোগানের বিষয়টি যথাযথভাবে বিবেচনা করে পরিকল্পনা নেওয়া হয়নি। ফলে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা তৈরি হলেও জ্বালানি ও অর্থের অভাবে সেই সক্ষমতা অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হয়নি বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সুপ্রিম কোর্ট বার এসোসিয়েশনের সভাপতি ব্যারিস্টার মাহাবুব উদ্দিন খোকন এমপি বলেন, ২০০৯ সালের পর দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা পাঁচ গুণের বেশি বাড়লেও প্রকৃত উৎপাদন বেড়েছে ৩ দশমিক ৬ গুণ। অন্যদিকে বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভাড়া বা ক্যাপাসিটি চার্জ বেড়েছে প্রায় ১৬ গুণ। একসময় দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা ছিল প্রায় ৫ হাজার মেগাওয়াট, যা বর্তমানে প্রায় ২৯ হাজার মেগাওয়াটে দাঁড়িয়েছে।অথচ এই সক্ষমতার একটি বড় অংশ ব্যবহার করা যাচ্ছে না বলে তিনি দাবি করা হয়।








