সংসদ ভবনের সামনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের স্ত্রী দিলারা হাফিজের জানাযাতে তারেক রহমানের একটা গুড জেশ্চার চোখে পড়ল।
জানাযায় একদম প্রথম কাতারের মাঝামাঝিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে প্রথমে দাঁড়িয়েছিল ডিপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। এরপরে জামায়াত আমীর ডা. শফিকুর রহমান জানাযায় পার্টিসিপেট করতে এলে তারেক রহমান কায়সার কামালকে কানের কাছে ডেকে বলেন, সরে গিয়ে উনার পাশে জামায়াতের আমীরকে জায়গা করে দিতে।
কায়সার কামাল সাথে সাথে একটু সরে স্পেস করে রাখেন জামায়াতের আমীর দাঁড়ানোর জন্য। পরে উনি সামনে এলে দাঁড় করানো হয় প্রধানমন্ত্রীর পাশে।
জানাযার শেষে আরেকটি ঘটনা ঘটে। জামায়াতের আমীর রিকুয়েষ্ট করেলেন তারেক রহমানকে, উনার সঙ্গে একটু আলাপ করতে চান।
তারেক রহমান সঙ্গে সঙ্গে উনার রুমে নিয়ে যান। সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য বরাদ্দ রাখা অফিসে।
প্রায় আধাঘন্টার মতো উনারা আলাপচারিতা করেছেন। যদিও জানতে পারি নাই ঠিক কী বিষয়ে আলাপ করেছেন।
এ ধরনের পারস্পরিক সম্মানবোধের রাজনীতিটাই দেখতে চাই। এগুলো সভ্যতার চিহ্ন। হাসিনার সাড়ে ১৫ বছর ধরে ফ্যাসিবাদী শাসনামলে সমাজ থেকে এগুলো সব নাই হয়ে গিয়েছিল। সমাজে এসব ফিরিয়ে আনা জরুরি ছিল।
রাজনীতিতে তর্কবিতর্ক হবে, এক দল অন্য দলের কাজকর্ম নিয়ে ক্রিটিসিজম করবে, আবার দিনশেষে একে-অপরের সঙ্গে মিশবেন। একসঙ্গে একই টেবিলে বসে ভাব বিনিময় করবেন। দেশের স্বার্থে মিউচুয়াল আন্ডারস্ট্যান্ডিংয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন। সমাজে এই সভ্যতা-ভব্যতা চর্চার মধ্যদিয়েই রাষ্ট্র এগিয়ে যায়।
Views: 281
Related