ফুলবাড়ীতে চেক ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠিতমোঃ আশরাফুল আলম দিনাজপুর প্রতিনিধিঃদিনাজপুর ফুলবাড়ীতে উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উদ্যোগে উপজেলার মহিলাদের আয়বর্ধক প্রশিক্ষণ প্রকল্পের আওয়াতয় ১ শতজন প্রশিক্ষনাথীদের মাঝে ১১ লক্ষ ৭৪ হাজার ৬শত টাকার চেক ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।সোমবার সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর মোঃ আল কামাহ্ তমাল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষনার্থীদের মাঝে চেক ও সনদ বিতরণ করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রনালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মোঃ মোস্তফিজুর রহমান ফিজার এমপি।এসময় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ আতাউর রহমান মিল্টন। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মঞ্জু রায় চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ফুলবাড়ী সার্কেল) মোঃ ফরহাদ হোসাইন,ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মোস্তাফিজার রহমান,উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ এনামুল হক,উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রীতা মন্ডলসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা,প্রিন্ট ও ইলেকট্রোনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগন ।উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রীতা মন্ডল বলেন, মহিলাদের আয়বর্ধক প্রশিক্ষণ প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণে উপস্থিত পরিসংখ্যানের মাধ্যমে প্রতি একজনের মাঝে ১২ হাজার টাকার চেক বিতরণ করা হয়।
জমি না দিয়েই মহাসড়কের অধিগ্রহণের টাকা উত্তোলনের অভিযোগ
বায়েজিদ পলাশবাড়ী গাইবান্ধা) : পলাশবাড়ীতে মুনছুর আলীর বিরুদ্ধে প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগ, ভূমি অধিগ্রহণ শাখার কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক সম্প্রসারণ প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণ না হলেও প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ হিসেবে উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে মুনছুর আলী নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ শাখার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ক্ষতিগ্রস্ত জমির অংশীদাররা। অভিযোগ রয়েছে, পলাশবাড়ী পৌর শহরের নুনিয়াগাড়ী মৌজার সাবেক ৭৯/৮০ নম্বর দাগ এবং বর্তমান ৮৩১ নম্বর দাগের ০.০৯৪৮ একর জমির বিপরীতে ৫ কোটি ৫৬ লাখ ৪৩২ টাকা অধিগ্রহণের অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। তবে অভিযোগকারীদের দাবি, ওই পরিমাণ জমি বাস্তবে মহাসড়কের জন্য অধিগ্রহণ বা হস্তান্তর করা হয়নি। ভুক্তভোগী রেখা বেগমসহ অন্যান্য অংশীদারদের অভিযোগ, সাসেক প্রকল্প-২ সংশ্লিষ্টদের আপত্তি, অন্যান্য অংশীদারদের আপত্তি এবং এলএমসি কেস নং ২৭০/২০২৩-২০২৪ ও এলএ কেস নং ১১/২০১৯-২০২০-এর বিষয়গুলো নিষ্পত্তি না করেই মুনছুর আলীর নামে অধিগ্রহণের অর্থের চেক হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের দাবি, বিষয়টি যথাযথভাবে সরেজমিন যাচাই না করে কাগজপত্রের ভিত্তিতে অর্থ ছাড় করা হয়েছে। দলিলের হিসাবেও উঠছে প্রশ্ন অভিযোগকারীদের দেওয়া কাগজপত্রের তথ্য অনুযায়ী, নুনিয়াগাড়ী মৌজার এসএ খতিয়ান-১৬, আরএস খতিয়ান-২৫ এবং জেএল নম্বর-৬৯-এর সাবেক ৭৯/৮০ নম্বর দাগে মুনছুর আলীর বাবা মৃত মোফাজ্জল হোসেন ১৯৫৩ সালের ২১ জানুয়ারি ৪২৫ নম্বর দলিলের মাধ্যমে মোট ১২৭ শতাংশ জমির মালিকানা লাভ করেন। পরবর্তীতে ১৯৬৯ সালের ১৯ নভেম্বর ০১/৬৯ নম্বর কেসের মাধ্যমে সড়ক বিভাগের কাছে ৩২ শতাংশ জমি অধিগ্রহণ করা হয় বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে এতে মোফাজ্জল হোসেনের নামে অবশিষ্ট থাকার কথা ৯৫ শতাংশ জমি। এরপর ২০০২ সালে বিভিন্ন দলিলের মাধ্যমে ওই জমির একটি অংশ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে হস্তান্তর করা হয় ২১৬৯ নম্বর দলিলে ছেলে আল মামুনকে ৩৯ শতাংশ, ২১৭০ নম্বর দলিলে স্ত্রী হালিমা বেগমকে ৩ শতাংশ এবং ২১৯৪ নম্বর দলিলে দুই মেয়ে রোকেয়া বেগম ও শাহিনা পারভীনকে পৃথকভাবে ৫ শতাংশ করে মোট ১০ শতাংশ জমি দেওয়া হয়।...







