Tuesday, October 20, 2026
  • সম্পর্কিত
  • যোগাযোগ
  • শর্তাবলী
  • গোপনীয়তা নীতি
  • বিজ্ঞাপন দিন
  • Login
দৈনিক দেশের সংবাদ
  • হোম
  • সর্বশেষ
  • বিশেষ সংবাদ
  • বাংলাদেশ
  • করোনাভাইরাস
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • বিভাগ সমূহ
    • ঢাকা বিভাগ
    • চট্টগ্রাম বিভাগ
    • সিলেট বিভাগ
    • খুলনা বিভাগ
    • রাজশাহী বিভাগ
    • বরিশাল বিভাগ
    • রংপুর বিভাগ
    • ময়মনসিংহ বিভাগ
  • চাকরি
  • খেলা ধুলা
  • বিনোদন
  • মতামত
  • লাইফস্টাইল
No Result
View All Result
দৈনিক দেশের সংবাদ
  • হোম
  • সর্বশেষ
  • বিশেষ সংবাদ
  • বাংলাদেশ
  • করোনাভাইরাস
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • বিভাগ সমূহ
    • ঢাকা বিভাগ
    • চট্টগ্রাম বিভাগ
    • সিলেট বিভাগ
    • খুলনা বিভাগ
    • রাজশাহী বিভাগ
    • বরিশাল বিভাগ
    • রংপুর বিভাগ
    • ময়মনসিংহ বিভাগ
  • চাকরি
  • খেলা ধুলা
  • বিনোদন
  • মতামত
  • লাইফস্টাইল
No Result
View All Result
দৈনিক দেশের সংবাদ
No Result
View All Result
Home বিশেষ সংবাদ

১৪২তম জন্মবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী লও সালাম

তিনি কাগমারিতে মওলানা মোহাম্মদ আলী কলেজ সন্তোষে (সন্তোষ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়)যা কিনা "মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়"।  

admin by admin
December 11, 2022
in বিশেষ সংবাদ, রাজনীতি
Reading Time: 1 min read
0 0
A A
0
0
SHARES
10
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

।। এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।।
১২ ডিসেম্বর, ২০২২ স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা, মুক্তিযুদ্ধকালী প্রবাসী সরকারের উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারম্যান মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ১৪২তম জন্মবার্ষিকী।

১২ ডিসেম্বর ১৮৮০ সিরাজগঞ্জের ধানগড়া পল্লীতে জন্ম গ্রহণ করেন। তার পিতা হাজী শারাফত আলী। হাজী শারাফত আলী ও বেগম শারাফত আলীর পরিবারে ৪ টি সন্তানের জন্ম হয়। একটি মেয়ে ও তিনটি ছেলে। মোঃ আব্দুল হামিদ খান সবার ছোট।  খেলুড়ে, ডানপিঠে আবদুল হামিদের ডাকনাম হলো বিষাক্ত এবং ছটফটে এক মাছের নামে-চ্যাকা। ছেলে-মেয়ে বেশ ছোট থাকা অবস্থায় হাজী শারাফত আলী মারা যান। কিছুদিন পর এক মহামারীতে বেগম শারাফত ও দুই ছেলে মারা যায়। বেঁচে থাকেন ছোট শিশু আব্দুল হামিদ খান। পিতৃহীন হামিদ প্রথমে কিছুদিন চাচা ইব্রাহিমের আশ্রয়ে থাকেন।

খুব প্রচলিত কথা- মওলানা ভাসানীর জন্ম ‘দরিদ্র কৃষক’ পরিবারে। কার্ল মার্ক্স নিজে শ্রমিক ছিলেন না, কিন্তু শ্রমিকদের মুক্তির পথ-প্রদর্শক ছিলেন। তেমনি মওলানা ভাসানীও কৃষক পরিবারে জন্ম নেননি, কিন্তু কৃষক-আন্দোলনের জন্ম দিয়েছেন। স্টিমার ঘাট থাকার কারণে সিরাজগঞ্জ তখন গুরুত্বপূর্ণ শহর। সে শহরে তার পিতার ছিল জুতার দোকান। মওলানার পিতা এবং চাচার ৭ বিঘা জমি ছিল। তাছাড়া সে সময় হজ করতে প্রয়োজন হতো ৮০-১০০ টাকা (স্বর্ণের ভরি ছিল ২৮ টাকা) এবং তিনি নিজ খরচেই হজ সম্পন্ন করেছিলেন। অর্থাৎ তারা স্বল্পবিত্তের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী একটি পরিবার ছিলেন।

ব্যবসার প্রয়োজনে হাজী সাহেবকে মাঝেমাঝে কলকাতা যেতে হতো। সেখানে তার বন্ধুত্ব হয় সূফি সাধক সৈয়দ নাসিরউদ্দিন আহমদ বোগদাদি (র.)’র সাথে। তিনি ছিলেন হেকিম এবং সমাজসেবী। বিভিন্ন এলাকায় দাতব্য চিকিৎসালয়, ইন্দারা আর মুসাফিরখানা স্থাপন করে সৃষ্টির সেবা করতেন। হাজী সাহেব তার বন্ধুকে নিজ জেলায় আমন্ত্রণ জানান। উত্তরে তিনি বলেন, ‘আমি সেদিন যাব যেদিন আপনি বলবেন সিরাজগঞ্জের কোনো বাসায় শকুন বাসা বেঁধেছে!’ আসলে তৎকালীন প্রচলিত কুসংস্কার ছিল কোনো বাড়িতে শকুন বাসা বাঁধলে সেই বাড়িতে বসবাসরত পরিবার নির্বংশ হয়ে যাবে। ফলে ভয়ে সবাই বাড়ি ছেড়ে পালাত। সৈয়দ নাসিরউদ্দিন আহমদ (র.) সেই সব বাড়ি মালিকের কাছ থেকে নিয়ে সেখানে চিকিৎসালয় বা মুসাফিরখানা প্রতিষ্ঠা করতেন। হাজী সাহেব খোঁজ করতে করতে সত্যিই এমন একটি বাড়ি পেলেন হোসেনপুরে, এক সুদখোর মহাজনের বাড়ি, খালি হয়ে গেছে শকুন বাসা বাধার কারণে। এই বাড়ি জনকল্যাণে কাজে লাগাতে সিরাজগঞ্জে পা রাখেন সৈয়দ নাসিরউদ্দিন আহমদ (র.)। এখানে এসে তার চোখে পড়ল শিশু আবদুল হামিদ খাঁকে। বুজুর্গ সৈয়দ নাসিরউদ্দিন আহমদ (র.) তার বন্ধুর কাছে বললেন, ‘বন্ধু, আপনার ছেলেটাকে আমাকে দেন।’ খুশিমনে বন্ধু রাজি হলেন। কথা দেওয়া-নেওয়া হলো, আবদুল হামিদ খান সাবালক হলে এই সুফির দরবার হবে তার ঠিকানা। সৈয়দ নাসিরউদ্দিন আহমদ (র.) সিরাজগঞ্জ থেকে ফিরে গেলেন।

হাজী সাহেব সম্ভবত ৪৫/৪৬ বছর বয়সেই মারা যান। মহামারী কলেরা শিশু আবদুল হামিদের কাছ থেকে কেড়ে নেয় মা, দুই ভাই, একটি বোনকে। চাচার কাছে বড় হতে থাকেন তিনি। প্রচলিত আছে, তিনি যখন খেয়াল করেন যে তার চাচা সামজের বিত্তশালীদের আদরে আপ্যায়নে দাওয়াত খাওয়ান কিন্তু নিম্নবিত্তদের আলাদা খাওয়ান তখন চাচার সাথে তার বাক-বিতণ্ডা হয়। রাগ করে তিনি চলে যান এক বোনের শ্বশুরবাড়ি। অনুসারীদের কাছে স্মৃতিচারণ করার সময় মওলানা বলেছেন, কিছুদিন পর তার সে বোন তার হাতে এক আধুলি দিয়ে বলেছিলেন, ‘ভাইরে, দুই চোখ যেদিকে যায় চলে যা।’

১৮৯৭ সাল থেকে সৈয়দ নাসিরউদ্দিন আহমদ (র.) শিষ্য আবদুল হামিদ খাঁসহ আসামের ধুবরি মহকুমার জলেশ্বর গ্রামে বসবাস করতে থাকেন। ১৮৯৭ থেকে ১৯০৭, দীর্ঘ ১০টি বছর নিজের সান্নিধ্যে রেখে তিনি তার শিষ্যটিকে বিভিন্নমুখী শিক্ষা দান করেন, যার মধ্যে ছিল উৎপাদনশীল জীবনযাপনের জন্য কঠোর পরিশ্রমী ও দুঃসাহসী হওয়ার শিক্ষা; ভাষা শিক্ষার মধ্যে অন্যতম ছিল আরবি, ফার্সি, উর্দু, হিন্দি, বাংলা ও ইংরেজি; এছাড়া পড়িয়েছেন দর্শনতত্ত্ব, তর্কশাস্ত্র, রসায়ন, জ্যোতির্বিজ্ঞান, ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসাবিদ্যা এবং আধ্যাত্মবিদ্যা। ১৯০৭ সালে তিনি তরুণ আবদুল হামিদকে পাঠান উত্তর ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দে, তবে প্রথামাফিক ছাত্র হিসেবে ভর্তি করাননি। দেওবন্দের দুজন প্রখ্যাত শিক্ষক এবং বিপ্লবী নেতা সৈয়দ হোসেইন আহমদ মাদানী এবং শায়খুল হিন্দ মওলানা মাহমুদুল হাসান-এর কাছে পাঠিয়েছিলেন ব্যাক্তিগত ভাবে তার শিষ্যকে রাজনীতি, অর্থনীতি ও মানবসভ্যতা শিখাতে, জানাতে ও বুঝাতে। একারণে দেওবন্দের কোনো সার্টিফিকেটও নেই তার, আছে রবুবিয়াত এবং ফুক্কা কুল্লে নেজামিনের শিক্ষার পাঠ যা ছিল তার রাজনীতির মূল আদর্শ।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের কিছুদিন পূর্বে ১৮৯৩ সালে তিনি জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার জমিদার শামসুদ্দিন আহম্মদ চৌধুরীর বাড়িতে যান। সেখানে তিনি মাদ্রাসার মোদাররেসের কাজ করেন এবং জমিদারের ছেলে-মেয়েকে পড়ানোর দায়িত্ব নেন। ১৮৯৭ খ্রিষ্টাব্দে পীর সৈয়দ নাসীরুদ্দীনের সাথে আসাম গমন করেন। ১৯০৩ খ্রিষ্টাব্দে আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হন। ইসালামিক শিক্ষার উদ্দেশ্যে ১৯০৭-এ দেওবন্দ যান। দুই বছর সেখানে অধ্যয়ন করে আসামে ফিরে আসেন।

১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস ময়মনসিংহ সফরে গেলে তার ভাষণ শুনে ভাসানী অণুপ্রাণিত হন। ১৯১৯ সালে কংগ্রেসে যোগদান করে অসহযোগ আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে দশ মাস কারাদণ্ড ভোগ করেন। ১৯২৩ সালে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন স্বরাজ্য পার্টি গঠন করলে ভাসানী সেই দল সংগঠিত করার ব্যাপারে ভূমিকা পালন করেন।

১৯২৫ সালে তিনি জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার জমিদার শামসুদ্দিন মহম্মদ চৌধুরীর মেয়ে আলেমা খাতুনকে বিবাহ করেন। যিনি (পীর মা হিসেবে খ্যাত) যিনি তার বাবা পাঁচবিবির জমিদার কর্তৃক পৈতৃক সুত্রে প্রাপ্ত সকল জমি মওলানা ভাসানীর জনকল্যাণমূলক কাজে (হক্কুল এবাদ মিশন) এ দান করেন। ১৯২৬ সালে তিনি তার সহধর্মিণী আলেমা খাতুনকে নিয়ে আসাম গমন করেন এবং আসামে প্রথম কৃষক-প্রজা আন্দোলনের সুত্রপাত ঘটান। ১৯২৯-এ আসামের ধুবড়ী জেলার ব্রহ্মপুত্র নদের ভাসান চরে প্রথম কৃষক সম্মেলন আয়োজন করেন। এখান থেকে তার নাম রাখা হয় ” মওলানা ভাসানী”। এরপর থেকে তার নামের শেষে ভাসানী শব্দ যুক্ত হয়। ১৯৩১-এ সন্তোষের কাগমারীতে, ১৯৩২-এ সিরাজগঞ্জের কাওরাখোলায় ও ১৯৩৩-এ গাইবান্ধায় বিশাল কৃষক সম্মেলন করেন।

১৯৩৭-এ মওলানা ভাসানী কংগ্রেস ত্যাগ করে মুসলিম লীগে যোগদান করেন। সেই সময়ে আসামে ‘লাইন প্রথা’ চালু হলে এই নিপীড়নমূলক প্রথার বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেতৃত্ব দান করেন। এসময় তিনি “আসাম চাষী মজুর সমিতি” গঠন করেন এবং ধুবরী, গোয়ালপাড়াসহ বিভিন্ন জায়গায় প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। ১৯৪০ সালে শের-এ-বাংলা এ.কে. ফজলুল হকের সঙ্গে মুসলিম লীগের লাহোর সম্মেলনে যোগদান করেন। ১৯৪৪ সালে মাওলানা ভাসানী আসাম প্রাদেশিক মুসলিম লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।

১৯৪৫-৪৬ সালে আসাম জুড়ে বাঙালিদের বিরুদ্ধে “বাঙ্গাল খেদাও” আন্দোলন শুরু হলে ব্যাপক দাঙ্গা দেখা দেয়। এসময় বাঙালিদের রক্ষার জন্য ভাসানী বারপেটা, গৌহাটিসহ আসামের বিভিন্ন জায়গা ঘুরে বেড়ান। পাকিস্তান আন্দোলনে অংশ নিয়ে ১৯৪৭ সালে আসামে গ্রেফতার হন। ১৯৪৮-এ মুক্তি পান। এরপর তিনি টাঙ্গাইলের সন্তোষে ফিরে আসেন।

১৯৪৮ সালের প্রথম দিকে তিনি বঙ্গীয় মুসলিম লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্ব্বিতায় পূর্ববঙ্গ ব্যবস্থাপক সভার সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দের ১৭ মার্চ ব্যবস্থাপক সভার কার্যাবলি বাংলায় পরিচালনা করার জন্য স্পিকারের কাছে দাবি জানান এবং এই দাবি নিয়ে পীড়াপীড়ি করেন। ১৯ মার্চ বাজেট বক্তৃতায় অংশ নিয়ে বলেন, যেসব কর কেন্দ্রীয় সরকার পূর্ববঙ্গ প্রদেশ থেকে সংগ্রহ করে তার শতকরা ৭৫% প্রদেশকে দিতে হবে। এখানে উল্লেখ্য যে, ব্রিটিশ আমলে বঙ্গপ্রদেশ জুটেক্স ও সেলসট্যাক্স রাজস্ব হিসেবে আদায় করত এবং এই করের ভাগ কেন্দ্রীয় সরকারকে দিতে হতো না।

পাকিস্তান সৃষ্টির পর কেন্দ্রীয় সরকার পূর্ববঙ্গ সরকারের হাত থেকে এই কর ছিনিয়ে নিয়ে নিজেরাই আদায় করতে থাকে যার ফলে পূর্ববঙ্গ সরকার আর্থিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। বিস্ময়ের ব্যাপার হলো এই সময় পূর্ববঙ্গ সরকারের বার্ষিক বাজেট ছিল মাত্র ৩৬ কোটি টাকা। যাই হোক, মুসলিম লীগ দলের সদস্য হয়েও সরকারের সমালোচনা করায় মুসলিম লীগের ক্ষমতাসীন সদস্যরা মওলানা ভাসানীর ওপর অখুশী হয় এবং তার নির্বাচনে ত্রুটি ছিল এই অজুহাত দেখিয়ে আদালতে মামলা দায়ের করে এবং মওলানা ভাসানীকে নানাভাবে হয়রানি করতে থাকে। পরিশেষে মওলানা ভাসানী ব্যবস্থাপক সভার সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেন। এতদসত্ত্বেও পূর্ববঙ্গের তৎকালীন গভর্নর এক নির্বাহী আদেশ বলে মওলানা ভাসানীর নির্বাচন বাতিল করেন।

বঙ্গীয় প্রাদেশিক মুসলিম লীগের জনবিরোধী কার্যকলাপের ফলে মওলানা ভাসানী ১৯৪৯ সালের ২৩-২৪ জুন ঢাকার টিকাটুলিতে রোজ গার্ডেনে মুসলিম লীগ কর্মী সম্মেলন আহ্বান করেন। ২৩ জুন ওই কর্মিসম্মেলন অণুষ্ঠিত হয়। সারাদেশ থেকে প্রায় ৩০০ কর্মী সম্মেলনে যোগদান করেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন আতাউর রহমান খান। মওলানা ভাসানী ছিলেন প্রধান অতিথি। ২৩ জুন পূর্ববঙ্গের প্রথম বিরোধী রাজনৈতিক দল পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়। মওলানা ভাসানী সর্বসম্মতিক্রমে এই দলের সভাপতি নির্বাচিত হলেন। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন শামসুল হক এবং যৌথভাবে যুগ্মসম্পাদক নির্বাচিত হন শেখ মুজিবর রহমান ও খন্দকার মোশতাক ।

২৪ জুন আরমানীটোলা ময়দানে আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রথম জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৪৯ সালের মধ্যভাগে পূর্ববঙ্গে খাদ্যাভাব দেখা দেয়। ১১ অক্টোবর আরমানীটোলা ময়দানে আওয়ামী মুসলিম লীগের একটি জনসভা অণুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় খাদ্য সমস্যা সমাধানে ব্যর্থতার জন্য পূর্ববঙ্গ মন্ত্রিসভার পদত্যাগ দাবী করা হয় এবং ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে মওলানা ভাসানী ভুখা মিছিলে নেতৃত্ব দেন। ভূখা মিছিলে নেতৃত্ব দেয়ার জন্য ১৯৪৯-এর ১৪ অক্টোবর গ্রেফতার হয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে কারাবরণ করেন।

১৯৫০ সালে সরকার কর্তৃক রাজশাহী কারাগারের খাপরা ওয়ার্ড এর বন্দীদের উপর গুলিবর্ষণের প্রতিবাদে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অনশন ধর্মঘট পালন করেন এবং ১৯৫০ সালের ১০ ডিসেম্বর তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান। বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ১৯৫২-র ৩০ জানুয়ারি ঢাকা জেলার বার লাইব্রেরি হলে তার সভাপতিত্বে অণুষ্ঠিত এক সভায় সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা কর্মপরিষদ গঠিত হয়। রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনে সহযোগিতার কারণে গ্রেফতার হয়ে ১৬ মাস কারানির্যাতনের শিকার হন। অবশ্য জনমতের চাপে ১৯৫৩ সালের ২১ এপ্রিল মওলানা ভাসানীকে জেল থেকে মুক্তি দেয়া হয়।

পূর্ববঙ্গের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ১৯৫৩ সালের ৩ ডিসেম্বর কৃষক-শ্রমিক পার্টির সভাপতি শের-এ-বাংলা এ.কে. ফজলুল হক এবং হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দীকে সঙ্গে নিয়ে যুক্তফ্রন্ট নামক নির্বাচনী মোর্চা গঠন করেন। নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট বিপুল বিজয় অর্জন করে এবং পূর্ব বাংলার প্রাদেশিক পরিষদে ২৩৭ টির মধ্য ২২৮ টি আসন অর্জনের মাধ্যমে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে।

ফজলুল হকের নেতৃত্বে সরকার গঠন করার পর ২৫শে মে ১৯৫৪ মওলানা ভাসানী বিশ্ব শান্তি সম্মেলনে যোগদানের উদ্দেশ্যে সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে যান এবং সেখানে বক্তব্য প্রদান করেন। ৩০ মে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা ভেঙ্গে দিয়ে পূর্ব পাকিস্তানে গভর্নরের শাসন জারি করে এবং মওলানা ভাসানীর দেশে প্রত্যাবর্তনের উপর বিধিনিষেধ আরোপ করেন। ১১ মাস লন্ডন, বার্লিন, দিল্লী ও কলকাতায় অবস্থান করার পর তার উপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হলে ১৯৫৫-র ২৫ এপ্রিল দেশে প্রত্যাবর্তন করেন। পূর্ব বাংলায় খাদ্যজনিত দুর্ভিক্ষ রোধের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে ৫০ কোটি টাকা আদায়ের দাবিতে ১৯৫৬-র ৭ মে ঢাকায় অনশন ধর্মঘট শুরু করেন। সরকার দাবি মেনে নিলে ২৪ মে অনশন ভঙ্গ করেন। একই বছর ১২ সেপ্টেম্বর হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ-রিপাবলিকান পার্টির কোয়ালিশন সরকার গঠিত হলে মাওলানা ভাসানী সরকারের পররাষ্ট্রনীতির বিরোধিতা করে নিরপেক্ষ নীতি অবলম্বন করার জন্য সরকারের উপর চাপ প্রয়োগ করেন। ১৯৫৬তে পাকিস্তান গণপরিষদে যে খসড়া শাসনতন্ত্র বিল পেশ করা হয় তাতে পাকিস্তানকে ইসলামিক রিপাবলিক বলে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল,তখন মওলানা ভাসানী পল্টনের জনসভায় তার বিরোধিতা করে সুস্পষ্ট বক্তব্য দিয়েছিলেন৷

কাগমারী সম্মেলনে ১৯৫৭ খ্রিষ্টাব্দের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অণুষ্ঠিত হয়। ৮ ফেব্রুয়ারি ডক্টর কাজী মোতাহার হোসেনের সভাপতিত্বে অণুষ্ঠানটি আরম্ভ হয়। এই সভায় বক্তৃতায় অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে তিনি বলেন, পূর্ববাংলা পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় শাসকদের দ্বারা শোষিত হতে থাকলে পূর্ববঙ্গবাসী তাদের সালামু ওআলায়কুম জানাতে বাধ্য হবে। এছাড়া কাগমারী সম্মেলনে ভাসানী পাক-মার্কিন সামরিক চুক্তি বাতিলের দাবি জানান। প্রধানমন্ত্রী সোহ্‌রাওয়ার্দী সেই দাবি প্রত্যাখান করলে ১৮ মার্চ আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করেন। একই বছর ২৫ জুলাই তার নেতৃত্বে ঢাকার রূপমহল সিনেমা হলে ‘ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি’ (ন্যাপ) গঠিত হয়। ন্যাপ প্রতিষ্ঠা

১৯৫৭-র ৭ অক্টোবর দেশে সামরিক শাসন জারি হলে আইয়ুব খান ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে সকল রাজনৈতিক দলের কর্মকান্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। ১২ অক্টোবর মওলানা ভাসানীকে কুমুদিনী হাসপাতাল থেকে গ্রেফতার করা হয়। ঢাকায় ৪ বছর ১০ মাস কারারুদ্ধ থাকেন।
বন্দী অবস্থায় ১৯৬২-র ২৬ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত বন্যাদুর্গতদের সাহায্য ও পাটের ন্যায্যমূল্যসহ বিভিন্ন দাবিতে অনশন ধর্মঘট পালন করেন। ৩ নভেম্বর মুক্তিলাভ করেন এবং ন্যাশনাল ডেমোক্রাটিক ফ্রন্ট-এর রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত হন। একই বছর ২৪ সেপ্টেম্বর চীনের বিপ্লব দিবস-এর উৎসবে যোগদানের জন্য ঢাকা ত্যাগ করেন এবং চীনে সাত সপ্তাহ অবস্থান করেন।

১৯৬৪-র ২৯ ফেব্রুয়ারি ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি পুনরুজ্জীবিত করে দলের সভাপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন এবং একই বছর ২১ জুলাই সম্মিলিত বিরোধী দল (কপ) গঠনে ভূমিকা পালন করেন। ১৯৬৫-র ১৭ জুলাই আইয়ুব খানের পররাষ্ট্র নীতির প্রতি সমর্থন জ্ঞাপন করেন। ১৯৬৬-তে শেখ মুজিবুর রহমানের উপস্থাপিত ছয় দফা কর্মসূচীর বিরোধিতা করেন। ১৯৬৭-র ২২ জুন কেন্দ্রীয় সরকার রেডিও এবং টেলিভিশন থেকে রবীন্দ্র সঙ্গীত প্রচার বন্ধ করার নির্দেশ জারি করলে এর প্রতিবাদ করেন। ১৯৬৯ সালে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে মাওলানা ভাসানী বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামীদের মুক্তি দাবি করেন। ৮ মার্চ (১৯৬৯) পশ্চিম পাকিস্তানে গিয়ে সেখানে পাকিস্তান পিপলস পার্টির নেতা জুলফিকার আলী ভুট্টোর সাথে সাক্ষাত করে গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্র কায়েমের লক্ষ্যে একমত হন। ২৬শে ফেব্রুয়ারি আইয়ুব খান কর্তৃক আহুত গোলটেবিল বৈঠক প্রত্যাখান করে শ্রমজীবীদের ঘেরাও কর্মসূচী পালনে উৎসাহ প্রদান করেন।

আইয়ুব খান সরকারের পতনের পর নির্বাচনের পূর্বে ভোটের আগে ভাত চাই।১৯৭০ সালের ৬-৮ আগস্ট বন্যা সমস্যা সমাধানের দাবিতে অনশন পালন করেন। ১২ নভেম্বর (১৯৭০) পূর্ব পাকিস্তানে প্রলয়ঙ্কারী ঘুর্ণিঝড় হলে দুর্গত এলাকায় ত্রাণ ব্যবস্থায় অংশ নেয়ার জন্য ন্যাপ প্রার্থীরা নির্বাচন থেকে সরে দাড়ান। ১৯৭০ সালের ৪ ডিসেম্বর ঢাকার পল্টন ময়দানে এক জনসভায় ‘স্বাধীন পূর্ব পাকিস্তান’ দাবি উত্থাপন করেন।

১৯৭১ এর মার্চ মাসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসহযোগ আন্দোলনের প্রতি সমর্থন প্রদান করেন এবং ১৮ জানুয়ারি ১৯৭১ পল্টন ময়দানে অণুষ্ঠিত জনসভায় স্বাধীনতার ঘোষণা প্রদানের জন্য তার প্রতি আহবান জানিয়েছিলেন। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ভারত যান এবং মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হন। ২৫ মার্চ রাতে মওলানা ভাসানী সন্তোষে তার গৃহে অবস্থান করছিলেন। তিনি পাকিস্তান বাহিনীর দৃষ্টি এড়িয়ে টাঙ্গাইল ছেড়ে তার পিতৃভূমি সিরাজগঞ্জে চলে যান। পাকিস্তান বাহিনী তার সন্তোষের বাড়িটি পুড়িয়ে দেয়।

মওলানা ভাসানী নৌকাযোগে ভারত সীমানা অভিমুখে রওনা হন। অবশেষে ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মইনুল হক চৌধুরীর সাহায্যে মওলানা ভাসানী ১৫/১৬ এপ্রিল পূর্ববঙ্গ অতিক্রম করে আসামের ফুলবাড়ী নামক স্থানে উপস্থিত হন। পরে তাদের হলদীগঞ্জ বিএসএফ ক্যাম্পে আশ্রয় দেয়া হয়। এরপর মওলানা ভাসানী প্লেনে করে কলকাতায় পাঠিয়ে দেয়া হয় এবং পার্ক স্ট্রিটের কোহিনুর প্যালেসের ৫তলার একটি ফ্ল্যাট তাদের অবস্থানের জন্য দেয়া হয়।

১৯৭১ সালের ২৩ এপ্রিল বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরে মওলানা ভাসানী একটি বিবৃতি প্রদান করেন যা ভারতীয় বাংলা ও ইংরেজি দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এছাড়া মাওলানা ভাসানী চীনের নেতা মাও সে তুং, চৌ এন লাই এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের কাছে তার বার্তা পাঠিয়ে তাদের অবহিত করেন যে পূর্ববঙ্গে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ব্যাপকহারে গণহত্যা চালাচ্ছে। সেজন্য তিনি প্রেসিডেন্ট নিক্সনকে অণুরোধ করেন এই মর্মে যে, তিনি যেন পাকিস্তানকে অস্ত্র সরবরাহ না করেন। উপরন্তু মওলানা ভাসানী প্রেসিডেন্ট নিক্সনকে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেবার আহ্বান জানান।

১৯৭১ সালের ২৫ এপ্রিল মওলানা ভাসানী সোভিয়েত রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট কাছে পাকিস্তান বাংলাদেশের জনগণের ওপর যে বর্বরোচিত অত্যাচার চালাচ্ছে তার বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অণুরোধ করেন। ৩১ মে মওলানা ভাসানী এক বিবৃতিতে বলেন, বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষ দখলদার বাহিনীর সঙ্গে জীবনমরণ সংগ্রামে লিপ্ত। তারা মাতৃভূমি রক্ষার জন্য বদ্ধপরিকর। তারা এই সংগ্রামে জয়লাভ করবেই। ৭ জুন মওলানা ভাসানী এক বিবৃতিতে বলেন, বাংলাদেশের সব অঞ্চল আজ দশ লাখ বাঙালির রক্তে স্নাত এবং এই রক্তস্নানের মধ্য দিয়েই বাংলার স্বাধীনতা আসবে।মওলানা ভাসানী ১৯৭২ সালের ২২ জানুয়ারি ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন।

১৯৭২-এর ২৫ ফেব্রুয়ারি সাপ্তাহিক হক-কথা প্রকাশ করেন। বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রীচুক্তির বিরোধিতা করেন ১৯৭৩ সালে খাদ্যের দাবিতে ঢাকায় ১৫-২২ মে অনশন ধর্মঘট পালন করেন। ১৯৭৪-এর ৮ এপ্রিল হুকুমতে রাব্বানিয়া সমিতি গঠন করেন। একই বছর জুন মাসে আইন অমান্য আন্দোলন শুরু করলে টাঙ্গাইলের সন্তোষে গৃহবন্দি হন। ১৯৭৬-এর ১৬ মে ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রতিবাদে ঐতিহাসিক লং মার্চে নেতৃত্ব দেন। একই বছর ২ অক্টোবর খোদাই খিদমতগার নামে নতুন আর একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে মওলানা ভাসানী নিজেকে বহুবার একা করে ফেলেছেন বটে কিন্তু কখনো থেমে থাকেননি। স্রষ্টা এবং সৃষ্টির সেবায় নিজেকে যেমন বিলীন করেছেন সারাজীবন তেমনি তার আসল নামটাও ঢাকা পড়েছে মওলানা এবং ভাসানী টাইটেলের মাঝে। মূলত তখনকার সময়ে শ্রদ্ধেয় ব্যক্তির নামের আগে মওলানা বসানো হতো। জীবনে অনেকেই তাকে জিজ্ঞেস করেছেন তার নামের আগে মওলানা কেন, ব্যক্তি বুঝে তিনি জবাব দিতেন। যেমন, একবার মাদ্রাসা থেকে ডিগ্রি প্রাপ্ত একজন মওলানা তাকে জিজ্ঞেস করলেন, হুজুর, আপনিও মওলানা, আমরাও মওলানা; আমাদের মধ্যে পার্থক্য কোথায়? তিনি মুহূর্তের মধ্যে বললেন, ‘তোমরা সেই মওলানা যারা দূরে শয়তান দেখলে ‘লা হাওলা ওলা’ পড়, আমরা সেই মওলানা যারা শয়তানকে আগে কাছে ডাকি তারপর শয়তানের ঘাড়ের ওপর সওয়ার হয়ে শয়তানকে দিয়ে আমাদের কাজ করায়ে নেই।’ অন্যদিকে ভাসান চরে জীবনের প্রথম সম্মেলন করে পরিচয় পেলেন ভাসান চরের মওলানা, ভাসানীর মওলানা, অতপর মওলানা ভাসানী। পরবর্তী সময় তার নামের আগে যুক্ত হয়েছে মজলুম জননেতা, আপোষহীন নেতা, Prophet of Violence, The Red Mawlana, The Fire-eater Mawlana, Prophet of Independence ইত্যাদি।

রাজনীতির পাশাপাশি তিনি সমাজ সংস্কারমূলক কর্মকান্ডে জড়িত ছিলেন। জয়পুরহাট-এর পাঁচবিবিতে মহিপুর হক্কুল এবাদ মিশন প্রতিষ্ঠা করেন যার অধীনে একটি মেডিকেল, টেকনিক্যাল স্কুল,হাজী মুহসিন কলেজ(প্রস্তাবিত কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় )প্রতিষ্ঠা করেন, পরে সেটি জাতীয়করণ করা হয়। আসামে ৩০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি কারিগরী শিক্ষা কলেজ, শিশু কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন সন্তোষে। এছাড়াও তিনি কাগমারিতে মওলানা মোহাম্মদ আলী কলেজ সন্তোষে (সন্তোষ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়)যা কিনা “মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়”।

১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দের ১৭ই নভেম্বর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এই দেশ বরেণ্য নেতা মৃত্যুবরণ করেন। তাকে টাংগাইল জেলার সদর উপজেলার উত্তর-পশ্চিমে সন্তোষ নামক স্থানে পীর শাহজামান দীঘির পাশে সমাধিস্থ করা হয়। সারা দেশ থেকে আগত হাজার হাজার মানুষ তার জানাযায় অংশগ্রহণ করে।

মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর ১৪২তম জন্মদিনে জানাই গভীরতম শ্রদ্ধা।

[ কলাম লেখক ও রাজনীতিক, মহাসচিব, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ ও আহ্বায়ক, জাতীয় কৃষক-শ্রমিক মুক্তি আন্দোলন]

Views: 374

Share this:

  • Share on Facebook (Opens in new window) Facebook
  • Share on X (Opens in new window) X
  • Email a link to a friend (Opens in new window) Email
  • Print (Opens in new window) Print

Like this:

Like Loading…

Related

admin

admin

সম্পর্কিত পোস্ট

নাটোরের বড়াইগ্রামে বাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষ নিহত ১৪, আহত ২৫

নাটোরের বড়াইগ্রামে বাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষ নিহত ১৪, আহত ২৫

by admin
October 20, 2026
0
1

নাটোর প্রতিনিধি: তারিখ ২০ অক্টোবর ২০২৬। নাটোরের বড়াইগ্রামে একটি ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৪, আহত ২৫। এক যুগ আগে তথা...

কোরবানী দেওয়ার সময় নাকি যদি কোরবানি পশুর প্রতি খুব মায়া হয়, তাহলে সেই কোরবানী সহি হয়, ধ্রুত কবুল হয়!

কোরবানী দেওয়ার সময় নাকি যদি কোরবানি পশুর প্রতি খুব মায়া হয়, তাহলে সেই কোরবানী সহি হয়, ধ্রুত কবুল হয়!

by admin
October 20, 2026
0
25

ওরা আশরাফুল মাকলুকাত! কোরবানী দেওয়ার সময় নাকি যদি কোরবানি পশুর প্রতি খুব মায়া হয়, তাহলে সেই কোরবানী সহি হয়, ধ্রুত...

ডেইলি বাংলাদেশ পোর্টালের সম্পাদক শাহিদুর রহমান শাহিদকে ইসলামপুর প্রেসক্লাবের সংবর্ধনা

ডেইলি বাংলাদেশ পোর্টালের সম্পাদক শাহিদুর রহমান শাহিদকে ইসলামপুর প্রেসক্লাবের সংবর্ধনা

by admin
October 20, 2026
0
13

লিয়াকত হোসাইন লায়ন, জামালপুর প্রতিনিধি।। অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘ডেইলি বাংলাদেশ’-সম্পাদক এবং জাতীয় প্রেসক্লাব সদস্য হওয়ায় শাহিদুর রহমান শাহিদকে সংবর্ধনা দিয়েছে...

চৌদ্দগ্রামে দূর্গাপূজা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী উপহার বিতরণ

চৌদ্দগ্রামে দূর্গাপূজা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী উপহার বিতরণ

by admin
October 20, 2026
0
19

জহিরুল ইসলাম সুমন চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি : সনাতন ধর্মালম্বীদের বড় উৎসব শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে চৌদ্দগ্রামে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপহার বিতরণ করা...

পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে আজ তিন বিভাগের ৩ জেলায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে আজ তিন বিভাগের ৩ জেলায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

by admin
October 20, 2026
0
18

হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে আজ মঙ্গলবার রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রামে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।...

ইশরাকের পদত্যাগে ‘খুশি’ সাবেক মার্কিন উপ-রাষ্ট্রদূত

ইশরাকের পদত্যাগে ‘খুশি’ সাবেক মার্কিন উপ-রাষ্ট্রদূত

by admin
October 20, 2026
0
43

অস্ত্র উঁচিয়ে মাদকবিরোধী অভিযানের জেরে সমালোচিত মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের ঘটনাকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একটি ‘সঠিক ও দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত’...

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমাদের বিভাগ সমূহ

সাম্প্রতিক পোস্ট

  • কাটাবাড়ীতে দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান দিদারুল হক October 20, 2026
  • নাটোরের বড়াইগ্রামে বাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষ নিহত ১৪, আহত ২৫ October 20, 2026
  • তিতাসের ভাটেরারচরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত এসপি কামরুজ্জামান, কঠোর বিচারের আশ্বাস October 20, 2026
  • নিরাপদ সড়ক সমৃদ্ধ দেশ –  সবার আগে বাংলাদেশ October 20, 2026
  • ইসলামপুর ছাত্রদলের আলোচনা সভা October 20, 2026
  • বিএনপি মতাদর্শীকে সরিয়ে আওয়ামী মতাদর্শীকে সংযুক্ত October 20, 2026
  • কলাম: প্রজনন স্বাস্থ্য ও অধিকার: বাংলাদেশের অসমাপ্ত অঙ্গীকার October 20, 2026
  • পাকড়ি কলেজে স্মরণকালের স্মরনীয় দুর্নীতি, ২২ বছর আগের নিয়োগ দেখিয়ে ৪ জনের এমপিও October 20, 2026
  • 💔“পুরুষ কি সত্যিই শুধু শরীর খোঁজে?”💔 October 20, 2026
  • ভাই সাহেব, কী আর বলব… পরিচয় করিয়ে দিই এই আজব সোফি ম্যাডামের সঙ্গে। October 20, 2026
  • কোরবানী দেওয়ার সময় নাকি যদি কোরবানি পশুর প্রতি খুব মায়া হয়, তাহলে সেই কোরবানী সহি হয়, ধ্রুত কবুল হয়! October 20, 2026
  • ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি এবং পায়ু পথে যুদ্ধ আওয়ামী লীগের ১৫ বছরের শাসন আমলে সারাদেশে October 20, 2026
  • ডেইলি বাংলাদেশ পোর্টালের সম্পাদক শাহিদুর রহমান শাহিদকে ইসলামপুর প্রেসক্লাবের সংবর্ধনা October 20, 2026
  • রংপুরে প্রথমবার শারদীয় দুর্গাপূজা মÐপ পরিদর্শনে আসছেন আজ প্রধানমন্ত্রী October 20, 2026
  • সৈয়দপুর বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা October 20, 2026
  • চৌদ্দগ্রামে দূর্গাপূজা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী উপহার বিতরণ October 20, 2026
  • দল-ধর্ম যার যার, সম্প্রীতির বাংলাদেশ আমাদের সবার: ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন এমপি October 20, 2026
  • দুর্গাপূজার ছুটিতে আজ থেকে বিশেষ ট্রেন ও বাস চালু October 20, 2026
  • পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে আজ তিন বিভাগের ৩ জেলায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী October 20, 2026
  • ইশরাকের পদত্যাগে ‘খুশি’ সাবেক মার্কিন উপ-রাষ্ট্রদূত October 20, 2026
  • সৌদিগামী ১২৬ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ১৯ হাজার যাত্রী October 20, 2026
  • দিনাজপুরে কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজ ও সোনালী ব্যাংক পিএলসি’র সাথে চুক্তি স্বাক্ষর   October 20, 2026
  • মোটরসাইকেলে ৩ বন্ধু কাজে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল এক বন্ধুর, আহত ২ October 20, 2026
  • মিরসরাইয়ে গ্রামবাসীর অভিযানে ৬০ পিস ইয়াবা নারীসহ ৩ জন আটক October 20, 2026
  • বগুড়ায় শারদীয় দূর্গাপূজা মন্ডপ পরিদর্শন ও নগদঅর্থ প্রদান করলেন সাবেক এমপি লালু October 20, 2026
  • বিরামপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক ক্যাম্পাসের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শনে পরিচালক খায়রুল October 20, 2026
  • পুকুরে ছিঁড়ে পড়েছিল বিদ্যুতের তার, পুকুরে নামতেই প্রাণ গেল প্রিয়াঙ্কার October 20, 2026
  • খানসামায় বয়োবৃদ্ধ ও বিধবাদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ করলেন ডা. জয় October 20, 2026
  • বাবুগঞ্জে ভুয়া চিকিৎসকের প্রতারণার অভিযোগ, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা October 20, 2026
  • পথশিশুদের নিয়ে কাজের স্বীকৃতি পেলেন সৃজন মঞ্চ ফাউন্ডেশনের সুপ্রিম অথরিটি এস. ইয়াছির আরাফাত October 20, 2026

Recent Comments

    দৈনিক দেশের সংবাদ

    02 ফেব্রুয়ারি 2012, আমি নির্ভীক, আমি ভয় পাই না, আমি দেশের কথা বলব, স্বাধীনতার কথা বলব, জনগণের কথা বলব। এর সাহসী সাংবাদিকতা, সমৃদ্ধ বিষয়বস্তু এবং অনন্য বিন্যাস এবং নকশা সহ উপস্থাপনার কারণে, দেশের সংবাদ দ্রুত মানুষের হৃদয় জয় করে, এমনকি সবচেয়ে পরিশীলিত এবং দূরদর্শী পাঠকদের আনুগত্য বাড়িয়ে তোলে।

    আমাদের অনুসরণ করো

    প্রশাসক

      [wps_visitor_counter]

      [wps_visitor_counter]

      বিষয়শ্রেণী দ্বারা ব্রাউজ করুন

      • /প্রবাসী খবর
      • অপরাধ
      • আইন/আদালত
      • আলোচিত নিউজ/ছবি
      • ইতিহাসের পাতায়
      • ইসলাম ধর্ম
      • কবিতা/ছড়া/সাহিত্য
      • করোনাভাইরাস
      • খুলনা বিভাগ
      • খেলা ধুলা
      • চট্টগ্রাম বিভাগ
      • চাকরি
      • জাতীয়
      • জেনেনিন আপনার রাশিফল
      • ঢাকা বিভাগ
      • তথ্যপ্রযুএি
      • নামাজের সূচি
      • নারী কর্মীরা প্রযুক্তিতে ন্যায্যতা
      • ন্তর্জাতিক
      • প্রশাসন
      • বরিশাল বিভাগ
      • বাণিজ্য
      • বাংলাদেশ
      • বাংলাদেশের সকল ক্যাম্পাস
      • বিনোদন
      • বিভাগ সমূহ
      • বিশেষ সংবাদ
      • বিশ্ব
      • ভারত/কলিকাতা
      • মতামত
      • ময়মনসিংহ বিভাগ
      • রংপুর বিভাগ
      • রাজধানী ঢাকা
      • রাজনীতি
      • রাজশাহী বিভাগ
      • রুপচচাৃ/বিউটি পার্লার
      • লাইফস্টাইল
      • শিক্ষা
      • স।রাদেশ
      • সর্বশেষ
      • সাংবাদিক/মিডিয়া
      • সিলেট বিভাগ
      • স্বাস্থ্য
      • হিন্দু সহ অন্যান্য
      • হোম
      কাটাবাড়ীতে দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান দিদারুল হক

      কাটাবাড়ীতে দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান দিদারুল হক

      October 20, 2026
      নাটোরের বড়াইগ্রামে বাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষ নিহত ১৪, আহত ২৫

      নাটোরের বড়াইগ্রামে বাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষ নিহত ১৪, আহত ২৫

      October 20, 2026
      তিতাসের ভাটেরারচরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত এসপি কামরুজ্জামান, কঠোর বিচারের আশ্বাস

      তিতাসের ভাটেরারচরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত এসপি কামরুজ্জামান, কঠোর বিচারের আশ্বাস

      October 20, 2026
      • সম্পর্কিত
      • যোগাযোগ
      • শর্তাবলী
      • গোপনীয়তা নীতি
      • বিজ্ঞাপন দিন

      © ২০১২ জহির হাওলাদার পরিচালিত দেশের সংবাদ >> কপিরাইট : বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে দেশের সংবাদ নিউজের সামগ্রীগুলির কোনও অননুমোদিত ব্যবহার বা পুনরুত্পাদন কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং আইনী পদক্ষেপের জন্য দায়বদ্ধ কপিরাইট লঙ্ঘনকে গঠন করে। - Website Designer & SEO Specialist By Mr. Nirob

      Welcome Back!

      Login to your account below

      Forgotten Password?

      Retrieve your password

      Please enter your username or email address to reset your password.

      Log In
      No Result
      View All Result
      • হোম
      • সর্বশেষ
      • বিশেষ সংবাদ
      • বাংলাদেশ
      • করোনাভাইরাস
      • রাজনীতি
      • বিশ্ব
      • বাণিজ্য
      • বিভাগ সমূহ
        • ঢাকা বিভাগ
        • চট্টগ্রাম বিভাগ
        • সিলেট বিভাগ
        • খুলনা বিভাগ
        • রাজশাহী বিভাগ
        • বরিশাল বিভাগ
        • রংপুর বিভাগ
        • ময়মনসিংহ বিভাগ
      • চাকরি
      • খেলা ধুলা
      • বিনোদন
      • মতামত
      • লাইফস্টাইল

      © ২০১২ জহির হাওলাদার পরিচালিত দেশের সংবাদ >> কপিরাইট : বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে দেশের সংবাদ নিউজের সামগ্রীগুলির কোনও অননুমোদিত ব্যবহার বা পুনরুত্পাদন কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং আইনী পদক্ষেপের জন্য দায়বদ্ধ কপিরাইট লঙ্ঘনকে গঠন করে। - Website Designer & SEO Specialist By Mr. Nirob

      %d