ইউসুফ আলী, দিনাজপুর প্রতিনিধি \ দিনাজপুর ফল আড়ৎদার ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড (পৌর নিউ মার্কেট, কালিতলা দিনাজপুর) এর বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচনী তাফসিল ঘোষণা—২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৮ নভেম্বর—২০২৫ শনিবার শহরের একটি চাইনিজ রেস্তোরায় অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দিনাজপুর ফল আড়ৎদার ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সদর উপজেলা সমবায় অফিসার মোঃ হাফিজুর ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন দিনাজপুর ফল আড়ৎদার ব্যবসায়ী সমিতি লিমিটেডের প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ সাদাকাতুল বারী সাদা ও বিশিষ্ট সমাজসেবক আহমেদ শফি রুবেল।
সংগঠনের সভাপতি মোঃ রুস্তম আলীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ আতা এর সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সহ সভাপতি মোহাম্মদ মঈন,সহ সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাজু, কোষাধ্যাক্ষ মোঃ মমিনুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মোঃ শরিফুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মিন্টু, প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ মামুন, নির্বাহী সদস্য মোঃ বেলাল হোসেন, মোঃ শাহিন হোসেন, মোহাম্মদ জসিম, মোঃ জুয়েল প্রমুখ।
বার্ষিক সাধারণ সভায় আয় ব্যয় হিসাব পাঠ করেন দপ্তর সম্পাদক মোঃ শরিফুল ইসলাম। মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন মোহাম্মদ বেলাল, মোঃ মুকুলসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। শেষে দিনাজপুর ফল আড়ৎদার সমবায় সমিতি লিঃ এর নির্বাচনী তফসিল ঘোষনা করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি সদর উপজেলা সমবায় অফিসার মোঃ হাফিজুর ইসলাম।
জমি না দিয়েই মহাসড়কের অধিগ্রহণের টাকা উত্তোলনের অভিযোগ
বায়েজিদ পলাশবাড়ী গাইবান্ধা) : পলাশবাড়ীতে মুনছুর আলীর বিরুদ্ধে প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগ, ভূমি অধিগ্রহণ শাখার কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক সম্প্রসারণ প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণ না হলেও প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ হিসেবে উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে মুনছুর আলী নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ শাখার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ক্ষতিগ্রস্ত জমির অংশীদাররা। অভিযোগ রয়েছে, পলাশবাড়ী পৌর শহরের নুনিয়াগাড়ী মৌজার সাবেক ৭৯/৮০ নম্বর দাগ এবং বর্তমান ৮৩১ নম্বর দাগের ০.০৯৪৮ একর জমির বিপরীতে ৫ কোটি ৫৬ লাখ ৪৩২ টাকা অধিগ্রহণের অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। তবে অভিযোগকারীদের দাবি, ওই পরিমাণ জমি বাস্তবে মহাসড়কের জন্য অধিগ্রহণ বা হস্তান্তর করা হয়নি। ভুক্তভোগী রেখা বেগমসহ অন্যান্য অংশীদারদের অভিযোগ, সাসেক প্রকল্প-২ সংশ্লিষ্টদের আপত্তি, অন্যান্য অংশীদারদের আপত্তি এবং এলএমসি কেস নং ২৭০/২০২৩-২০২৪ ও এলএ কেস নং ১১/২০১৯-২০২০-এর বিষয়গুলো নিষ্পত্তি না করেই মুনছুর আলীর নামে অধিগ্রহণের অর্থের চেক হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের দাবি, বিষয়টি যথাযথভাবে সরেজমিন যাচাই না করে কাগজপত্রের ভিত্তিতে অর্থ ছাড় করা হয়েছে। দলিলের হিসাবেও উঠছে প্রশ্ন অভিযোগকারীদের দেওয়া কাগজপত্রের তথ্য অনুযায়ী, নুনিয়াগাড়ী মৌজার এসএ খতিয়ান-১৬, আরএস খতিয়ান-২৫ এবং জেএল নম্বর-৬৯-এর সাবেক ৭৯/৮০ নম্বর দাগে মুনছুর আলীর বাবা মৃত মোফাজ্জল হোসেন ১৯৫৩ সালের ২১ জানুয়ারি ৪২৫ নম্বর দলিলের মাধ্যমে মোট ১২৭ শতাংশ জমির মালিকানা লাভ করেন। পরবর্তীতে ১৯৬৯ সালের ১৯ নভেম্বর ০১/৬৯ নম্বর কেসের মাধ্যমে সড়ক বিভাগের কাছে ৩২ শতাংশ জমি অধিগ্রহণ করা হয় বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে এতে মোফাজ্জল হোসেনের নামে অবশিষ্ট থাকার কথা ৯৫ শতাংশ জমি। এরপর ২০০২ সালে বিভিন্ন দলিলের মাধ্যমে ওই জমির একটি অংশ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে হস্তান্তর করা হয় ২১৬৯ নম্বর দলিলে ছেলে আল মামুনকে ৩৯ শতাংশ, ২১৭০ নম্বর দলিলে স্ত্রী হালিমা বেগমকে ৩ শতাংশ এবং ২১৯৪ নম্বর দলিলে দুই মেয়ে রোকেয়া বেগম ও শাহিনা পারভীনকে পৃথকভাবে ৫ শতাংশ করে মোট ১০ শতাংশ জমি দেওয়া হয়।...







