বন্ধুত্বের অমর বন্ধন! ৪০ ফুট ওপরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট সহকর্মীকে বাঁচাতে প্রাণপণ চেষ্টা, ইতিহাসে অমর ‘দ্য কিস অব লাইফ’
কখনও কখনও একটি ছবি হাজার শব্দের চেয়েও বেশি কথা বলে। এমনই একটি ছবি, যেখানে মৃত্যুর মুখে ঝুলে থাকা সহকর্মীকে বাঁচাতে নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন আরেক কর্মী। সেই মুহূর্তই পরবর্তীকালে বিশ্বজুড়ে পরিচিত হয়ে ওঠে ‘দ্য কিস অব লাইফ’ নামে।
ঘটনাটি ১৯৬৭ সালের ১৭ জুলাই। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের জ্যাকসনভিল শহরে বিদ্যুতের লাইনে কাজ করছিলেন দুই কর্মী—র্যান্ডাল চ্যাম্পিয়ন ও জে ডি থম্পসন। হঠাৎ বিদ্যুৎবাহী তারের সংস্পর্শে এসে অচেতন হয়ে পড়েন চ্যাম্পিয়ন। তাঁর শরীর তখন নিরাপত্তার বেল্টে আটকে খুঁটির ওপর ঝুলে রয়েছে।
পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত বিপজ্জনক। কিন্তু সহকর্মীকে ওই অবস্থায় ফেলে রাখেননি থম্পসন। দ্রুত তাঁর কাছে পৌঁছে মুখে মুখ লাগিয়ে কৃত্রিম শ্বাস দিতে শুরু করেন। কিছুক্ষণ পর চ্যাম্পিয়নের শরীরে প্রাণের লক্ষণ ফিরে আসে। পরে তাঁকে নিরাপদে নিচে নামিয়ে আনা হয়। চ্যাম্পিয়ন সেই দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যান।
ঠিক সেই সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন Jacksonville Journal-এর আলোকচিত্রী রোকো মোরাবিতো। তাঁর ক্যামেরায় ধরা পড়ে সহকর্মীর জীবন বাঁচানোর সেই অসাধারণ মুহূর্ত।
ছবিটি পরে ‘The Kiss of Life’ নামে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পায়। ১৯৬৮ সালে এই ছবির জন্য রোকো মোরাবিতো পুলিৎজার পুরস্কার লাভ করেন।
এই ছবির বিশেষত্ব শুধু একজন মানুষের জীবন বেঁচে যাওয়া নয়। এটি মনে করিয়ে দেয়, বিপদের মুহূর্তে অন্যের পাশে দাঁড়ানোর সাহস কতটা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। কখনও কখনও সহকর্মীর প্রতি দায়িত্ববোধই হয়ে ওঠে জীবন আর মৃত্যুর মাঝখানে সবচেয়ে বড় ভরসা।
‘দ্য কিস অব লাইফ’ তাই শুধু একটি ঐতিহাসিক ছবি নয়—এটি সাহস, মানবিকতা ও একজন মানুষের জন্য আরেকজন মানুষের লড়াইয়ের প্রতীক।
তথ্যসূত্র: Jacksonville History Center এবং The Pulitzer Prizes-এর ঐতিহাসিক নথি।
১৩ বছরের ছাত্রীকে ধর্ষণে শিক্ষক স্বামী পলাতক ও স্ত্রী গ্রেপ্তার
ঢাকার সাভারে ১৩ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল বারী (৫০) পলাতক...









