রংপুর বিভাগীয় প্রতিনিধি: মহান আল্লাহ তা’য়ালার সন্তোষ্ট লাভের আশা সব সময় মানুষকে নামাজের জন্য আহবান করছেন। এক সময় অন্যের আহবানে নামাজ কায়েম করেন তিনি। গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের ভগবানপুর গ্রামের মরহুম মহিম উদ্দিন প্রধানের ছেলে মোসলেম উদ্দিন প্রধান। পথে-প্রান্তরে ঘুরেন হ্যান্ডমাইক হাতে নিয়ে। হেঁটে চলেন হাট-বাজার ও শহরে। নামাজের দাওয়াত দেন মুসলিমদের। এভাবে ১০ বছর ধরে হ্যান্ডমাইকে নামাজের আহ্বান জানাচ্ছেন তিনি। গতকাল সাদুল্লাপুর শহরে তাকে দেখা যায়। এ সময় নামাজের আহ্বান করছিলেন তিনি। জানা যায়, ছেলে-মেয়েসহ সাত সন্তানের জনক তিনি। বয়স যখন চল্লিশ বছর তখন পাটের ব্যবসা করে তার সংসার ভালোই চলছিল। এরই মধ্যে এ ব্যবসায় ক্ষতিগ্রস্থ হন। এরপর জীবিকার তাগিদে রাজধানীতে রিকশা চালাতেন। সেখানে তাকে নামাজের তাগিদ দিতেন মসজিদের মুসল্লিরা। এরপর থেকে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ শুরু করেন। সেই থেকে আর কখনো নামাজ মিস করেননি। ধীরে ধীরে আল্লাহ নির্দেশ নামাজ আদায়ে আসক্ত হয়ে পড়েন। ধারবাহিকতায় ১০ বছরে আগে ঢাকা ছেড়ে ফিরে আসেন বাড়িতে। নিজের টাকায় ক্রয় করেন একটি ব্যাগ ও হ্যান্ডমাইক। প্রত্যেক দিন সকালে বেড়িয়ে পড়েন বিভিন্ন শহর ও হাট-বাজারে। পায়ে যেন তার বাহন। হেঁটে চলেন এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তরে। নামাজের জন্য সবাইকে দাওয়াত দেয়াই তার প্রধান কাজ। এছাড়া আজানের আগ মুহূর্তে হ্যান্ডমাইকে নামাজের আহ্বান করেন। মোসলেম উদ্দিন প্রধান বলেন, পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, নিজে নামাজ পড় এবং অন্যকেও নামাজ পড়তে বলো। ইসলামের এই আদর্শ মেনে হ্যান্ডমাইকে হেঁটে হেঁটে মুসলমানদের নামাজ পড়ার আহ্বান করছি। তিনি আরও বলেন, আমার ছেলে ইয়াসিন আলী পোশাক কারখানায় চাকরি করে। এ দিয়ে সংসার চলে আমাদের। মানুষকে নামাজের দাওয়াতের বিষয়টি পরিবারের সবাই উৎসাহ দেয়। আমি যখন মাইকে নামাজের আহ্বান করি তখন অনেক লোক আমার দাওয়াত গ্রহণ করে। আব্দুল হালিম বলেন, মোসলেম চাচাকে কয়েক বছর ধরে সাদুল্লাপুর চৌমাথা মোড়, ধাপেরহাট,পলাশবাড়ী ও গাইবান্ধা শহরসহ বিভিন্ন এলাকায় নামাজের জন্য হ্যান্ডমাইক আহবান করতে দেখা যায়।
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর মধ্য দিয়ে জাতিসংঘ...







