রেজওয়ান আলী (দিনাজপুর) বিরামপুর দিনাজপুর প্রতিনিধি-বিরামপুরে ঢাকাগামী ট্রেনের টিকিট হয়ে গেছে কালো বাজারির হাতে জনসাধারণ বিপাকে পড়েছে। হিলি স্থলবন্দর,বিরামপুর,নবাবগঞ্জ,হা
জানা যায়,যাত্রীদের জন্য নিয়ম অর্ধেক টিকিট অনলাইন ও অর্ধেক টিকিট স্টেশনে পাওয়ার কথা থাকলেও স্টেশনে টিকেট
হাতের নাগালের বাহিরে। এ বিষয়ে অসাধু কতিপয় অনলাইন ব্যবসায়ী ও টিকিট কাউন্টারের একশ্রেণীর অসাধু কর্মচারীদের যোগসাজশে নামে-বেনামে আগেভাগে বুকিং করে দিনের টিকিট অনেক পূর্বেই কেটে নেয়। যাত্রীদের ভাগ্যে টিকিট মিলেনা। সিন্ডিকেট চক্রটি সকল ট্রেনের টিকিট আগেই বুকিং হয়ে যায়। টিকিট না পেয়ে বিপাকে পড়েছে সাধারণ যাত্রী সাধারণ। রেলস্টেশনের কাউন্টারে টিকিটের জন্য ভিড় কোন প্রকার লাভ হয় না,বুকিং কর্মচারীর অজুহাত টিকিট নেই এই কথায় যথেষ্ট। ঢাকাগামী তিনটি ট্রেনে (প্রায়) ৭২ টি আসন (সিট) যাত্রীদের জন্য বরাদ্দ রয়েছে কিন্তু সকল টিকিট কালো বাজারির হাতে। বিরামপুর রেলস্টেশনে টিকিট কাউন্টারে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ১৫/২০ জন যাত্রী মৌখিক অভিযোগ করেন,লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে টিকিটের জন্য কাজ হয়না। রেলস্টেশনের বুকিং কাউন্টারে টিকিট না পেলেও কালো বাজারে ঠিকই টিকিট পাওয়া যায়। লোক দেখানো দুই চারটা টিকিট যাত্রীদের কাছে বিক্রি করে,টিকিট নেই বন্ধ করে দেয় টিকিট বুকিং কাউন্টার। কাউন্টারের কর্মচারির অভিযোগ আগেই টিকিট বুকিং হয়েছে,অনলাইনের দোকানগুলিতে যোগাযোগ করুন টিকিট পেতে পারেন,টিকিট নেই ৩/৪ দিন পূর্বে টিকিট শেষ হয়ে গেছে। এ বিষয়ে বিরামপুর স্টেশন মাস্টার রফিক উদ্দিন চৌধুরী জানান,পাঁচটি ট্রেন এই স্টেশন থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে চলাচল করেন। বিরামপুর স্টেশনে যাত্রীদের জন্য বরাদ্দ নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রী আসন সংখ্যা ২২টি,(এসি) সিট ৫,একতা এক্সপ্রেস এর আসন সংখ্যা-২২টি,দ্রুতযান এক্সপ্রেস আসন সংখ্যা ২৪টি,তিনি আরো জানান চাহিদার তুলনায় টিকিট স্বল্প হওয়ায় এরকম দুই একটা ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে সকলের অভিযোগ।







