উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ডিসেম্বর মাস এলেই জমি কেনাবেচা বৃদ্ধি পায়। সেই হিসেবে সপ্তাহে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে শতাধিক দলিল হয়, যা থেকে সরকার আনুমানিক ৫০ লাখ টাকার রাজস্ব অর্জন করে। কিন্তু গত ১ মাস ধরে ভূমিসেবা সার্ভার বন্ধ থাকায় জমির নামজারি ও খাজনা গ্রহণ বন্ধ রয়েছে।
কয়েকজন দলিল লেখক জানান, খাজনা না দিতে পারায় একদিকে যেমন দলিল রেজিস্ট্রি হচ্ছে না, অন্যদিকে জমির নামজারিও বন্ধ রয়েছে। এতে মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছে।
উপজেলা ভুমি অফিসে কর্মরত একজন জানান ভূমিসেবা সার্ভার বন্ধ থাকায় আমরা নামজারির আবেদন নিতে পারছি না,এতে নামপত্তন ও খাজনা প্রদানও বন্ধ রয়েছে। ফলে মানুষ হয়রানি ও ভোগান্তিতে পড়ছে।
নদীতীরবর্তী একটি ইউনিয়ন তেলিগাতী থেকে মোরেলগঞ্জ উপজেলা ভুমি অফিসে সেবা নিতে এসেছিলেন মহাতাব উদ্দিন,সার্ভার সচল না থাকার কারনে তিনি নামজারি আবেদন করতে পারেন নি। ভুমি অফিস থেকে তাকে বুজিয়ে বলে দেয়া হয়েছে যে সার্ভার সচল হলে আবেদন করতে পারবে।
এ বিষয়ে মোরেলগঞ্জ উপজেলা সাবরেজিস্টার হীরা খাতুন বলেন,সাধারণত ডিসেম্বরে জমি রেজিস্টি বেশি থাকে,কিন্তুু ভুমি সেবা সার্ভার সাময়িক বন্ধ থাকার কারনে রেজিস্টি এমদম সীমিত,সরকারের রাজস্ব কমে যাচ্ছে,আশা করি দ্রুত এ সমস্যার সমাধান হবে।
বিষয়টি নিয়ে মোরেলগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) মো: বদরুদ্দোজা জানান, সফটওয়্যার আপগ্রেডেশনের জন্য সাময়িকভাবে ভূমিসেবা সার্ভার বন্ধ রয়েছে। আবার কোনো কোনো সময় কাজও করছে। তিনি বলেন, জমির মালিকদের সাময়িক অসুবিধা হলেও দ্রুতই ভূমিসেবা সার্ভার ঠিক হয়ে যাবে।আবেদন নিষ্পত্তি করার স্বার্থে দ্বিতীয় ভার্সনটি পুরোপুরি চালু করা যায়নি। কারিগরি কিছু ক্রটির কারণে সার্ভারটি সম্পুর্ন সচল হয়নি। আগের ভার্সনটি এখন সচল, ধীরে ধীরে দ্বিতীয় ভার্সনটি চালু হচ্ছে। এ বিষয়ে উর্ধতন কতৃপক্ষের সাথে কথা হয়েছে। আগামী ১ জানুয়ারি থেকে পুরোপুরি সার্ভারটি চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।** ## **







