সে সারাদিন বিডার প্রোগ্রামে ছিল। প্রোগ্রাম শেষ করে মাঝরাতেই মন্ত্রণালয়ে সব সচিবকে তলব করে ২ ঘণ্টা মিটিং করে। অবশেষে সিদ্ধান্ত নেয়, বিমান দিয়ে রপ্তানি করবে।
এই বশিরকে অনেকে গালি দিয়েছিল। তার টাকা মারার ধান্ধা নাই। সে অলরেডি কুমির। সে সিন্ডিকেট ভাঙছে। বাণিজ্য নীতি বদলাচ্ছে। আমাকে বলেন, জীবনে কোনো মন্ত্রীকে দেখছেন এমন সিনসিয়ার হইতে? রাতের ঘুম হারাম করে সব সচিবদের তলব করে ইমার্জেন্সি স্টেপ নিতে? জীবনে দেখছেন রাত ২ টায় সচিবালয়ে কাওকে কাজ করতে? তাও সারাদিন কাজ করে?
এই সরকারের অনেক সিনসিয়ার লোক আছে যারা শুধু দেশের জন্য খাটছে।
কোনো রিটার্নের আশা করছে না। বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে চৌকস আর দেশপ্রেমিক গভর্নিং বডি হইসে এই সরকারের।
আপনারা আফসোস করবেন, আসলেই আফসোস করবেন এরা গেলে। চরম আফসোস করবেন।
বি.দ্র: যাহোক ট্রান্সশিপমেন্ট বাতিল করসে মানে নেপাল-ভুটান এ মাল পাঠাতে পারবে না, তা না। WTO এর চুক্তি অনুযায়ী নেপাল-ভুটানে রপ্তানি করতে পারবে। বাতিল করসে ভারতের ২ টা বন্দর ব্যবহার করে ইউরোপ-আমিরিকায় রপ্তানি করত, সেটা বাতিল করসে। এখন বিমানে সে পণ্যগুলো যাবে। নো টেনশন।





