দিনাজপুরের বিরামপুরে চেক জালিয়াতির বিরুদ্ধে বিরামপুর থানায় অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী পারুল পারভীন। পারুল পারভীন বিরামপুর ঘাটপাড় মহল্লার একজন স্হায়ী বাসিন্দা। পেশায় একজন স্কুল শিক্ষিকা। তারই একই গ্রামের প্রতিবেশী ভুলভাল বুঝিয়ে এনজিও থেকে ঋণ উত্তোলনের জন্যে একটি ব্যাংক চেক লাগবে বলে মরিয়ম বেগম এনজিও অফিসে নিয়ে যায়। এমন অবস্থায় মরিয়ম বেগম পারুল পারভিনকে এনজিওতে নিয়ে যায় ও ব্যাংক চেক গ্রহণ করেন। চেক নাম্বারটি ছিল সোনালী ব্যাংক বিরামপুর শাখা হিসাব নং 1804002122707, চেক নং -SN-30 3954939 পরবর্তীতে পারুল পারভিন জানতে পারেন তার প্রদান করা ব্যাংক চেকটি এনজিও অফিস থেকে বিবাদী মরিয়ম বেগম উঠিয়ে নিয়ে যায় এবং আদালতে একটি আর্থিক মামলা দায়ের করেন। এ বিষয়ে বিরামপুর থানায় ব্যাংক চেক জালিয়াতির বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি ও অভিযোগ দায়ের করেন পারুল পারভীন। বিবাদী মরিয়ম বেগম উপজেলার দিওড় ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের আঠারোজানি গ্রামের জিয়াউর রহমানের স্ত্রী। ঋণ প্রদানকারী এনজিওর নাম
এসএসএস (সোসাইটি ফর সোশ্যাল সার্ভিস) বিরামপুর শাখা,বিরামপুর দিনাজপুর। শাখা কোড নং-০৯২২-৫৭৫
এমআরএ সনদ নং-০০৬৪৫-০১০০২-০০০২৫ যান।
থানায় অভিযোগের দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার এসআই রফিকুল ইসলাম প্রায় গত ১৫-২০ দিন অতিবাহিত হয়ে যায় কোন রকম ব্যবস্থা ছাড়াই। অসৎ উদ্দেশ্যে বিবাদী মরিয়ম বেগম সুকৌশলে তার নিজের ছোট বোন সাথী আক্তার কে দিয়ে দিনাজপুর আদালতে পারুল বেগমের বিরুদ্ধে ২৫ লক্ষ টাকা দাবি করে একটি মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং CR/42/25 ২০/০৪/২৫ । এ বিষয়ে এসএসএস (সোসাইটি ফর সোশ্যাল সার্ভিস) বিরামপুর শাখা, বিরামপুর দিনাজপুর। শাখা কোড নং-০৯২২-৫৭৫
এমআরএ সনদ নং -০০৬৪৫-০১০০২-০০০২৫ ম্যানেজার ও মাঠ কর্মি তাদের এনজিও থেকে চেক হস্তান্তর বিষয় টি স্বীকার করেন।








