আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহী-৩ পবা-মোহনপুর সংসদীয় আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক আয়েন উদ্দিন এবং মোহনপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান এ্যাডঃ আব্দুস সালামকে নিয়ে প্রপাগান্ডা করা হচ্ছে। এঘটনায় সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। জানা গেছে, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের বিপদগামী কতিপয় সাবেক নেতার মদদে তাদের অনুগত চেল্যা-চামুন্ডা এসব প্রপাগান্ডা করছে। রাজনৈতিকভাবে পরাজিত ও দেউলিয়া হয়ে এরা হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে জনবান্ধব এমপি ও উপজেলা চেয়ারম্যানকে নিয়ে তাদের এসব প্রপাগান্ডা বলে মনে করছে তৃণমুল।
স্থানীয়রা বলছে, মোহনপুর উপজেলার রায়ঘাটি ইউপি আওয়ামী লীগের বিপদগামী এক বগী (আক্যাম্যা) নেতা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের
বিভিন্ন আইডি থেকে এমপি ও উপজেলা চেয়ারম্যানকে নিয়ে মিথ্যা-ভিত্তিহীন-বানোয়াট-আপত্
আবার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম জামায়াতের নেতাদের সাথে অন্তরঙ্গ সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন বলে ফেসবুকে পোস্ট দেয়া হয়েছে, অথচ সেটি একটি সামাজিক অনুষ্ঠানের ছবি। ফলে এটা আরো বড় মিথ্যা কারণ আব্দুস সালাম সকল জনগণের প্রতিনিধি, তায় সামাজিক-সাংস্কৃতিক, বাণিজ্যিক ইত্যাদি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণে তার কোনো বাধা নাই,দেখতে হবে তিনি আওয়ামী লীগবিরোধী কোনো রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে রাজনৈতিক কর্মসুচিতে অংশগ্রহণ করেছেন কি না করেননি, তাহলে তিনি জামায়াত নেতার সঙ্গে কিভাবে সক্ষ্যতা গড়লেন ? আবার বগী নেতা ১৫ ফব্রুয়ারি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লিখেছেন, ছবিতে প্রথম সারির দ্বিতীয় নম্বরে ১৪/৩/২০২২ইং তারিখে মোহনপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের মিটিংএ বসে আছে গতবারের ইউপি নির্বাচনের বিদ্রোহী প্রার্থী আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত খলিলুর রহমান। এটাও ডাহামিথ্যা কারণ খলিলুর রহমানকে মৌখিকভাবে বহিঃস্কার করা হয়েছিল, তবে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ তাকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছেন। তাহলে তিনি তো আওয়ামী লীগের লোক তিনি সভার মঞ্চে থাকবেন সেটাই স্বাভাবিক বরং না থাকলেই সেটা ছিল অস্বাভাবিক। আসলে কুলাঙ্গার- ধান্ধাবাজ ওই বগী নেতার এসব বোঝার ক্ষমতা নাই, তাই সে মণিপুরি চটা কাজরী সেবন করে আওয়ামী লীগের ভাবমুর্তিক্ষুন্ন করতে এমপি ও উপজেলা চেয়ারম্যানকে নিয়ে প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছে বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।স্থানীয় আওয়ামী লীগের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন নেতা বলেন, এখানো সময় আছে সুপথে ফিরে আশার। এর পর সুনিদ্রিষ্ট তথ্য-উপাত্য ব্যতিত এমপি বা উপজেলা চেয়ারম্যানকে নিয়ে মানহানিকর কোনো পোষ্ট দেয়া হলে রাস্তায় দ্বিগম্বর করে শরীরে সুমাসগুড়গুড়ি পালিশ করা হবে।







