৭১ টিভি রিপোর্ট করেছে “কোলকাতার শপিংমলগুলো এখন বাংলাদেশীদের উপচে পড়া ভীড়।” এই যে উপচে পড়া ভীড় এদের ৯৯ পার্সেন্টই চরম মাত্রায় ভারত ও হিন্দু বিদ্বেষী। বাংলাদেশের চাইতে অর্ধেক দামে ঈদের শপিং করতেই তাদের ভারত গমন। ভারতে সস্তায় গরুর মাংস খাওয়া যায়। এসব খেয়েদেয়ে আসার পর সেই পুরোনো কাহিনী এরা বলতে থাকবে ভারতে মুসলমানদের গরুর মাংস খেতে দেয় না। ভারতের অর্মত্য সেন বলেছেন বাংলাদেশ ভারত থেকে সব দিক থেকে এগিয়ে গেছে।… এরা ভারত ঘুরে এসে নিজের চোখে সব দেখে এসেও ভারতের বামপন্থী নিউজ পোর্টাল শেয়ার দিয়ে বলবে ভারতে মুসলমান দেখলেই হিন্দুত্ববাদীরা ত্রিশূল নিয়ে এসে হামলা চালায়!
ভারতের মুসলমানরা হিন্দুদের হাতে নির্যাতিত এটা একটা মিথ। এর কোন বাস্তব ভিত্তি নেই। বামপন্থীরা এখন বিরোধী দলে বলে দেশটাকে মুসলিম নির্যাতিত দেখাতে যে রঙ লাগায় তার কোন চিহ্ন বাংলাদেশের টুরিস্টরা কোথাও দেখতে পায় না। ভারতের কোন এলাকায় মুসলমানদের গরু খেতে দেয় না, কোন রাজ্যে গরু নিষিদ্ধ তা কেউ বলতো না পারলেও এরকম মিথ নোয়াম চমেস্কি পর্যন্ত ইতিহাস হিসেবে জানে!
ভারতের মুসলমানদের যদি পাকিস্তান বাংলাদেশে জমিজমা দিয়েও সেটেল্ড হতে বলে তারা মরে গেলেও আসবে না। এটা তাদের সঙ্গে আমি কথা বলেই বলছি। বাংলাদেশ পাকিস্তান হচ্ছে একটা জেলখানা। এখানে কে মরতে আসবে? ভারতের মুসলিম বিকাশে কোন বাধা নেই। সেলিব্রিটি হওয়া থেকে রাজনীতি, অর্থনীতি, খেলাধুলা কোথাও কোন সমস্যা নেই।
হুমায়ূন আহমেদ কাঠপেন্সিল বইতে লিখেছিলেন, পশ্চিমবঙ্গের লেখকরা বাংলাদেশে আসে মদ খেতে! হুমায়ূন সঠিক বলেননি। পশ্চিমবঙ্গের মুদি দোকানেও মদ বেচে সে দেশের মানুষ বাংলাদেশে কেন আসবে মদ খেতে? যেখানে মদ পেলে পুলিশ মদক হিসেবে গ্রেফতার করে! এদেশে হুমায়ূন তার অতিথিদের জন্য যে মদ কিনে আনতেন তা ছিল চোরাই মাল এবং কাজটি বেআইনি! আসল তথ্য হুমায়ূন আহমেদ জানতেন না। বাংলাদেশের মানুষ সস্তায় মদ আর গরুর মাংস খেতেই ভারত যায়!






