নিহতের ছেলে সুমন মাতা বাদী হয়ে রবিবার দুপুরে (১৮ মে) বড় চাচা নিখিল মাতা ও তার ছেলে প্রসেনজিৎ মাতার বিরুদ্ধে মোরেলগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। শনিবার রাতে সুনিল মাতা ছোট ভাই পবিত্র মাতাকে খুঁজতে বাইরে বের হলে বাড়ির সামনেই তার বড় ভাই নিখিল মাতা ও ভাতিজা প্রসেনজিৎ মাতা পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে কুপিয়ে জখম করে ফেলে রেখে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর রাতেই মোরেলগঞ্জ থানার ওসি রাজীব আল রশিদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অভিযুক্ত নিখিল মাতাকে গ্রেপ্তার করেন। তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। অপর আসামি প্রসেনজিৎ মাতাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানান ওসি।
নিহত সুনিল মাতার স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। রোববার সকালে নিহতের মেয়ে প্রিয়াংকা মাতা, জামাতা শিশির দাস ও পুত্রবধূ স্বর্ণা মৃধা হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।**ছবি সংযুক্ত আছে।







