ড ইউনুস সরকারের পরিকল্পনা বিএনপি ভালো করেই বুজতে পারছে । ১০ মাস ধরে ক্রমাগত চাপ দেয়ার পরে ড ইউনুস সরকার এপ্রিল ২০২৬ এ নির্বাচনের দিন ঘোষণা করেছেন ঠিকই কিন্তু রাজনীতির ময়দানে পোড়া খাওয়া বিএনপি ভালো করেই জানে ১০ মাস পরেও এপ্রিল ২০২৪ এ নির্বাচন হবে না। সুদু মাত্র বিএনপি কে কিছুক্ষণ চুপ করিয়ে রাখার জন্যেই ওই নির্বাচন দিনের ঘোষণা। সব মিলিয়ে এই সরকার প্রায় ২ বছর ক্ষমতায় থাকতে চলেছে।
কিন্তু জেনে রাখুন ফেব্রুয়ারি – মার্চ ২০২৬ এর মধ্যে নুতুন ঝামেলা শুরু করবে সারজিস, হাসনাত আব্দুল্লাহ, নাহিদ ইতাদীরা। তখন তাদের দাবি হবে শেখ হাসিনার গঠন করা নির্বাচন কমিশন দিয়ে নির্বাচন করা যাবে না। এটা নিয়ে তারা আবার আন্দোলন শুরু করবে। সেই ঝামেলা মিটিয়ে নুতুন নির্বাচন কমিশন তৈরি করে নুতুন নির্বাচনের দিন ঘোষণা করা হবে। এতে নির্বাচন আর ৫-৬ মাস পিছিয়ে যাবে। শেষে ২০২৬ এর শেষের দিকে নির্বাচন এর দিন ঘোষণা করা হবে। তবে সেই দিনেও নির্বাচন হবে কিনা সন্দেহ। আওয়ামী লীগ কে নিষিদ্ধ করার জন্য আন্তর্জাতিক মহলে এই নির্বাচন কে সচ্ছ বলে ধরা হবে না। এটা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে চাপ সৃষ্টি করা হবে। ড ইউনুস হয়তো আবারও আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবেন যাতে হাসনাত, সরজিস্, নাহিদ রা আবারো ঝামেলা শুরু করে। এই ভাবে ২০২৬ এও নির্বাচন করা সম্ভব হবে না। হলে হয়তো ২০২৭ এ নির্বাচন হবে। তবে সেটা এখনই বলা যাবে না। হাসনাত, সরজিস্, নাহিদ রা যতটা সময় পার করতে পারবে তাদের তত ভালো। তারা তাদের দল কে দাঁড় করতে ততই বেশি সময় পাবে। এই মুহূর্তে নির্বাচন হলে তারা যে গোহারা হবে সেটা তারাও ভালো করে জানে। তাই নিজেদের দলের অবস্থা শক্ত করতে তাদের বেশি বেশি সময় লাগবে। এমনিতে পরোক্ষ ভাবে তারাই ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করছে। ড ইউনুস এর তাদের প্রতি দুর্বলতা আছে সেটা সবাই জানে। তিনি তাদের কথা শুনে চলেন। এটা বার বার প্রমাণিত হয়েছে। তাই হাসনাত, সরজিস্, নাহিদ দের দাঁড় করিয়েই ড ইউনুস বিদায় নেবেন।







