- এক হিন্দু সেলুনে আমি নিয়মিত চুল কাটাতাম। একদিন গিয়ে দেখি, যার কাছে আমি চুল কাটাই, সে নাই। ভাবলাম, হয়তো ছুটি নিয়েছে। কয়েকদিন পর আবার গেলাম—সেই ছেলেটা আবারো নাই।
জিজ্ঞেস করলাম, “ভাই, ও কই?”
একজন শান্তভাবে বললো, “স্যার, ও তো কেদারনাথ গেছে।”
আমি হালকা হেসে বললাম, “আচ্ছা, কবে আসবে?”
উত্তর দিলো, “আরো তিন-চার মাস লাগবে ভাই।”
এইবার আমার মাথা খারাপ হয়ে গেলো। কেদারনাথ আবার কত দূর! বাসায় ফিরে একটু রিসার্চ করলাম। দেখি, কেদারনাথ যাত্রা সাধারণত ১১ দিন, কেউ কেউ ১৫ দিনেও শেষ করে ফেলে। তাহলে এই চার মাসের রহস্য কী?
জানতে জানতেই গায়ের লোম দাঁড়িয়ে গেলো—এটা শুধু ওই ছেলেটার না, বরং ওর মতো আরও বহু হিন্দু যুবক, বিশেষ করে ১৬ থেকে ৩০ বছরের ছেলেরা, কেদারনাথ যাচ্ছে মাস তিনেক বা চারেকের জন্য! পুরো ব্যয় দিচ্ছে হিন্দু সংগঠনগুলো বা বিভিন্ন এনজিও।
আমার নিজ জন্মস্থান নওগাঁ জেলার দিকে খেয়াল করলাম, দেখি প্রায় সবাই গেছে বা যাওয়ার প্ল্যান করছে। একবার খোঁজ নিলেই দেখবেন, কোনো হিন্দু যুবকই নাই যে একবারও কেদারনাথ যায়নি। এরা সত্যিই কি শুধু তীর্থে যায়, নাকি অন্য কোনো উদ্দেশ্যে যাচ্ছে?
ভাই, ব্যাপারটা কিন্তু বেশ সিরিয়াস। এত লম্বা সময় ধরে একের পর এক যুবক বিদেশে যাচ্ছে, খরচও কেউ বহন করছে, অথচ আমাদের জানা নেই তারা আসলে কী করছে, কী শিখছে, কিংবা কী প্ল্যান করছে। এই বিষয়টা যাচাই করা এখন সময়ের দাবি। না হলে সামনে বড় কোনো বিপদের মুখে পড়তে পারি, আর তখন আফসোস করে লাভ হবে না।
(ছবিটা RSS এর ট্রেনিং ক্যাম্প থেকে নেওয়া)






