যখন বন্ধুত্ব হয়েছিলো তখন মানুষটিকে ভালোই মনে করেছিলেন। বেশ বন্ধুসুলভ আচরণ, হাসি ঠাট্টা করে দিনগুলো কেটে যাচ্ছিলো বেশ ভালোই। ঝামেলাটা হলো তখনই যখন আপনি বিপদে পরলেন। বিপদে পড়ে সেই বন্ধুটির সাহায্য চাইতেই দেখলেন খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না তাকে। আপনাকে রীতিমত এড়িয়ে চলছে আপনার সেই বন্ধুটি। অথচ তার বিপদে আপদে সবসময়েই আপনি পাশে থেকেছেন, নিজের সবটুকু দিয়ে সাহায্য করেছেন, কখনো হয়তো প্রয়োজনের চাইতে অনেকটাই বেশি করেছেন। কিন্তু তারপরেও কেন এই স্বার্থপরতা?
মানুষের স্বার্থপর স্বভাব মূলত নির্ভর করে বেড়ে ওঠার পারিবারিক পরিবেশ, আশেপাশের মানুষজন,পারিবারিক শিক্ষা সহ আরও অনেক কিছুর ওপরে। অনেক সময় যে ব্যক্তি স্বার্থপর আচরণ করে, সে নিজেও জানে না বা বুঝে উঠতে পারে না যে তিনি স্বার্থপর আচরণ করছেন। না বুঝে, মনের অজান্তেই সে হয়তো কষ্ট দিয়ে ফেলছেন কাছের কাউকে। অনেক সময় আবার জেনে বুঝেই এরা অন্য মানুষকে ব্যবহার করেন নিজেদের স্বার্থে। নিজেকে ছাড়া আর কাউকেই ভালোবাসেন না তারা। এইসব স্বার্থপর মানুষেরা আশেপাশের সবার জন্য অনেক বড় ক্ষতির কারণও হয়ে ওঠে।
তাই আসুন, জেনে নেয়া যাক স্বার্থপর বন্ধুদেরকে এড়িয়ে চলার ৪টি উপায়।
আত্ম উপলব্ধি
স্বার্থপর মানুষের সাথে বেশি সখ্যতা করা উচিত নয়। এমনকি না জেনে সখ্যতা করে ফেললেও ধীরে ধীরে দূরত্ব বাড়িয়ে দেয়া উচিত। কারণ স্বার্থপর মানুষেরা সখ্যতার সুযোগ নিয়ে উদ্দেশ্য হাসিল করে থাকে, সরলতার সুযোগ নিয়ে অন্যকে ব্যবহার করে থাকে নিজের স্বার্থে। তাদের কাছে কারো আবেগ অনুভূতি বা কষ্টের কোন মূল্য নেই। নিজের উদ্দেশ্য হাসিল করা হয়ে গেলেই এ ধরণের মানুষ খুব কৌশলে সরে পড়ে। আপনি যতই তাকে ভালো জানুন বা ভালোবাসুন না কেন, সে কখনোই আপনার দিকে আর ফিরে তাকাবে না। তাই ভদ্রতার খাতিরেও এই ধরনের মানুষের সাথে বন্ধুত্ব বজায় রাখা উচিত না। কারণ এতে নিজেরই অনেক বড় কোন ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।










