বুড়ো হয়ে যাচ্ছ বলে বিয়ে কোরো না।
বিয়ের বয়স হয়েছে বলেই বিয়ে কোরো না।
একাকীত্ব দূর করার প্রয়োজনে বিয়ে কোরো না।
আর্থিক সাহায্য-সহযোগিতা পাওয়ার ভাবনায় বিয়ে কোরো না।
অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছ বলে বিয়ে কোরো না।
তাকে হারাতে চাও না বলেই বিয়ে কোরো না।
পরিবার চাপ দিচ্ছে- এই কারণে বিয়ে কোরো না।
বিয়ে প্রথাটি তোমার পছন্দ বলেই বিয়ে কোরো না।
করুণা করে বিয়ে কোরো না, অন্যের করুণায় বিয়ে কোরো না।
পরিবারের প্রয়োজন মেটাতে বা চাপে বিয়ে কোরো না।
বিয়ের পোশাকে নিজেকে সাজানোর লোভে বিয়ে কোরো না।
সন্তানের আশায় বিয়ে কোরো না।
তোমার বন্ধুরা বিয়ে করে ফেলছে- এই চাপে বিয়ে কোরো না।
শারীরিক রূপের মোহে বিয়ে কোরো না।
শিক্ষা দেখেই বিয়ে কোরো না।
কৌতূহল ও ফ্যান্টাসি নিবৃত্ত করার জন্য বিয়ে কোরো না।
কিন্তু-
বিয়ে কোরো,
যদি তোমার বোধ জন্মায়- হ্যাঁ সংসার আমাকে অসম্পূর্ণ মানুষ থেকে পরিপূর্ণ মানুষে পরিণত করবে। এমন বোধ থেকে গড়া সংসারই এলোমেলো মানুষকে সুশৃঙ্খল করে।
অসম্পূর্ণ দু’টি জীবনের পরিপূরকতায় একটি সম্পূর্ণ জীবন যাপনই সংসার।
এ ছাড়া, উপরোল্লিখিত কারণগুলোর জন্য করা বিয়েটি একটি স্বার্থপর বাণিজ্যচুক্তি মাত্র।








