আব্দুল কাদের, বদলগাছী (নওগাঁ) প্রতিনিধি ঃ নওগাঁর বদলগাছী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভবনের ছাদের বিম ভেঙ্গে পড়ার আশঙ্কা, চিকিৎসা নিতে আসা রুগিদের আগেই জরুরী ভিত্তিতে ঝুকিপূর্ণ ভবনের চিকিৎসার প্রয়োজন। ঝুকিপূর্ন ভবনে চলছে চিকিৎসা সেবা। দেখে মনে হবে এটা হাসপাতাল নয় কোন পরিত্যক্ত ভবন। যখন তখন খুলে পড়ছে ছাদের পলেস্তারা। কখন কোথায় ছাদের পলেস্তারা খুলে পড়বে কেউ বুঝতে পারে না। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত সকলেই শঙ্কিত অবস্থায় ডিউটি পালন করে আসছে। চিকিৎসা নিতে আসা রুগিদের জীবন অনেক সময় ঝুকির মুখে পড়ে।
সরেজমিনে তদন্তকালে দেখা যায়, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একতালা ও দুতালার ছাদের পলেস্তারা খুলে খুলে পড়ছে। স্বচোখ্যে চিত্র দেখে মনে হয় ছেরা নাকড়া জোড়া তালি দিলে যে রকম চিত্র ফুটে উঠে হাসপাতাল ছাদের অবস্থা একই এবং ছাদের নিচের বিম ঝুকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ছাদ এবং বিমের রড জাং ধরেছে। ওয়ার্ড রুম থেকে শুরু করে সব খানের চিত্র বেগতিক। পরিবার পরিকল্পনা অফিসারের কক্ষে দেখা যায় তাঁর মাথার উপরে ছাদের নিচে বড় ধরনের পলেস্থারার চাপ খুলে পড়ার উপক্রম হয়ে আছে। তাঁর অফিস থেকে বের হলেই মুল প্রবেশ পথে চোখে পড়ে ছাদ এবং বিমের পলেস্তারা খুলে পড়েছে। রডে জাং (মরিচা) ধরায় ঝুকিপূর্ন বিম ভেঙ্গে পড়ার আশঙ্কা। এ জায়গার অবস্থা খুবই মারাত্মক ঝুকিপূর্ন। এরপর চোখে পড়ে পুরো হাসপাতাল মুল ভবনের চিত্র সবখানে একই অবস্থা। আবু জর গিফারীসহ স্থানীয় লোকজন জানায় প্রায় ৪ বছর পূর্বে হাসপাতাল সংস্কার করা হয়েছে। এর মধ্যে ছাদে এতো পুটিং দেওয়া হয়েছে। ছাদের দিকে তাকালে মনে হবে কালো কালো আকাশের তারা ফুটে বের হয়েছে। এ ছাড়া অসংখ্য স্থানে খুলে পড়ার উপক্রম হয়ে পড়েছে। হাসপাতালের প্রধান সহকারী মোঃ আব্দুস সালাম জানায় পলেস্তারা খুলে পড়ার কারনে অনেকে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। একদিন অল্পের জন্য আমি রক্ষা পেয়েছি। অনেক বড় একটি চাপ আমার মাথার উপরে পড়ত। আতঙ্কে নার্সরা ছুটে আসে আমার কাছে। জানতে চাইলে পরিবার পরিকল্পনা অফিসার সুবোধ কুমার আচার্য বলেন নিজেই ঝুকি নিয়ে অফিস করি। কখন যে মাথার উপর খুলে পড়ে বলতে পারব না। আপনি তো নিজেই দেখছেন পরিস্থিতি। আমি বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবগত করেছি। এ বিষয়ে উপজেলা প: প: ও স্বাস্থ্য কর্মকর্মকর্তা ডাঃ কানিস ফারহানা বলেন আমরা খুব বিপদে আছি। সংস্কারের জন্য বারবার চাহিদা দিয়ে চিঠি দিয়েছি কর্তৃপক্ষকে। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মোঃ গোলাম আজম জানান সংস্কারের জন্য চাহিদা দিয়েছি। অনুমোদন পেলে আশা করি চলতি অর্থ বছরেই কাজটি করা যারে। তবে এক জায়গায় সংস্কার করলে পরবর্তীতে আরেক জায়গায় খুলে পড়ে। সংস্কার করে ভালো ফল হবে না। বদলগাছীসহ জেলার কয়েকটি হাসপাতালের অবস্থা খুবই খারাপ। রড জাং ধরেছে, ভবন ডামেজ হয়েছে। পুরাতন ভবন ভেঙ্গে নতুন করে নির্মান না করলে সমস্য দুর হবে না। এ বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে।
নলডাঙ্গা থানার নবাগত ওসির শুভেচ্ছা বার্তা
নলডাঙ্গা থানার নবাগত ওসির শুভেচ্ছা বার্তা মোঃ রবিউল ইসলাম নলডাঙ্গা(নাটোর) সংবাদদাতা নাটোরের নলডাঙ্গা থানার নবাগত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মনোয়ার জাহান...








