আব্দুল কাদের, বদলগাছী (নওগাঁ) প্রতিনিধি ঃ ঐতিহাসিক পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার অত্যাধুনিক সংযোগ সড়ক নিমার্নে জমি অধিগ্রহন প্রক্রিয়া শেষ করে নওগাঁ সড়ক ও জনপদ বিভাগকে জমি হস্তান্তর করলেন জেলা প্রশাসক। মঙলবার ১০টার পর আনুষ্ঠানিক ভাবে পাহাড়পুর গোয়ালভিটা মোড়ে মাটিতে দাগ কেটে জায়গা বুঝিয়ে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠান স্থলে কৃষকরা অভিযোগ করলেন আমাদের জমি অধিগ্রহনের টাকা এখনো বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। নিমার্ন কাজ শুরুর পূর্বে কৃষকরা তাদের জমির মূল্য বুঝিয়ে দেওয়ার দাবী জানান। পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার কতৃর্পক্ষ জানায় বিশ^ ঐতিহ্যের অন্তরভূক্ত ঐতিহাসিক পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার জাদুঘর। বিহারে যেতে হলে পাহাড়পুর বাজার মোড় থেকে বিহার পর্যন্ত অঁাকা বাঁকা সরু সংযোগ পথে পথচরীসহ দর্শনাথীরা যে দুভোর্গের শিকার হয়। আধুনিক সড়ক নিমার্ন কাজ শেষ হলে যোগাযোগে বিহারের সঙ্গে এক ভিন্নমাত্রা যোগ হবে। জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকতার্ মোহাইমিনুল ইসলাম মামুন নওগাঁ সড়ক ও জনপদ বিভাগের নিবার্হী প্রকৌশলী রাশেদুল হক এর নিকট জমির অধিগ্রহণের কাগজপ্রত্র তুলে দেন। এ সময় নিবার্হী প্রকৌশলী রাশেদুল হক বলেন পাহাড়পুর একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন এলাকা। যোগাযোগের কোন ভালো ব্যবস্থা নেই। একটি আঁকা বাঁকা সরু পথ রয়েছে। দর্শনার্থীদের দুভোর্গ পোহাতে হয়। অত্যাধুনিক এই সড়ক নিমার্ন হলে দুর্ভোগ থাকবে না। নিমার্ন হবে বিহার হইতে ৫৫০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৩৫ ফুট প্রস্থ আধুনিক এই সড়কের পাশে থাকবে লেক, গোয়াল ভিটা মোড়ে হবে গোলচত্ত্বর, পাহাড়পুরের আদলে সড়কের দুপাশে নিমার্ন হবে দৃষ্টি নন্দন ফুটপাত, দুপাশে সোলার লাইটিং ব্যবস্থা, মুক্ত মঞ্চ, পাবলিক টয়লেট, গাড়ি পার্কিং, পাবলিক বিশ্রামাগার নিমার্ন হবে। সড়ক নিমার্নের ফলে শুধু এই এলাকা, জেলা বা দেশ নয় সারা বিশ^ থেকে আসা দর্শনার্থী পর্যটকরা এর সুফল পাবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) পলাশ উদ্দিন, উপসহকারী বিভাগীয় প্রকৌশলী নুরে আলম সিদ্দিকী, কাষ্টোডিয়ান ফজলুল করিম আজুর্।
কাষ্টোডিয়ান ফজলুল করিম আর্জু জানান সড়ক নিমার্ন হলে এই এলাকার চিত্র পাল্টে যাবে সড়কের দুপাশে গড়ে উঠবে দোকানপাট, ব্যবসা ব্যণিজ্য। এলাকার উন্নয়ন ঘটবে।
নলডাঙ্গা থানার নবাগত ওসির শুভেচ্ছা বার্তা
নলডাঙ্গা থানার নবাগত ওসির শুভেচ্ছা বার্তা মোঃ রবিউল ইসলাম নলডাঙ্গা(নাটোর) সংবাদদাতা নাটোরের নলডাঙ্গা থানার নবাগত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মনোয়ার জাহান...








