চায়নায় লাস্ট ৮ দিনে বড়জোর দুইটা ওষুধের দোকান চোখে পড়েছে। সেদেশে মানুষের রোগ বালাই খুব কম হয়। আমাদের দেশে বর্তমানে মুদি দোকানের চেয়ে ফার্মেসি বেশি। রুগী এবং ডাক্তার (ওষুধের দোকানদার সহ) সমান সমান।
চাইনিজদের ৫টা অভ্যাস আছে, যা তাদের রোগমুক্ত রাখে।
১। তারা কোন ঠাণ্ডা পানি খায় না, সব সময় গরম পানি পান করে।
২। সুগার বিক্রি হতে দেখিনি, এমনকি হোটেলের বুফেতেও চিনি দেয় না। আমরা পাইনি। একটা জায়গায় পেয়েছিলাম, সেটাও ব্রাউন সুগার ছিলো।
৩। রাতের খাবার ৭টার ভিতর কমপ্লিট। ১০টার পর কোথাও কোন রেস্তোরা খোলা পাওয়া যাবে না।
৪। সবাই মোটামুটি আর্লি রাইজার। ৬টা থেকে ৯টার ভিতর বুফে ব্রেকফাস্ট খেতে হবে। এরপর সকালের খানা বন্ধ। আমাদের কারো কারো ঘুম তখনও ভাঙতেই চায় না।
৫। চায়নায় আমাদের দেশের মতো টেসলা নেই। মুটামুটি ২-৩ কিলো পরিমাণ ডিস্টেন্স কভার করার জন্যে হাটা বা সাইকেল ছাড়া আর কোন অপশন নেই।
আমি এখান থেকে একটা টেক অ্যাওয়ে নিয়েছি। সন্ধ্যা ৭টার আগে রাতের খাবার খেয়ে ফেলবো, এরপর আর কিছু খাবো না। সুস্থতা এবং ফিটনেস জার্নিতে আমার জন্যে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ সকালে ওঠা।
যেহেতু ফিটনেস আমার টপ প্রায়োরিটি, কাজেই এটা যে কোন ভাবে হোক ঠিক করতে হবে। যদিওবা এটা কথিত সমাজ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার মতো।
— Niaz Ahmed








