তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীর তানোরের সরঞ্জাই উচ্চ বিদ্যালয়ে জনবল নিয়োগকে কেন্দ্র সভাপতি-প্রধান শিক্ষক ও সদস্যদের মধ্যে ত্রিমুখী দন্দ প্রকাশ হয়ে পড়েছে। এতে স্কুলের পাঠদান ব্যাহত ও পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বিরাজ করছে বিস্ফোরণমুখ পরিস্থিতি। জানা গেছে, বিগত ২০২১ সালে প্রথম ও ২০২২ সালের ১৩ মার্চ তৃতীয়বার সরঞ্জাই স্কুলে আয়া, নৈশপ্রহরী, অফিস সহায়ক ও ল্যাবএ্যাসিষ্ট্যান্ট এই চারটি পদে জনবল নিয়োগের জন্য অপ্রচলিত পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও সব পত্রিকা নিজেরা নিয়ন্ত্রণ করায় কেউ জানতে পারেনি বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা বলেন, প্রতিটি পদে ৮ জন আবেদন করেছেন যার মধ্যে ৭জন করে ডামি রয়েছে। ইতমধ্যে চারটি পদের বিপরীতে প্রায় ৮০ লাখ টাকা হাতবদলের গুঞ্জন উঠেছে।
স্থানীয়রা জানান, বিজ্ঞপ্তি প্রকাশেও ছলনার আশ্রয় নেয়া হয়েছে, প্রথমবার এক হাজার টাকার ব্যাংকড্রাফ চাওয়া হয়, আবার পরের বার ৫শ’ টাকার ব্যাংকড্রাফ চাওয়া হয়, তবে প্রার্থীদের বয়সের কথা উল্লেখ করা হয়নি।তারা বলেন, বিজ্ঞপ্তিতে একেক বার এক রকমের শর্ত দিয়ে চাকরি প্রত্যাশীদের বিভ্রান্ত করা হয়েছে। আবার অনেকে বলছে, পচ্ছন্দের প্রার্থীর চাকরি নিশ্চিত করতে প্রথমে এক হাজার টাকার ব্যাংকড্রাফ চাওয়া হয় এতে নিরুৎসাহিত হয়ে কেউ আবেদন করেনি। পরবর্তীতে পচ্ছন্দের প্রার্থীদের আবেদন করাতে ৫শ’ টাকার ব্যাংকড্রাফ চাওয়া হয়।
এদিকে ২৮ মার্চ সোমবার প্রার্থীদের আবেদনপত্র যাচাই-বাছাইয়ে কমিটির সভা আহবান করা হয়। কিন্ত্ত নিয়োগ পক্রিয়ায় অনিয়ম ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ তুলে পুনঃরায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে নিয়োগের দাবিতে অভিভাবক সদস্য বাবু সরকার, আব্দুর রাজ্জাক, বেলাল উদ্দিন ও আফসার আলী রেজুলেশনে স্বাক্ষর না দিয়ে সভা বয়কট করেন। অভিভাবক
সদস্য আব্দুর রজ্জাক বলেন, যাচাই-বাছাই সভায় তারা রেজুলেশনে স্বাক্ষর না দিয়ে সভা বয়কট করেছেন। বাবু সরকার বলেন, নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম করা হয়েছে, তারা পুনঃরায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও নতুন করে নিয়োগ পক্রিয়া সম্পন্ন করার দাবি করেন। এবিষয়ে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও স্কুলের সভাপতি আলহাজ্ব সাইদুর রহমান সরকার ও আবু সাঈদ এবং প্রধান শিক্ষক আব্দুল হান্নানের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এবিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।








