নতুন বছর ২০২৬ সালের শুরুতে সোনায় আগ্রহ বাড়ছে বিনিয়োগকারীদের। বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কারণে শুক্রবার নতুন বছরের শুরুতে মূল্যবান ধাতুগুলো শক্ত অবস্থান নেয়। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে থেকে এ তথ্য জানা যায়।
প্রধান শক্তিগুলোর মধ্যে উত্তেজনা এবং যুক্তরাষ্ট্রে সুদহার কমার প্রত্যাশা বুলিয়নে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ানোয় বছর শেষের পতন থেকে ঘুরে দাঁড়ায় এই ধাতুগুলো।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) নাগাদ স্পট মার্কেট সোনার দাম ১.৭% বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৮৭.৫৮ ডলারে পৌঁছায়। যা বুধবারের দুই সপ্তাহের সর্বনিম্ন স্তর থেকে ঘুরে দাঁড়ানো। এর আগে ২৬ ডিসেম্বর এটি সর্বকালের রেকর্ড উচ্চতা ৪ হাজার ৫৪৯.৭১ ডলারে উঠেছিল। ফেব্রুয়ারি ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সোনা ফিউচার ১.৩% বেড়ে দাঁড়ায় প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৯৯.২০ ডলারে।
এফএক্সটিএম-এর সিনিয়র রিসার্চ অ্যানালিস্ট লুকমান ওতুনুগা বলেন, “২০২৫ সালের শেষ কয়েক দিনে মুনাফা তুলে নেওয়ার পর মূল্যবান ধাতুগুলো ২০২৬ সাল শুরু করেছে দৃঢ় ইতিবাচক ধারায়। ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি ও এ বছর যুক্তরাষ্ট্রে সুদহার কমার আশার কারণে বুলরা নতুন শক্তি পাচ্ছে।”
২০২৫ সালে সোনার দাম ৬৪% বেড়েছে, যা ১৯৭৯ সালের পর সর্বোচ্চ বার্ষিক বৃদ্ধি। এর পেছনে ছিল ফেডের সুদহার কমানো, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর শক্তিশালী ক্রয় এবং ইটিএফ ধারণ বৃদ্ধির প্রবণতা।
ইউবিএস-এর বিশ্লেষক জিওভান্নি স্টাউনোভো বলেন, “২০২৬ সালে সোনার দাম আরও বাড়বে বলে আমরা আশা করছি। আমাদের লক্ষ্য প্রতি আউন্স ৫ হাজার ডলার। এর পেছনে থাকবে নিম্ন প্রকৃত সুদহার, চলমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক উদ্বেগ এবং যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নীতিগত অনিশ্চয়তা।
এদিন স্পট মার্কেটে রুপা দাম ৩.৪% বেড়ে প্রতি আউন্স ৭৩.৭১ ডলারে পৌঁছায়। সোমবার সর্বকালের সর্বোচ্চ ৮৩.৬২ ডলার পৌঁছেছিল। একই সময়ে প্লাটিনাম ৩.৩% বেড়ে দাঁড়ায় প্রতি আউন্স ২,১২১.৩৮ ডলারে। যা সোমবারের সর্বকালের উচ্চতা ২ হাজার ৪৭৮.৫০ ডলারের পৌঁছেছিল।
এদিকে প্যালাডিয়াম ১.৯% বেড়ে প্রতি আউন্স ১ হাজার ৬৩৬.১৯ ডলারে ওঠে।







