গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ওয়াপদার বাঁধের গাছ নিয়ে হরিলুট
কারবার শুরু হয়েছে। এ অবস্থা দেখে মনে হয় যে দেখার কেউ নেই। সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তিস্তা নদীর
বন্যা নিয়ন্ত্রণ ওয়াপদা বাঁধের উন্নয়ন কাজ ইতি পূর্বে শুরু হয়েছে। চন্ডিপুর ইউনিয়নের
কামারের ভিটা থেকে শ্রীপুর ইউনিয়নে শেষ সীমানা গোয়াল বাড়ী পযর্ন্ত প্রায় ৮কিলোমিটার
ওয়াপদা বাঁধের দুই ধারের বিভিন্ন প্রজাতির ছোট বড় হাজার-হাজার গাছ কোন ট্রেন্ডার না
দিয়ে সরকারি নিয়ম ভঙ্গ করে পানি উন্নয়ন বোর্ডে এস ও হোসাইন শাখা কর্মকর্তার
যোগসাযোসে ঠিকাদারের লোকজন অবৈধভাবে গাছ কেটে হরিলুট করে নিয়ে যাচ্ছে।
জনসাধারণের ভাষ্য মতে বাঁেধর দুই ধারে ৫০ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের গাছ ছিল। চন্ডিপুর ইউনিয়নের
মাল ভাঙ্গা নামক স্থানে গিয়ে দেখা যায়, ৩টি বৃহৎ শিমুল গাছ কর্তন করছে শ্রমিকরা। গাছ
কাটার নিয়োজিত শ্রমিক নয়ন মিয়া বলেন, ঠিকাদারের দৈনিক মজুরির বিনিময়ে কাজ করছি।
ঠিকাদারের লোক পারভেজ বলেন, রাস্তা নির্মাণের স্বার্থে কাজ কর্তন করছি। ঠিকাদার মেহেদি
হাসান বলেন, গাছ কেটে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অর্থ দেয়া হয়। এলাকাবাসী জানে না কোন
প্রতিষ্ঠানে অর্থ দেয়া হয়েছে। ইউপি সদস্য সোহানুর রহমান রঞ্জু বলেন, মসজিদের কথা বলে তারা
গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল মারুফ বলেন, বিষয়টি
আমার জানা নেই। তবে স্থানীয় ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তাকে দেখার জন্য নির্দেশ দিচ্ছি।
এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডে নির্বাহী প্রকৌশলী আবু রায়হান বলেন, গাছ কাটা ট্রেন্ডার
হয়নি। গাছ কাটার বিষয়টিও তিনি জানে না। সরকারী নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে যেভাবে
সরকারি গাছ কেটে হরিলুট করা হচ্ছে দেখে মনে হয় দেশে কোন আইন নেই।
পলাশবাড়ী উপজেলায় গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার এলাকায় চাঞ্চল্য
পলাশবাড়ী উপজেলায় গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার এলাকায় চাঞ্চল্য মোঃ আশরাফুল ইসলাম আকন্দ স্টাফ রিপোর্টার গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় সাবেক ইউপি...








