শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে শেষবারের মতো স্ত্রী ও সন্তানকে এক নজর দেখতে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় যশোর কারাগারের জেলগেটে। তবে স্থানীয় এলাকাবাসী এ মৃত্যুকে রহস্যজনক বলে দাবি করছেন। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা রিবা বেগমসহ অনেকে জানান, হাসি-খুশির একটি পরিবার মুহূর্তেই শেষ হয়ে গেছে। এমন মৃত্যু তারা মেনে নিতে পারছেন না। তাদের ভাষ্য, এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা নিয়ে রহস্য রয়েছে। তারা সঠিক তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি জানান।
মৃত কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালীর ভাই শুভ হাওলাদার বলেন, আমার বোনের স্বামী সাদ্দামের প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে আমরা মৌখিকভাবে বাগেরহাট জেলা প্রশাসনকে জানিয়েছিলাম।
বাগেরহাট জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, যেহেতু সাদ্দাম যশোর কারাগারে রয়েছেন, প্যারোলে মুক্তির বিষয়টি যশোর জেলা প্রশাসনের এখতিয়ার। এ বিষয়ে আমাদের করার কিছু নেই।
বাগেরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুম খান বলেন, সাদ্দামের স্ত্রী ও সন্তানের মৃত্যুর ঘটনায় বাগেরহাট সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা ও একটি অপমৃত্যুর মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। নিহত কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালীর বাবা রুহুল আমিন হাওলাদার বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। এ ছাড়া পুলিশ বাদী হয়ে একটি অপমৃত্যুর মামলা করেছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার বাগেরহাটে ৯ মাসের শিশু সন্তান নাজিম হোসেনকে পানিতে চুবিয়ে হত্যার পর ঝুলন্ত অবস্থায় মা কানিজ সুর্বণা স্বর্ণালীর লাশ উদ্ধার করা হয়। তারা বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দামের স্ত্রী ও সন্তান। তিনি বর্তমানে বিভিন্ন মামলায় কারাগারে রয়েছেন।







