বিয়ের পর ছেলেরা আর বাইরে খেতে পারে না। বউ এর হাতের রান্না ছাড়া অন্য খাবার তাদের পেটে সহ্য হয় না। ওদিকে মেয়েরাও কম নয়। তাদেরও এই রোগ হয়। দেখা গেল শাশুড়ির সামনেই বলে ফেলে- আম্মা ওকে ওটা দেবেন না। ওর পেটে সহ্য হয় না। এই দরদে স্বামী বেচারার চোখ ভিজে আসে।
যেন জন্মের পর থেকে স্ত্রী তাকে রান্না করে খাওয়াতো।
আজ এক ভাইকে বললাম, আসেন মিষ্টি খাই আমরা। তিনি দিন বিশেক আগে বিয়ে করেছেন।
বললেন, একচুয়ালি বাইরে খাওয়া বাদ দিয়েছি ভাইডি। আমি জাস্ট বাসায় তোমার ভাবির হাতের রান্না পায়েসটা খাই মিষ্টি হিসেবে।
ওদিকে এক আপু সেদিন বলল- আরে আমিতো বাজারে কোনো কিছুর দাম ঠিকভাবে করতেই পারি না। খালি বেশি বলে ফেলি। তোর দুলাভাইই দব কেনাকাটা করে।
অথচ ওই আপুর বিয়ে হয়েছে মাস খানেক হবে হয়তো।
মনে আছে এই আপু ২০০ টাকার জিনিস ১০ টাকা থেকে দাম বলা শুরু করতো নিউমার্কেটে।
সেদিন আরেক ভাইকে বললাম, ভাই চলেন চা খাই। ভাই একধাপ বাড়িয়ে বললেন, চা বিড়ি খাওয়া ক্ষতিরে ভাই৷ তোর ভাবি একদম পছন্দ করে না। আচ্ছা দাঁড়া তোর ভাবিকে ইনফর্ম করি। ও আবার চা বানিয়ে অপেক্ষা করবে নইলে।
ভাইটার বিয়ে হইছে তেরোদিন হয়। অথচ ভাইটা ক্লাস টেনে থাকতে গা/জায় টান না দিলে পরীক্ষার হলে যেতে পারতো না।
যাইহোক, এসব বলে আমার কি লাভ। আমি আবার ইদানীং বউকে না দেখিয়ে কিছু পোস্ট দেই না।
(কল্পিত)
-আলী ইমরান








