আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে প্রবাসী ভোটার এবং নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে পোস্টাল ব্যালট পদ্ধতিতে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, ডাকযোগে ভোটদানের মাধ্যমে ইতিমধ্যে পাঁচ লাখেরও অধিক প্রবাসী তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন সংক্রান্ত ‘ওসিভি-এসডিআই’ প্রকল্পের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নির্বাচন কমিশন এসব তথ্য প্রকাশ করেছে।
কমিশন সূত্রে জানা গেছে, বিশ্বের নানা দেশে বসবাসরত বাংলাদেশি ভোটারদের কাছে মোট ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২টি পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৫ লাখ ২৮ হাজার ২৩৩টি ব্যালট প্রবাসী ভোটাররা গ্রহণ করেছেন। গ্রহণকৃত ব্যালটের মধ্যে ৫ লাখ ১২ হাজার ৯১৬ জন প্রবাসী ইতোমধ্যে ভোট প্রদান সম্পন্ন করেছেন।
ভোটদানের পর এসব ব্যালট দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য ৫ লাখ ২ হাজার ৪৮৭ জন প্রবাসী সংশ্লিষ্ট পোস্ট অফিসে ব্যালট জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তারা এখন পর্যন্ত ৪ লাখ ১৯ হাজার ৯১৯টি পোস্টাল ব্যালট গ্রহণ করেছেন।
একইভাবে, দেশের অভ্যন্তরে নির্বাচনী কার্যক্রমে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্যও পোস্টাল ব্যালট বিতরণ করা হয়েছে। কমিশনের তথ্যমতে, দেশের মধ্যে মোট ৭ লাখ ৬০ হাজার ৮৯৮টি ব্যালট পাঠানো হয়। এর মধ্যে ৫ লাখ ৮০ হাজার ৮৪১ জন ভোটার ব্যালট হাতে পেয়েছেন।
এই শ্রেণির ভোটারদের মধ্যে ৫ লাখ ৩৪ হাজার ৩৭৬ জন ভোট প্রদান করেছেন। ভোট দেওয়ার পর ৫ লাখ ৪০৮টি ব্যালট পোস্ট অফিসে জমা পড়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তারা এখন পর্যন্ত ৩ লাখ ১০ হাজার ১৫৪টি ব্যালট গ্রহণ করেছেন।
নির্বাচন কমিশন মনে করছে, পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থার ফলে প্রবাসীসহ দায়িত্বপ্রাপ্ত ভোটারদের অংশগ্রহণ নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি এনেছে। বিশেষ করে প্রবাসীদের অংশগ্রহণের হার এর আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি বেড়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মত প্রকাশ করেছেন।
এদিকে, নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সারাদেশে একযোগে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে নির্বাচন ও গণভোটের সব কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।







