রংপুর ব্যুরো: গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী গাইবান্ধা জেলার নায়েবে আমির অধ্যাপক মাজেদুর রহমান মাজেদকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। গত ২১ ফেব্রুয়ারি শনিবার দুপুর ২টার দিকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের সীচা শুভজান মহিলা আলিম মাদ্রাসা হলরুমে কঞ্চিবাড়ি, চন্ডিপুর, হরিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের উদ্যোগে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কাপাসিয়া ইউনিয়ন শাখার আমির হারুন অর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সুন্দরগঞ্জ উপজেলা শাখার আমির শহিদুল ইসলাম(মঞ্জু), সেক্রেটারি মাওলানা শামিউল ইসলাম, জামায়াতে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা শাখার পেশাজীবী বিভাগের সভাপতি ও চন্ডিপুর ইউনিয়ন শাখার ভারপ্রাপ্ত আমির সাজ্জাদ হোসেন আমুস, বেলকা ইউনিয়ন শাখার আমির. হরিপুর ইউনিয়ন শাখার আমির আব্দুর রাজ্জাক, শ্রীীপুর ইউনিয়ন শাখার আমির মাওলানা তাওহিদুল ইসলাম, কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়ন শাখার আমির মাওলানা সাজ্জাদুর রহমান, জুলাই যোদ্ধা আশানুর রহমান প্রমুখ। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য অধ্যাপক মাজেদুর রহমান মাজেদ বিপুল ভোটে তাকে নির্বাচিত করায় উপজেলার সর্বস্তরের জনগণের প্রতি ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানান। তিনি এলাকার উন্নয়ন, শিক্ষা ও সামাজিক অগ্রগতিতে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে কঞ্চিবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সেলিম রেজা বলেন, মাদক নির্মল করে যুব সমাজকে রক্ষা করতে এলাকার জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ইউনিয়নের নেতাকর্মী, সমর্থক ও সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন।
তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী
রংপুর ব্যুরো: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, শুধু ৫ আগস্ট নয়, যে কোনো ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার মামলা করতে পারবে। মামলা করার অধিকার তারা রাখে। কারো সঙ্গে অন্যায় হলে যে কেউ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আশ্রয় নিতে পারে। আজ ২৩ ফেব্রুয়ারি সোমবার দুপুরে রংপুর বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে মতবিনিময় সভা শেষে ‘গণঅভ্যুত্থানে নিহত পুলিশ সদস্যদের পরিবার মামলা করতে পারবেন কিনা’ সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রসঙ্গে আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, তিস্তা আন্দোলনের সঙ্গে আমি জড়িত। তিস্তাপাড়ের সন্তান আমি। রংপুরের ২ কোটি মানুষের আকাঙ্খা তিস্তাকে ঘিরে। আমরা সবেমাত্র সরকার গঠন করেছি। ইতিমধ্যে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দুই মন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে। মন্ত্রী আরও বলেন, বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তিস্তা নিয়ে কিছু প্রকল্প গ্রহণ করেছিল। তিস্তার বুকে আর কোনো বিক্ষিপ্ত প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে না। আমরা সমন্বিত প্রকল্পের মাধ্যমে তিস্তা নদী শাসন, খনন, তিস্তাপাড়ের মানুষের দাবি বাস্তবায়ন করবো। প্রশাসনকে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণসহ বিদ্যুৎ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারী সরকারি আদেশ প্রতিপালন করবেন। আমরা রমজানকে ঘিরে দ্রব্যমূল্যের দাম নিয়ন্ত্রণ, বিদ্যুতকে স্বাভাবিক রাখা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও মাদক নির্মূলকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছি। বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে নানা ঘাটতি রয়েছে। সেইসঙ্গে দেশের অন্য বিভাগের চলমান কিছু প্রকল্প রংপুর বিভাগে অন্তর্ভুক্ত হয়নি। আমরা সেটা অন্তর্ভুক্ত করতে চাই। মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, ভবিষ্যতে রংপুর যাতে বাজেটে কোনো বৈষম্যের শিকার না হয় সেদিকে খেয়াল রাখা হবে। বিএনপি জনবান্ধব রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি জনবান্ধব সরকার। সরকার জনগণের দাবি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে স্বল্প সময়ের ভেতরে বাস্তবায়ন করবে। রংপুর অঞ্চল খাদ্য উৎপাদনে ভালো ভূমিকা রাখে। এখানকার শ্রম সস্তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো। তাই অন্য অঞ্চলের মতো রংপুর বিভাগেরও সমহারে উন্নয়ন হবে। শিল্পকলকারখানা নির্মাণ করে রংপুরকে এগিয়ে নেওয়ার কথা জানান তিনি। এর আগে, বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সভাকক্ষে রংপুর বিভাগের আট জেলার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও অন্যান্য কর্মকর্তাগণের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী। সভায় উপস্থিত ছিলেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার শহিদুল ইসলাম, রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি আমিনুল ইসলাম, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মজিদ আলী, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল আহসানসহ অন্যান্য কর্মকর্তাগণ।







