গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় এক ব্যক্তি দু’টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানের দায়িত্ব পালন করছে। ঘটনাটি প্রকাশ হওয়ায় এলাকা চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়েছে। জানা যায়, সুন্দরগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ ধুমাইটারি গ্রামের মৃত কেতাব আলীর পুত্র মাওলানা আবুল হোসাইন কয়েক বছর ধরে সুন্দরগঞ্জ সদর বহুমুখি কারিগরি দাখিল মাদ্রাসায় সুপারিনটেনডেন্ড হিসাবে দায়িত্ব পালন করে সরকারী অংশের বেতন ভাতা উত্তোলন করে আসছে। এরই মধ্যে গত ২০২১ সালের জুন মাসের ২১ তারিখে উপজেলার চন্ডিপুর আলহাজ¦ গেন্দা মরিয়ম সিনিয়র আলীম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হিসাবে নিয়োগ প্রাপ্ত হয়ে একই সালের ২২ জুন যোগদান করেন। চন্ডিপুর মাদ্রাসায় দায়িত্ব পালন করা কালীন সময়ে সুন্দরগঞ্জ সদর কারিগরি বহুমুখি দাখিল মাদ্রাসার প্রধান হিসাবে সরকারী অংশের বেতন-ভাতা উত্তোলন করেন তিনি। তার ব্যাংক হিসাব নং-০০২০৩২১৯৫। অপরদিকে তিনি অধ্যক্ষ হিসাবে চন্ডিপুর গেন্দা মরিয়ম আলিম মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন-ভাতা শীটে স্বাক্ষর করে বেতন-ভাতা প্রদান করে আসছে। সুপার আবুল হোসাইন কর্তৃপক্ষের চোখ ফাঁকি দিয়ে অসুস্থতা দেখিয়ে গত ২০২১ সালের জুলাই মাসের ২০ তারিখ থেকে এখন পর্যন্ত ছটি গ্রহণ করে সুন্দরগঞ্জ সদর কারিগরি বহুমুখি দাখিল মাদ্রাসায় অনুপস্থিত রয়েছে। অথচ তিনি চন্ডিপুর গেন্দা মরিয়ম আলিম মাদ্রাসায় সুস্থ শরীরে ২০২১ সালের জুন মাসের ২২ তারিখ থেকে অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করে আসছে। সুন্দরগঞ্জ সদর কারিগরি বহুমুখি দাখিল মাদ্রাসার এডহক কমিটির ২০২১ সালের জুলাই মাসের ২০ তারিখের রেজুলেশনে দেখা যায়, সুপার আবুল হোসাইন ও তার স্ত্রী ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি সমস্যার কারণে তাকে ছুটি দেয়া হয়। এ ব্যাপারে এলাকার খলিলুর রহমানসহ কয়েকজন সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট একটি অভিযোগ দায়ের করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অভিযোগটি তদন্ত করার জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে দায়িত্ব দেন। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার গত ৩০ মার্চ অভিযোগের তদন্ত করেন। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ের স্বারক নং-৩৭,১০,৩২৯১,০০০,০৮,০০১,২২/৮৬ এর মাধ্যমে এক প্রতিবেদন উপজেলা নির্বহিী কর্মকর্তার নিকট দাখিল করেন। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বহিী কর্মকতা আল মারুফ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন,চাকুরী বিধিমালা অনুযায়ী সরকারী, আধা-সরকারী, বেসরকারী, স্বায়ত্তশাষিত প্রতিষ্ঠানে একই ব্যক্তি লাভজনক দুইটি পদে চাকুরী করার বিধান নাই। সচেতন মহল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কোন খুটির জোড়ে মাওলানা আবুল হোসেন দুইটি প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করছেন। তিনি তো বহুরুপি শিক্ষক। কখনো একটি সিনিয়র মাদ্রসার অধ্যক্ষ আবার কখনো একটি দাখিল মদ্রাসার সুপার।
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর মধ্য দিয়ে জাতিসংঘ...







