সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
আগামীকাল ১০ এপ্রিল স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের ৫১তম বার্ষিকী। ১৯৭১-এর ১০ এপ্রিল মুজিবনগর থেকে বাংলাদেশের নির্বাচিত গণপ্রতিনিধিগণ ‘স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র’ ঘোষণা করেন। এই ঘোষণাপত্রের ভিত্তিতে ১০ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি, সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপরাষ্ট্রপতি এবং তাজউদ্দীন আহমেদকে প্রধানমন্ত্রী করে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হয়।
বাংলাদেশে স্বাধীনতাবিরোধী ও মৌলবাদী সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী বোধগম্য কারণেই সবসময়ই বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা ও স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অস্বীকার করে আসছে। ‘একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি’ গত ১৭ বছর ধরে ১০ এপ্রিল ‘স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র দিবস’ হিসেবে পালন করছে এবং সরকারের নিকট দাবি জানাচ্ছে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র, ’৭১-এর গণহত্যা তথা মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক সত্য অস্বীকারকারীদের শাস্তির জন্য ইউরোপের বিভিন্ন দেশের ‘হলোকস্ট ডিনায়াল এ্যাক্ট’-এর মতো আইন প্রণয়ন করতে হবে। এ বিষয়ে আলোচনার জন্য আগামীকাল আমরা এক আন্তর্জাতিক ওয়েবিনারের আয়োজন করেছি।
আগামীকাল ১০ এপ্রিল ২০২২, রবিবার, দুপুর ২ টায় স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র দিবস উপলক্ষে নির্মূল কমিটির এই আন্তর্জাতিক ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত হবে। এই ওয়েবিনারের বিষয়: ‘স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা’। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় মাননীয় মন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট আ. ক. ম. মোজাম্মেল হক এমপি। সভাপতিত্ব করবেন ‘একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি’র সভাপতি লেখক সাংবাদিক শাহরিয়ার কবির।
সম্মানিত আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র এবং ’৭২-এর সংবিধানের অন্যতম রচয়িতা ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম, মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতাবিরোধী দক্ষিণ এশীয় গণসম্মিলনের সভাপতি বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, ১৯৭১: গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর-এর সভাপতি বঙ্গবন্ধু অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন, নির্মূল কমিটির সহসভাপতি শিক্ষাবিদ শহীদজায়া শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী, শহীদ ভাষাসৈনিক ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের পৌত্রী সমাজকর্মী আরমা দত্ত এমপি, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট রানা দাশ গুপ্ত, বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটারের সভাপতি সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুক্তিযোদ্ধা নাসির উদ্দীন ইউসুফ বাচ্চু, সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম-মুক্তিযুদ্ধ ’৭১-এর সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক হারুণ হাবীব এবং নির্মূল কমিটির কেন্দ্রীয় নেতা ব্যারিস্টার ড. তুরিন আফরোজ।







