যে-ই আসুক না কেন, সেদিন রাতে দরজা খোলা যাবে না।
ঠিক সেই দিনই ছেলেটির মা-বাবা এলেন এবং ভেতরে ঢোকার জন্য দরজায় কড়া নাড়লেন।
স্বামী-স্ত্রী একে অপরের দিকে তাকাল।
স্বামী তার মা-বাবার জন্য দরজা খুলতে চাইল, কিন্তু তখনই তার সেই শর্তের কথা মনে পড়ে গেল।
তাই সে দরজা খুলল না, আর তার মা-বাবা ফিরে গেলেন।
কিছুক্ষণ পরে মেয়েটির মা-বাবা এলেন এবং তারাও দরজায় কড়া নাড়লেন।
স্বামী-স্ত্রী আবার একে অপরের দিকে তাকাল এবং সেই শর্তের কথা মনে করল।
স্ত্রীর চোখে জল এসে গেল।
সে চোখের জল মুছতে মুছতে বলল—
“আমি আমার মা-বাবার জন্য এমন করতে পারব না।”
এবং সে দরজা খুলে দিল।
স্বামী কিছুই বলল না।
কিছুদিন পর তাদের দুইটি ছেলে সন্তান জন্ম নিল।
তারপর তৃতীয় সন্তান হিসেবে একটি মেয়ে জন্ম নিল।
মেয়ের জন্মের আনন্দে সেই স্বামী একটি বড় ও জাঁকজমকপূর্ণ পার্টির আয়োজন করল এবং তার সব বন্ধু ও আত্মীয়দের আমন্ত্রণ জানাল।
তার স্ত্রী তাকে জিজ্ঞেস করল—
“মেয়ের জন্মে এত বড় আয়োজন করলে কেন? এর আগে তো দুই ছেলের জন্মেও এমন কিছু করোনি!”
স্বামী খুব সহজ ও ভালোবাসার ভরা কথায় উত্তর দিল—
“কারণ, একদিন এই মেয়েটিই আমার জন্য দরজা খুলে দেবে।”
বেটিরা (মেয়েরা) সত্যিই খুব বিশেষ।
ছোট্ট মেয়েটি হয়তো কিছু সময়ের জন্য বাবার বাড়িতে থাকে, কিন্তু তার হৃদয় ও ভালোবাসা সারাজীবন তার মা-বাবার জন্যই থাকে। ❤️






