রংপুর বিভাগীয় প্রতিনিধি: গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বজরা কঞ্চিবাড়ী মজিদিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহ-সুপার গোলজার হোসেনের বিরুদ্ধে অসঙ্গতি সনদ দিয়ে চাকরি করার অভিযোগ উঠেছে। অসঙ্গতি সনদ দিয়ে চাকুরি করার বিষয়টি প্রকাশ হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, বজরা কঞ্চিবাড়ী মজিদিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহ-সুপার গোলজার হোসেনের দাখিল, আলিম , ফাজিল ও কামিল সনদপত্রে পর¯পরের মধ্যে মিল নেই। এছাড়াও তার জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যের সঙ্গেও এসব সনদের তথ্যের অমিল পাওয়া গেছে। এমনকি তার পিতার নামের ক্ষেত্রেও বিভিন্ন সনদে ভিন্নতা দেখা গেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। একইসঙ্গে মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীর এমপিও শীটেও সনদপত্র অনুযায়ী গড়মিল রয়েছে। এ বিষয়ে সহ-সুপার গোলজার হোসেনের নিকট মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি দাবি করেন, কর্তৃপক্ষ যথাযথ যাচাই-বাছাই করেই আমাকে নিয়োগ দিয়েছে। মাদ্রাসার সুপার শহিদুর রহমান বলেন, বিষয়টি ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিকে জানানো হয়েছে। যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ইব্রাহিম আলী সরকার বলেন, সহ-সুপার গোলজার হোসেনের কাছে বিষয়টি ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। তিনি সন্তোষজনক জবাব দিতে না পারলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এদিকে, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আতাউর রহমান বলেন, আমি বিষয়টি লোকমুখে শুনেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী এটি গুরুতর অপরাধ। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
পলাশবাড়ী উপজেলায় গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার এলাকায় চাঞ্চল্য
পলাশবাড়ী উপজেলায় গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার এলাকায় চাঞ্চল্য মোঃ আশরাফুল ইসলাম আকন্দ স্টাফ রিপোর্টার গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় সাবেক ইউপি...








