উচ্চশিক্ষা নেই কিন্তু নবীর সম্মানের প্রতি ভালোবাসা ছিলো আকাশ চুম্বি।যে ভালোবাসা তাকে ফাঁসির মঞ্চে তুলেছিল।
বলছিলাম ১৯২৯ সালের সেই কাঠ মিস্ত্রী ইলমুদ্দিনের কথা।
বর্তমান পৃথিবীতে বড্ড প্রয়োজন কাঠ মিস্ত্রি “ইলমুদ্দিনের” মতো একজন খাঁটি আশেকে রাসুলের।
যিনি,
১৯২৯ সালে প্রিয় রাসুল (ﷺ)-কে নিয়ে অবমাননাকরী “রঙ্গিলা রাসুল” বই প্রকাশ করার কারণে প্রকাশক রাজপালকে হত্যা করে ফাঁসির কাষ্ঠে উঠেছিলেন।
রাষ্ট্রের সকল এডভোকেটগণ তার পক্ষে, তারা বলল ইলমুদ্দীন তুমি বলবে, তখন তোমার মাথা ঠিক ছিল না;
কিন্তু, তিনি তা না বলে আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে বলল,“আমি স্বেচ্ছায় স্বজ্ঞানে তাকে হত্যা করলাম, কারণ সে রাসূল (ﷺ)-কে রাঙ্গিলা রাসূল বলেছে।
পরে যখন এডভোকেটগণ জিজ্ঞেস করলেন, তুমি এইভাবে বলেছ কেন? তিনি বলেন,
“আমাকে স্বপ্নে রাসূল (ﷺ) বলছেন, ইলমুদ্দীন তাড়াতাড়ি আসো আমি তোমার জন্য অপেক্ষায় আছি।”
তাঁর জানাজার ইমামতি করেছিলেন পৃথিবী বিখ্যাত বুজুর্গ আল্লামা জাফর আলী খাঁন।
খাটিয়া বহন ও লাশ দাফন করেছিলেন বিশ্ববিখ্যাত কবি আল্লামা ড. ইকবাল।
কবরে লাশ শায়িত কল্পে অশ্রুস্বজল নয়নে কবি ইকবাল আক্ষেপ করে বলেছিলেন,
“এই মুৰ্খ লোকটি আজ সকল শিক্ষিতদের ছাড়িয়ে গেলো।”







