গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: গাইবান্ধা সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ও বল্লমঝাড় ইউনিয়নের কয়েকটি এলাকায় একটি হাতির তান্ডবে জমির বোরো ফসলের ক্ষতি হয়েছে। গত ১৭ এপ্রিল রবিবার সকাল থেকে হাতিটি তান্ডব শুরু করে। ধানের শীষ বের হওয়া এসব বোরো ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় কৃষকগণ চরম বিপাকে পড়েছে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চেষ্টা করে হাতিটি নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেনি হাতির মালিক (মাহুত), ফায়ার সার্ভিস ও বন বিভাগের কর্মকর্তারা। এলাকাবাসী বলেন গত রবিবার সকালে গাইবান্ধা-নাকাই সড়কে হাতির মাহুত হাতিটিকে দিয়ে মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন আটক করে চাঁদা তুলছিল। এ সময় হঠাৎ হাতিটি মাহুতের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। রাস্তার পাশের ধানের জমি দিয়ে হাটতে থাকে। হাতিটির মালিক শত চেষ্টা করেও কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। হাতিটি সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রামচন্দ্রপুর, আকন্দপাড়া, তিনমাইল, মাঠেরপাড়সহ বেশ কয়েকটি এলাকার ধানের জমিতে তান্ডব চালাতে থাকে। হাতির এমন ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে আশেপাশের এলাকা থেকে শত শত মানুষ হাতিটি দেখার ভিড় করে। তিন মাইল এলাকার কৃষক রাজা মিয়া বলেন, সদ্য শীষ বের হওয়া ধানের জমিতে নেমে যেভাবে হাঁটাহাটি করছে। তাতে অনেক ধানের ক্ষতি হয়েছে। হাতিটি যে দিক দিয়ে যাচ্ছে সেখানকার ধান গাছগুলো নষ্ট হচ্ছে। গাইবান্ধা ফায়ার স্টেশনের স্টেশন অফিসার নাসিম রেজা নিলু বলেন, সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের বালুয়া নামক এলাকার পাশে ঠাকুরবাড়িতে প্রতি বছর বৈশাখী মেলা হয়। যার নাম ঠাকুরবাড়ি মেলা। বগুড়া থেকে ওই মেলায় খেলা দেখানোর জন্য হাতিটিকে নিয়ে আসা হয়েছে। হাতির মালিক মাসুদ ও খাইরুল ইসলাম বলেন হাতিটির গরম (হিটে) এসেছে। তাই এখন নিয়ন্ত্রণ নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। হাতিটিকে প্রজনন করানো জরুরি। হাতিটিকে প্রজনন (ব্রিডিং) করানোর জন্য বগুড়া থেকে পুরুষ হাতি আনা হচ্ছে। গাইবান্ধা ফায়ার স্টেশনের স্টেশন অফিসার নাসিম রেজা নিলু বলেন, প্রায় ১০ কিলোমিটারজুড়ে হাতিটি তান্ডব চালিয়েছে। এতে ৪৫ বিঘার অধিক জমির ফসলের ক্ষতি হয়েছে।
পলাশবাড়ী উপজেলায় গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার এলাকায় চাঞ্চল্য
পলাশবাড়ী উপজেলায় গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার এলাকায় চাঞ্চল্য মোঃ আশরাফুল ইসলাম আকন্দ স্টাফ রিপোর্টার গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় সাবেক ইউপি...








