লক্ষ্মীপুর পৌর যুবদলের কর্মী সুমন ওরপে থাই সুমনের নির্যাতনের স্বীকার মসজিদের দুই ইমাম। গত ২৮/০৪/২০২৬ ইং তারিখে লক্ষ্মীপুর মর্ডেল হাসপাতাল সংলগ্ন মাদ্রাসায় সুমনের ছেলেকে শাসন করার অপরাধে সুমন মাদ্রাসার ৪ শিক্ষককে বেদম মারধর করে ২ জন আলেমকে পুলিশের হাতে তুলে দেয।
এসময় সুমন বাদী হয়ে সদর থানায় একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে ২ আলেমকে গ্রেপ্তার দেখায়। বর্তমানে ২ আলেম সদর থানায় আছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় সুমনের ছেলেকে শাসন করার অপরাধে সুমন ঘটনার বিষয়ে জানতে মাদ্রাসায় যায়।
একপর্যায়ে সুমন ক্ষিপ্ত হয়ে এক শিক্ষক কে মারধর করে। অন্য শিক্ষকরা বাধা দিতে গেলে সুমন তাদেরকে ও মারধর করে। উভয়ের ধস্তাধস্তিতে সুমন ও কিছুটা আঘাতপ্রাপ্ত হয।
একপর্যায়ে শিক্ষকরা থানায় ফোন করে পুলিশের সাহায্য চাইলে পুলিশ এসে ২ শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে।
আরো জানা যায় সুমন সাবেক যুবলীগ ক্যাডার এডভোকেট নুরুল ইসলাম হত্যার অন্যতম আসামী খালেকের আপন ভাগিনা এবং পৌরসভার ১০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হুমায়ুনের একান্ত লোক। তাছাড়া এ্যানি চৌধুরীর বডিগার্ড।
এ্যানি চৌধুরীর নাম ভাংগিয়ে শহরে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী, জমি দখল, পতিতা ব্যবসা ইত্যাদি অপকর্মে জড়িত।
এই বিষয়ে সমাধান করার চেষ্টা করা হলেও হুমায়ুন এবং যুবদল নেতা ফয়েজের কারনে তা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় লোকজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলে বিগত সরকারের আমলে যেভাবে আলেম সমাজ অত্যাচারিত হয়েছে বর্তমান সরকারের আমলে ও কি তাই হবে?







