বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৩৩টি ব্যাংকে স্থানীয় ও বৈদেশিক মুদ্রা মিলিয়ে দাবিহীন আমানতের পরিমাণ প্রায় ৫৩ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। গ্রাহকের মৃত্যু, বিদেশে স্থায়ী হওয়া, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া কিংবা উত্তরাধিকারীদের অজ্ঞতার কারণে এসব হিসাব দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয় অবস্থায় পড়ে থাকে। নিয়ম অনুযায়ী, ১০ বছর কোনো লেনদেন না হলে সেই হিসাবকে অদাবিকৃত আমানত হিসেবে গণ্য করা হয় এবং পরে বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে স্থানান্তর করা হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, বাকি ব্যাংকগুলোর তথ্য যোগ হলে এই অঙ্ক শতকোটি টাকা যেতে পারে। ব্র্যাক ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, এইচএসবিসি, ইস্টার্ন ব্যাংকসহ কয়েকটি বড় ব্যাংকে রয়েছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ দাবিহীন অর্থ। অনেক পরিবার এখনো জানেই না তাদের স্বজনদের নামে ব্যাংকে জমা রয়েছে অর্থ। তাই নিজের বা পরিবারের ব্যাংক হিসাব নিয়মিত হালনাগাদ রাখা এবং উত্তরাধিকারীদের তথ্য সংরক্ষণ করা অত্যন্ত জরুরি। দেশের ব্যাংকিং খাতে নীরবে বাড়তে থাকা এই অদাবিকৃত আমানত এখন বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।







