অনেকটা নি:শব্দে, তবে বিগস্কেলে!
সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা লক্ষ্য করেন।
২ মে ২০২৬, পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচিনে বিজেপি জয়ী হয়।
৩ মে ২০২৬, বাংলাদেশ সীমান্তে খুব শীঘ্রই ব্যালস্টিক মিসাইল টেস্ট করা হবে বলে ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের সামরিক উচ্চপর্যায়ে আগাম সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।
পর পর দুদিন ভারতের ব্যাক টু ব্যাক দুটি শট!
এবার বাংলাদেশের কাউন্টার দেখেন।
৬ মে ২০২৬, তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রোজেক্ট চীনকেই দেওয়ার ব্যাপারে সরকার আগ্রহী বলে সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে ঈঙ্গিত দেওয়া হয়! আরেকটি সূত্র জানায়, চীনকে দেওয়া না গেলে, প্রয়োজনে বাংলাদেশ নিজস্ব অর্থায়নে করবে (তবুও ভারতকে দেওয়া হবেনা)
৮ মে ২০২৬, পাকিস্তানের সাথে আন্ত:সীমান্ত নিরাপত্তা বিষয়ক গোয়েন্দা চুক্তি করল বাংলাদেশ সরকার!
এই ২য় কাউন্টারটি খুবই ব্রেইভ এন্ড বোল্ড ছিল!
৯ মে ২০২৬, এবার ভারতের কাউন্টার।
বিএসেফের গুলিতে সীমান্তে দুজন বাংলাদেশী নিহত।
এটার কাউন্টারে আমরা কি করবো জানিনা। তবে তারেক রহমান সালাউদ্দিন আহমেদরা কিছু না কিছু তো ভাবছেন এনিয়ে কোন সন্দেহ নেই।
ভারত মোর পাওয়ারফুল। রিজিওনাল সুপারপাওয়ার। কোন সন্দেহ নেই। তাই বলে মাথা নিচু করে জ্বি হুজুর জ্বি হুজুর চলবেনা। এই ফরেন পলিসির উপরেই বিএনপি দাঁড়িয়ে বিগত ৪৭ বছর।
সকল জল্পনা কল্পনা সাইডে রেখে, এটাই প্রতীয়মান হচ্ছে যে, ৪৭ বছরের এই পলিসির সহসা খুব একটা নড়চড় হচ্ছেনা!
শেষ করছি ভারতের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী যশবন্ত সিনহার একটি বক্তব্য দিয়ে। ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ এক ইন্টারভিউতে তিনি বলেন,
“আমি একবার বাংলাদেশ সফরে যাই, তখন খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, উনি হিন্দুত্ববাদ নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছিলেন, তার ছেলে তারেক রহমানের মনোভাবও একই ছিল, আমার অভিজ্ঞতায়, তারেকের সাথে কাজ করা অত্যন্ত কঠিন”।







