সব পুরুষই কোনো না কোনোভাবে নারীর শরীর চায়—এটা অস্বীকার করার কিছু নেই। এই চাওয়াটা আদিম, সহজ, প্রায় স্বাভাবিক। কিন্তু এখানেই আসল ফারাকটা তৈরি হয়। কারণ নারী প্রথমে শরীর দেয় না, নারী আগে খোঁজে যত্ন। সে খোঁজে এমন একটি উপস্থিতি, যেখানে সে নিরাপদ বোধ করতে পারে, যেখানে তাকে ভোগের বস্তু হিসেবে নয়, মানুষ হিসেবে দেখা হয়।
নারীর কাছে যত্ন মানে শুধু আদর নয়। যত্ন মানে শোনা, বোঝা, সম্মান করা। তার কথা গুরুত্ব দিয়ে শোনা, তার নীরবতাকে অবহেলা না করা, তার সীমাকে সম্মান করা। এই যত্ন যদি ঠিকভাবে দেওয়া যায়, যদি সে অনুভব করে যে তাকে দখল করতে নয়, আগলে রাখতে চাওয়া হচ্ছে—তখন শরীর কোনো দাবি থাকে না, কোনো শর্তও থাকে না।
তখন শরীর আসে বিশ্বাস থেকে।
তখন ছোঁয়া আসে নিরাপত্তা থেকে।
তখন কামনা আর লেনদেন নয়—তা হয়ে ওঠে স্বাভাবিক প্রবাহ।
নারী তখন কিছু “দেয়” না, বরং নিজেকে খুলে দেয়। কারণ সে জানে, এখানে সে শুধু চাওয়া নয়, চাওয়ার যোগ্য। যত্ন পেলে নারী নিজেই উর্বর হয়ে ওঠে—মনেও, শরীরেও। আর সেখানেই আসল মিলন ঘটে; শুধু শরীরের নয়, অনুভূতির, বিশ্বাসের, গভীর এক মানবিক টানের।
-Aklima Akter








