গোপাল চন্দ্র রায়, ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ নীলফামারীর ডোমারে জমি রেজিস্ট্রি করতে এসে দলিল সম্পাদন না করে টাকা নিয়ে সাক্ষর করা দলিল ছিড়ে ফেলে দলিল নিয়ে পালিয়ে গেছে মনিরুজ্জামান নামের এক যুবক। এ ঘটনায় আদালতে মামলা করেছেন দলিল গ্রহিতার পক্ষে তার ছেলে কমল চক্রবর্তী।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, ডোমার উপজেলার পাঙ্গা মটুকপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের মৃত মোকছেদ আলীর ছেলে মনিরুজ্জামান তার অংশের মটুকপুর মৌজার ১৯৭৯ খতিয়ানের ১৩৩০ দাগের ৫শতাংশ জমি ৫লাখ টাকা মূল্যে একই এলাকার সুবাস চক্রবর্তীর স্ত্রী রাধারানী চক্রবর্তীর নিকট বিক্রি করেন। এক লাখ টাকা মৌখিক বায়না গ্রহণ করে বিক্রিত জমির সীমানা নির্ধারণ করে গ্রহীতাকে জমির দখল বুঝে দেন।
গত ০৭/০৫ /২০২৬ ইং তারিখে জমি রেজিস্ট্রি করতে ডোমার সাব রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল লেখকের সেরেস্তায় আসেন এবং অবশিষ্ট ৪লাখ টাকা গ্রহণ করে দলিলে সহি সাক্ষর করেন। এরপর দলিল সম্পাদনের জন্য সাবরেজিস্টারের কার্যালয়ে পৌঁছালে দাতা মনিরুজ্জামান দলিল খানা হাতে নিয়ে দলিল সম্পাদন না করে প্রকাশ্যে দলিল ছিড়ে ফেলে বিনষ্ট করেন এবং ছেড়া দলিল নিয়ে পালিয়ে যান।
এ বিষয়ে ডোমার সাবরেজিস্টার সিরাজুল ইসলাম জানান, আমার সামনে অফিসের ভেতর দলিল খানা হাতে নিয়ে দলিল দাতা ছিড়ে ফেলেন।
দলিল লেখক মাসুদ রানা জানান, আমার সেরেস্তায় বসে দলিল দাতা অবশিষ্ট ৪লাখ টাকা বুঝে নিয়ে দলিলে সহি সাক্ষর করেন। এরপর দলিল খানা সম্পাদনের জন্য সাবরেজিস্টারের কাছে গেলে সাবরেজিস্টারের টেবিল থেকে দলিল হাতে নিয়ে ছিড়ে ফেলে বিনষ্ট করেন। পরে ছেড়া দলিল নিয়ে পালিয়ে যান। মামলার বাদী কমল চক্রবর্তী জানান, আমাদের বাড়ি একই এলাকায় হওয়ায় সরল বিশ্বাসে তার জমি ক্রয় করি এবং টাকা দেই। দলিল দাতা এরকম ঘটনা ঘটাবে আমি কল্পনাও করিনি।
পলাশবাড়ী উপজেলায় গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার এলাকায় চাঞ্চল্য
পলাশবাড়ী উপজেলায় গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার এলাকায় চাঞ্চল্য মোঃ আশরাফুল ইসলাম আকন্দ স্টাফ রিপোর্টার গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় সাবেক ইউপি...








