, তাঁদের সন্তান শমী কায়সার, শমী কায়সারের সাবেক স্বামী, সাবেক মন্ত্রী মোহাম্মদ এ আরাফাত, শহীদুল্লাহ কায়সারের ভাই চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান, জহির রায়হানের দ্বিতীয় স্ত্রী অভিনেত্রী সুচন্দা।
তাঁরা ছাড়াও অনেক আলোচিত ও পরিচিত মানুষ আছেন তাঁদের পরিবারে। চলেন আরেকটু বিস্তারিত জানি-
শহীদুল্লাহ কায়সার – শহীদ বুদ্ধিজীবী। ছিলেন সাংবাদিক ও লেখক। ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর তিনি শহীদ হন। জন্ম ফেনীতে। ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষিতে গ্রেফতার হন, মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হন।
পান্না কায়সার – শহীদুল্লাহ কায়সারের স্ত্রী। লেখক ও ঔপন্যাসিক হিসেবে নাম ছিল তাঁর। ৭ম সংসদে আওয়ামী লীগ থেকে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন।
শমী কায়সার – শহীদুল্লাহ কায়সার ও পান্না কায়সারের কন্যা। নাটকের জন্য বেশি পরিচিতি পান।
মোহাম্মদ এ আরাফাত – সাংসদ ও সাবেক মন্ত্রী। শমী কায়সারের দ্বিতীয় স্বামী ছিলেন।
জহির রায়হান – চলচ্চিত্রকার ও ঔপন্যাসিক। (তাঁকে নিয়ে আমার একটি বড় লেখা আছে। আবার পোস্ট করবো সামনে)। শহীদুল্লাহ কায়সারের ভাই। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের জানুয়ারি মাসে মিরপুরে নিখোঁজ ভাই শহীদুল্লাহ কায়সারকে খুঁজতে গিয়ে নিজেও নিখোঁজ হন। উল্লেখ্য, দেশ ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীন হলেও মিরপুর স্বাধীন হয় ৩১ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে।
সুচন্দা- অভিনেত্রী সুচন্দা ছিলেন জহির রায়হানের দ্বিতীয় স্ত্রী। আরাফাত রায়হান অপু ও তপু রায়হান নামে তাঁদের দুজন সন্তান রয়েছে। জহির রায়হানের আরেক স্ত্রী সুমিতা দেবি। এ ঘরে অনল রায়হান ও বিপুল রায়হান নামে দুই সন্তান জহির রায়হানের। উল্লেখ্য সুচন্দা নায়িকা ববিতা ও চম্পার বোন। (তাঁদের পরিবারে আরো অনেক জনপ্রিয় মানুষ আছে, আরেকদিন লিখবো)
শাহরিয়ার কবির – সাংবাদিক শাহরিয়ার কবির (ঘা দা নি ক) শহীদুল্লাহ কায়সারের চাচাতো ভাই।








