এছাড়াও গত ১৮ মার্চ তিনি ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বিশ্বব্যাপী মুসলমানদের জন্য ঈদ শুভেচ্ছা জানান।
গত বছর হোয়াইট হাউসে জাঁকজমকপূর্ণ ইফতার ও নৈশভোজের আয়োজন করলেও গত ঈদুল ফিতরেও তিনি যুক্তরাষ্ট্র এবং বিশ্বের মুসলমানদের জন্য কোন বার্তা দেননি। কিন্তু চলতি বছরে বাংলাদেশের মহিষকান্ডে ট্রাম্পের গোস্বার ফলে মুসলমানদের জন্য দেননি ঈদের শুভেচ্ছা বার্তা দেননি বলে অনেকেই ধারণা করছেন। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারিও এখন পর্যন্ত দেননি কোন বিবৃতি।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে ঈদুল আজহার আগে আলোচনায় আসে একটি মহিষ, যেটি ভাইরাল হয়েছিল ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ নামে, সেটি এখন সরকারি হেফাজতে। মহিষটিকে ঈদে কোরবানি দেওয়া হচ্ছে না বলে জানা গেছে।
এ বছর ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর বাজারে ব্যাপকভাবে আলোচিত হয় এই অ্যালবিনো মহিষটি। সামাজিক মাধ্যমসহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন গণমাধ্যমেও মহিষটিকে নিয়ে মানুষের আগ্রহ দেখা গেছে।
সম্প্রতি নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে মহিষটিকে খামার থেকে নিজের বাড়িতেও নিয়ে যান প্রাণীটির মালিক।
কিন্তু ঈদের একদিন আগেই জানা গেল যে, মহিষটিকে কোরবানি না করে বরং সংরক্ষণের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। আর এই সিদ্ধান্তের পেছনে ভূমিকা রেখেছেন বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ নিজেই। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বুধবার মহিষটিকে তার মালিকের বাসা থেকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার কথা জানায় পুলিশ।
এদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্প নামের এই মহিষটিকে নিজেই কিনে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলছেন, বিরল প্রজাতির এই মহিষটিকে সংরক্ষণের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
তিনি বলেন, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প নামে ভাইরাল হওয়া মহিষটি বিরল প্রজাতির। কোরবানির ঈদে আগে এটি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, কোরবানির সময় বিশৃঙ্খলা হতে পারে- এই চিন্তা থেকে মহিষটি আমি কিনে নিয়েছি। এটি এখন খামারে আছে, পরবর্তীতে চিড়িয়াখানায় রাখা হতে পারে।
ট্রাম্প প্রথম মেয়াদে প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন সময় ২০২০ সালের ২৩ মে প্রথমবার ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন। ওই বছর ২৪ মে যুক্তরাষ্ট্রে ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হয়। এর একদিন আগে তিনি মুসলিম ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বার্তা পাঠান।






