তোফায়েল আহমেদে’র মৃত্যু পর তার বাল্যকাল থেকে মৃত্যু পর্যন্ত একান্তই বন্ধু হিসেবে পাশে থাকা আব্দুল হামিদ নামের এক মুরুব্বির কাছ থেকে মিডিয়ার মাধ্যমে জাতিগতভাবে সারা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের সাথে আমরাও জানলাম- গত ১৬-১৭ বছরে আওয়ামী লীগের আমলে- বিএনপির মহাসচিব- মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর- ভোলায় যে কয়বার রাজনৈতিক কর্মসূচিতে গিয়েছিলেন ততবারই তিনি তোফায়েল আহমেদের ভোলার বাসায় বাসায় থেকেছেন! সেটা রাজনৈতিক শিষ্টাচার থেকে হোক বা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নিরাপত্তার বিষয়টি চিন্তা করে তোফায়েল আহমেদের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও উদারতা থেকে হোক! এমনকি তোফায়েল আহমেদ তার ভোলার বাসার কেয়ারটেকারদের বলে দিতেন- ওবায়দুল কাদের তার বাসায় গেলে যে আপ্যায়ন ও সম্মান পেত সেই সম্মান ও আপ্যায়ন যেন ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব’কেও করা হয়- ভোলার ডিসি- এসপি’দের প্রতিও একই নির্দেশনা থাকত! সেই চিন্তাভাবনা থেকে তোফায়েল আহমেদের প্রতি সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা জানানো ও জানাজা নামাজে’র ক্ষেত্রে আপনিও হস্তক্ষেপ করতে পারতেন! ইতিপূর্বে মতিয়া চৌধুরী মারা যাওয়ার পরেও তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানানো ও তাকে দাফন করার ক্ষেত্রে প্রফেসর ইউনূসের তত্ত্বাবধায়ক সরকার অনাকাঙ্ক্ষিত যে আচরণ করেছিল- সেই একই আচরণ আজকে তোফায়েল আহমেদের জানাজা ও শ্রদ্ধা জানানোর ক্ষেত্রেও করা হলো! যে দলেরই হোক মৃত্যুর পর তার কোন দলীয় পরিচয় থাকেনা- এমনকি একজন মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত ডাকা নামটিও বিলুপ্তি হয়ে- তিনি হয়ে যান একজন মৃত লাশ! সুতরাং কারো মৃত্যুর পর তার জানাজা ও তার প্রতি স্বতঃস্ফূর্ত সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা জানানো নিয়ে রাজনীতি ও প্রতিহিংসা পরায়ণতা ইসলামিক দৃষ্টিতেও ন্যূনতম শিষ্টাচার বহির্ভূত কর্মকাণ্ড। রাষ্ট্রীয় ও সরকারের সংস্কারের আগে আমাদের জাতিগতভাবে মানসিকতার ও মনুষ্যত্বের সংস্কার প্রয়োজন।
৯৯ বিচারককে বদলি ও পদায়ন, প্রজ্ঞাপন জারি
বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের ৪৪ জেলা জজ, ২৬ অতিরিক্ত জেলা জজ, ২৫ যুগ্ম জেলা জজ, দুই সিনিয়র সিভিল জজ ও দুই...





