♦ একজন অ্যাডভোকেট ট্রেনের এসি কেবিনে একাকী যাচ্ছিলেন।
♦ কিছুক্ষণ পরে এক সুন্দরী আসলেন এবং অপর পাশের সিটে বসে পড়লেন।
♦ আর তা দেখে উকিল সাহেব মহাখুশি। দীর্ঘ যাত্রায় এরকম একজন সঙ্গী পেতে কার না ভাল লাগে।
♦ আর সে যদি হয় কোন সুন্দরী নারী, তবে তো আর কথায় নেই!
♦ সুন্দরী এবার উকিল সাহেবের দিকে তাকিয়ে একটা মিষ্টি হাসি দিলেন আর উকিল সাহেবের মনে হল, তিনি একটি হার্টবিট মিস করলেন।
♦ কিছু সময় পরে সুন্দরীটি অপর পাশ থেকে উঠে এসে একেবারে তার পাশে গা ঘেষে বসলেন।
♦ আর এদিকে খুশিতে তো উকিল সাহেবের হার্ট এটাক করার দশা!
♦ সুন্দরী মহিলা পুরুষটির পেশাগত পরিচয় ধারণা করতে পারেননি, তাই এবার তার কানের কাছে মুখ নিয়ে আস্তে আস্তে বলল “তোমার মানিব্যাগ, মোবাইল, টাকা পয়সা যা কিছু আছে সব আমাকে দিয়ে দাও।
♦ না হলে আমি এখন ডেকে লোক জড়ো করব, সবাই তোমাকে গণধোলাই দিবে! ”
♦ যাত্রী উকিল সাহেব এমন ভাব দেখালেন, যেন তিনি কিছুই শুনতে পাননি।
♦ তিনি হাত দিয়ে ইশারায় বুঝাতে চাইলেন, তিনি বধির, তাই কানে শুনতে পান না।
♦ “যদি কিছু বলতে চান, তবে তা এই কাগজে লিখে দিন।” এই কথা ইশারার মাধ্যমে বুঝালেন। অতঃপর পকেট থেকে তিনি এক টুকরো কাগজ বের করে দিলেন।
♦ সুন্দরী নারী উকিল সাহেবের অভিনয় বিশ্বাস করে, এবার কাগজের উপর আগের কথাগুলো লিখলেন।
♦ উকিল সাহেব এবার কাগজটি নিয়ে পকেটে রেখে দিলেন এবং হাসতে হাসতে বললেন ” এবার তুমি না, আমি চিৎকার দিয়ে পুলিশ ডাকব? “
নীতিবাক্য: মৌখিক স্বাক্ষ্য থেকে লিখিত প্রমাণের মূল্য বেশী আর লিখিত প্রমাণ হাতে রাখা খুবই জরুরী।
-সংগৃহীত।








