একবিংশ শতাব্দীর ভূরাজনীতিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ কিংবা তার সামগ্রিক ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতি বিশ্বজুড়ে এক চরম অস্থিরতা ও যুদ্ধংদেহী আবহ তৈরি করেছে। ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তিই হলো সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তিপ্রয়োগের মাধ্যমে দুর্বল রাষ্ট্রগুলোকে বশ করা এবং ওয়াশিংটনের একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রাখা। তবে সাম্প্রতিক বৈশ্বিক রাজনৈতিক সমীকরণ এবং মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের অনমনীয় ও চমকপ্রদ প্রতিরোধ মার্কিন এই আগ্রাসী নীতিকে এক বড়সড় ধাক্কা দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের কাছে এই কৌশলগত পরাজয় ডোনাল্ড ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের যুদ্ধনেশা চিরতরে থামিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় নিয়ামক হিসেবে কাজ করতে পারে।একই সাথে ইরান যুদ্ধই হতে পারে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের পতনের সূচনা পর্ব। আজকের ইরানের প্রতিরোধযুদ্ধ পরবর্তী বিশ্ব ইতিহাসের এক যুগান্তকারী ও মোড় পরিবর্তনকারী যুদ্ধ হিসেবে গবেষণা ও ইতিহাস চর্চার অংশ হতে পারে বলে মনে করছেন অনেক নামকরা বিশ্লেষক।
ভেনিজুয়েলা মডেল এবং ট্রাম্পের আগ্রাসী লোভ: ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধংদেহী মানসিকতা এবং অন্যান্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের ইতিহাস নতুন নয়। এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ ছিল লাতিন আমেরিকার তেলসমৃদ্ধ দেশ ভেনিজুয়েলা। ভেনিজুয়েলার বামপন্থী প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অবৈধভাবে অপসারণ করার জন্য ওয়াশিংটন সমস্ত প্রকার অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, কূটনৈতিক চাপ এবং সামরিক হুমকির পথ বেছে নিয়েছিল। মার্কিন মূল লক্ষ্য ছিল অত্যন্ত পরিষ্কার—ভেনিজুয়েলার বিশাল তেল সম্পদের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা।
হুয়ান গাইডোকে কৃত্রিমভাবে ভেনিজুয়েলার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন ভেবেছিল খুব সহজেই মাদুরো সরকারকে পতন ঘটানো সম্ভব হবে। সাময়িকভাবে সেই প্রক্রিয়ায় মার্কিন জোট সফলতার মুখ দেখছে বলে মনে হয়েছিল, যা ট্রাম্পের আত্মবিশ্বাসকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। ভেনিজুয়েলার তেল সম্পদ দখলের এই দৃশ্যমান ‘সফলতা’ ও আগ্রাসী উন্মাদনা ট্রাম্পকে পরবর্তীকালে আরেকটি তেলসমৃদ্ধ দেশ ইরানের বিরুদ্ধে পূর্ণ মাত্রার আগ্রাসন চালাতে চরমভাবে উৎসাহিত করেছিল। ওয়াশিংটনের নীতিনির্ধারকরা ভেবেছিলেন, ভেনিজুয়েলার মতো ইরানকেও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও সামরিক হুমকিতে ধসিয়ে দেওয়া যাবে। কিন্তু ইরানের প্রতিরোধ কৌশল ও সক্ষমতা তাদের মাথায় চিন্তার ভাঁজ ফেলে দেয়।
ইরানের চমকপ্রদ প্রতিরোধ: ধূলিসাৎ মার্কিন-ইসরায়েল নীলনকশা:ইরানকে নতজানু করার উদ্দেশ্যে ট্রাম্প প্রশাসন ২০১৫ সালের ঐতিহাসিক পরমাণু চুক্তি থেকে একতরফাভাবে বেরিয়ে যায় এবং তেহরানের ওপর ইতিহাসের কঠোরতম অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন আধিপত্যের প্রধান সহযোগী ইসরায়েলকে সাথে নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন ইরানকে কোণঠাসা করার একটি নিখুঁত নীলনকশা তৈরি করেছিল। কিন্তু ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের সেই হিসাব-নিকাশ ইরানের আকাশচুম্বী প্রতিরোধ ক্ষমতার কাছে এসে সম্পূর্ণ ভেস্তে গেছে।
ইরান কেবল মার্কিন নিষেধাজ্ঞাকেই বুড়ো আঙুল দেখায়নি, বরং সামরিক প্রযুক্তিতে নিজস্ব সক্ষমতার এক অভাবনীয় প্রদর্শন করেছে। পারস্য উপসাগরে মার্কিন অত্যাধুনিক ড্রোন ভূপাতিত করা, হরমুজ প্রণালীতে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা এবং ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সরাসরি ও প্রক্সি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া—সবমিলিয়ে ইরান এক অপরাজেয় প্রতিরোধ দেয়াল গড়ে তোলে।
ইরানের এই চমকপ্রদ ও কৌশলী প্রতিরোধ ব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল জোটকে শুধু চরমভাবে হতাশ ও স্তব্ধই করেনি, বরং এটি ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভবিষ্যত সামরিক আগ্রাসনের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে একটি কঠোর ও অমোঘ বার্তাও দিয়েছে।
এই প্রতিরোধ প্রমাণ করেছে যে, সাদ্দাম হোসেনের ইরাক বা গাদ্দাফির লিবিয়ার মতো ইরানকে রাতারাতি গুঁড়িয়ে দেওয়া অসম্ভব। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি এবং আঞ্চলিক মিত্রদের নেটওয়ার্ক মার্কিন বাহিনীকে যেকোনো চূড়ান্ত যুদ্ধ শুরুর আগে দশবার ভাবতে বাধ্য করেছে। ফলস্বরূপ, ট্রাম্পের যুদ্ধংদেহী মনোভাব ইরানের দরজায় এসে এক প্রকার পরাজয় স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে।
ইরানের আগাম হামলার সম্ভাবনা:মার্কিন সংবাদ মাধ্যম অ্যাক্সিওস এবং ব্লুমবার্গ-এর সম্প্রতি প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয় যে, ভবিষ্যতে হয়ত ইরানই প্রথম ইসরায়েল বা যুক্তরাষ্ট্রকে আগাম আক্রমণ করতে পারে ।জ্ঞাতব্য যে, এখন সাধারণত ইরান আক্রান্ত হওয়ার পরই পাল্টা প্রতিরোধ করে থাকে। কিন্তু ভবিষৎ হতে পারে তার ব্যতিক্রম। শত্রু পক্ষকে ইরান যখন হুমকি মনে করবে তখন সে শত্রু পক্ষকে আগাম আক্রমণ করে বসতে পারে। আগাম আক্রমণ হলে প্রতিপক্ষ বেশি ক্ষয়ক্ষতির মুখোমুখি হবে। কারণ এখন প্রতিপক্ষ প্রথমে আক্রমণের প্রস্ততি শেষ করে ,তারপর পাল্টা প্রতিরোধের হুমকি প্রতিরোধের প্রস্ততি নেয়। সকল প্রস্তুতি শেষ হলেই তবে হামলা শুরু করে। ফলে প্রতিপক্ষের তুলনায় অতীতে ইরানই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিন্তু ভবিষৎ সমীকরণ পাল্টে যাবে যেকোন সময়।
আক্রমণের দ্বিগুন জবাব:ইরান সীমিত ও কৌশলগত জবাব দেওয়ায় প্রথা ইতোমধ্যেই ত্যাগ করেছে। যেকোন আক্রমণের দ্বিগুন বা তার বেশি জবাব দেওয়ার কৌশল নিয়েছে ইরান। যেমন, সম্প্রতি হরমুজ প্রণালীর পাশে কেশম দ্বীপে হামলার জবাবে ইরান একই সাথে বাহরাইন, কুয়েত ও জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন ঘাটিতে দফায় দফায় হামলা করেছে, যার মাত্রা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের আক্রমণের চেয়েও অনেক তীব্র ও ব্যাপক। ইরানের প্রতিরোধ যুদ্ধের পরবর্তী দিনগুলোর কৌশল হয়ত এমনই হতে পারে।
যুদ্ধ বা শান্তিতে একসাথে ‘প্রতিরোধ জোট’: যুদ্ধ বা শান্তি পরিস্থিতিতে একসঙ্গে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ‘এক্সিস অব রেজিসট্যান্স’ বা ‘প্রতিরোধ জোটবদ্ধ গোষ্ঠীগুলো ও ইরান। একই কারণে শান্তি চুক্তির জন্য সবফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধের শর্ত দিয়েছে ইরান। ইসরায়েল লেবাননে হামলা বন্ধ না করলে শান্তি চুক্তি গ্রহণ করবে না বলে জানিয়েছে ইরান। জ্ঞাতব্য যে, ইরানের প্রতিরোধ যুদ্ধের উল্লেখযোগ্য সদস্য হলো:লেবাননের হিজবুল্লাহ, ফিলিস্তিনের হামাস,ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী এবং ইরাকের পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্স ইত্যাদি।
আগ্রাসনের তালিকায় পরবর্তী লক্ষ্য: কিউবা ও লাতিন আমেরিকার বাস্তবতা:ইরানের বিরুদ্ধে যদি ট্রাম্প প্রশাসন অনায়াসে জয় পেত, তবে বিশ্বজুড়ে মার্কিন আগ্রাসনের চাকা আরও দ্রুত ঘুরত। মার্কিন গোয়েন্দা ও সামরিক সূত্রগুলোর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ইরানের পর ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনের তালিকায় পরবর্তী প্রধান লক্ষ্যবস্তু ছিল সমাজতান্ত্রিক কিউবাসহ লাতিন আমেরিকা ও এশিয়ার অন্যান্য স্বাধীনচেতা দেশগুলো।
ট্রাম্পের শাসনামলে কিউবার ওপর ওবামা আমলের শিথিল হওয়া নিষেধাজ্ঞা পুনরায় কঠোর করা হয় এবং হাভানাকে ‘সন্ত্রাসবাদের মদদদাতা’ হিসেবে আখ্যায়িত করে চরম কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করা হয়। ট্রাম্পের লক্ষ্য ছিল লাতিন আমেরিকার বুক থেকে সমাজতন্ত্রের শেষ চিহ্নটুকু মুছে ফেলা। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসন এটা ভুলে গেছে যে, কিউবা কোনো সাধারণ ভূখণ্ড নয়। ফিদেল কাস্ত্রো ও চে গুয়েভারার আদর্শে গড়ে ওঠা এই দ্বীপরাষ্ট্র বিগত ছয় দশক ধরে মার্কিন নাকের ডগায় বসে সমস্ত অর্থনৈতিক অবরোধ ও সামরিক ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে টিকে আছে।
কিংবদন্তি বিপ্লবী ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারী কিউবা কখনোই মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের সামনে মাথা নত করার মতো দেশ নয়। ইরানের প্রতিরোধের পর কিউবাও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে যে, তাদের সার্বভৌমত্বে আঘাত হানা হলে তারাও ইরানের মতোই কঠোর, দীর্ঘমেয়াদী ও সর্বাত্মক প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। লাতিন আমেরিকার ভূরাজনীতিতে কিউবার এই অনমনীয় অবস্থান ট্রাম্পের যুদ্ধজাহাজগুলোকে ক্যারিবীয় সাগরেই থমকে যেতে বাধ্য করেছে।
গ্রিনল্যান্ড বিতর্ক: ঔপনিবেশিক মানসিকতা ও ইউরোপের ট্রাম্প বিরোধী অবস্থান:ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভূরাজনৈতিক আগ্রাসনের ক্ষুধা কেবল তেলসমৃদ্ধ বা সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোতেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং তা ইউরোপের শান্ত পরিবেশেও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছিল। এর সবচেয়ে হাস্যকর এবং একই সাথে বিপজ্জনক উদাহরণ ছিল ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল, পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপ গ্রিনল্যান্ড কিনে নেওয়ার বা দখল করার ট্রাম্পীয় প্রস্তাব।
খনিজ সম্পদে ভরপুর এবং আর্কটিক অঞ্চলের কৌশলগত প্রবেশদ্বার হওয়ায় গ্রিনল্যান্ডের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের লোভ ছিল। ট্রাম্প অত্যন্ত প্রকাশ্যেই গ্রিনল্যান্ডকে আমেরিকার অংশ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন, যা ডেনমার্ক সরকার এবং বিশ্ববাসীকে হতবাক করেছিল। ট্রাম্প ভেবেছিলেন ন্যাটোর প্রধান নেতা হিসেবে ইউরোপীয় দেশগুলো তার এই ঔপনিবেশিক মানসিকতাকে মেনে নেবে।
কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ উল্টো প্রমাণিত হয়েছে। ইউরোপের অধিকাংশ দেশ, বিশেষ করে জার্মানি ও ফ্রান্সসহ ইউরোপীয় ইউনিয়ন ট্রাম্পের এই অযৌক্তিক ও আগ্রাসী দাবির তীব্র বিপক্ষে অবস্থান নেয়। ইউরোপীয় নেতারা স্পষ্ট করে দেন যে, আধুনিক বিশ্বে এভাবে কোনো স্বাধীন রাষ্ট্রের ভূখণ্ড কেনাবেচা বা দখল করার চেষ্টা আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন।
একদিকে ইরানের কাছে সামরিক ও কৌশলগত ধাক্কা, অন্যদিকে গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে খোদ ইউরোপীয় মিত্রদের কাছ থেকে তীব্র প্রতিরোধ—এই দুইয়ের যাঁতাকলে পড়ে ট্রাম্পের সাম্রাজ্যবাদী কূটনীতি বড় ধরনের ধাক্কা খায়। ফলস্বরূপ, কোনো সামরিক সংঘাত বা রক্তপাত ছাড়াই, শুধুমাত্র আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক চাপ এবং ইউরোপের একতার কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ড দখলের উদ্ভট পরিকল্পনা থেকে পিছু হটতে বাধ্য হয়।
ট্রাম্পের যুদ্ধনেশার অবসান ও নতুন মেরুকরণ:সামগ্রিক বিশ্লেষণ থেকে এটি স্পষ্ট যে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের যে ‘যুদ্ধনেশা’ বিশ্বকে এক তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাচ্ছিল, তা মূলত ইরানের ইস্পাতকঠিন প্রতিরোধের কারণেই থমকে গেছে। ভেনিজুয়েলায় পাওয়া আংশিক আত্মবিশ্বাস যখন ইরানি প্রতিরোধের দেয়ালে আছড়ে পড়ে, তখনই ওয়াশিংটনের নীতিনির্ধারকরা বুঝতে পারেন যে সামরিক শক্তিরও একটি সীমাবদ্ধতা রয়েছে।
ইরানের এই প্রতিরোধ শুধু মধ্যপ্রাচ্যকেই রক্ষা করেনি, বরং তা কিউবাকে মার্কিন আগ্রাসন থেকে সুরক্ষা দিয়েছে এবং গ্রিনল্যান্ডের মতো দূরবর্তী অঞ্চলেও মার্কিন ঔপনিবেশিক থাবা বিস্তারে বাধা সৃষ্টি করেছে। ট্রাম্পের এই পিছু হটা বিশ্ববাসীকে একটি নতুন বার্তা দেয়: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যতই শক্তিশালী হোক না কেন, ঐক্যবদ্ধ আন্তর্জাতিক অবস্থান এবং দৃঢ় জাতীয় প্রতিরোধ শক্তির সামনে সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন পরাস্ত হতে বাধ্য। ইরানের এই বিজয় তাই কেবল একটি দেশের প্রতিরক্ষা জয় নয়, এটি বিশ্বজুড়ে ট্রাম্পের আগ্রাসী যুদ্ধনেশা থামিয়ে দেওয়ার এক ঐতিহাসিক টার্নিং পয়েন্ট।
মো: মহিউদ্দিন
শিক্ষক (বিসিএস সাধারণ শিক্ষা),
আমতলী সরকারি কলেজ, বরগুনা।






